চরচা ডেস্ক

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া পরিকল্পনাটি কিয়েভের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তাব নয়। এরপর গতকাল রোববার সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে একটি সংশোধিত পরিকল্পনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রয়টার্সকে বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের একটি পরিকল্পনা প্রণয়নে রবিবারের আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন হয়েছে। তবে রাশিয়ার হুমকির মুখে কিয়েভের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।
এর আগে, শনিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকেরা ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, বর্তমান খসড়া পরিকল্পনাটি কিয়েভের জন্য তার চূড়ান্ত প্রস্তাব কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, “না, এটি আমার চূড়ান্ত প্রস্তাব নয়।”
এ সময় ট্রাম্প আরও বলেন, “যেকোনো উপায়ে এ যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে। আর সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।”
তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ২৮ দফা প্রস্তাব ও ২৭ নভেম্বরের মধ্যে তাতে সেই করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। কিয়েভ একটি বিকল্প প্রস্তাব দেবে বলেও উল্লেখ করেছিলেন তিনি।
বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই পরিকল্পনায় এমন কিছু প্রস্তাব রয়েছে যা আগে থেকেই কিয়েভ প্রত্যাখ্যান করেছিল। এর মধ্যে ছিল দেশটির মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকা ছাড় দেওয়া, সেনাবাহিনীর আকার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো এবং ন্যাটোতে যোগ না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি।
এদিকে, এই পরিকল্পনাটি শান্তি প্রক্রিয়ার ভিত্তি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
পুতিন আরও জানান, ট্রাম্পের প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে রাশিয়া প্রস্তুত। কিন্তু প্রয়োজনে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এরপর শান্তি আলোচনা ও ২৮ দফার মীমাংসা নিয়ে জেনেভায় ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন মার্কো রুবিও ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিফ উইটকফ। পরে ইউরোপীয় কর্মকর্তারাও যোগ দেন।
রুবিও জানিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২৮ দফা শান্তি পরিকল্পনায় যেসব ইস্যু অমীমাংসিত ছিল, তার অনেকটাই মীমাংসা হয়েছে। এই সংশোধিত পরিকল্পনায় কিয়েভের সশস্ত্র বাহিনীর ওপর প্রস্তাবিত সীমাবদ্ধতা এবং সম্ভাব্য ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া পরিকল্পনাটি কিয়েভের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তাব নয়। এরপর গতকাল রোববার সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে একটি সংশোধিত পরিকল্পনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রয়টার্সকে বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের একটি পরিকল্পনা প্রণয়নে রবিবারের আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন হয়েছে। তবে রাশিয়ার হুমকির মুখে কিয়েভের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।
এর আগে, শনিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকেরা ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, বর্তমান খসড়া পরিকল্পনাটি কিয়েভের জন্য তার চূড়ান্ত প্রস্তাব কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, “না, এটি আমার চূড়ান্ত প্রস্তাব নয়।”
এ সময় ট্রাম্প আরও বলেন, “যেকোনো উপায়ে এ যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে। আর সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।”
তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ২৮ দফা প্রস্তাব ও ২৭ নভেম্বরের মধ্যে তাতে সেই করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। কিয়েভ একটি বিকল্প প্রস্তাব দেবে বলেও উল্লেখ করেছিলেন তিনি।
বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই পরিকল্পনায় এমন কিছু প্রস্তাব রয়েছে যা আগে থেকেই কিয়েভ প্রত্যাখ্যান করেছিল। এর মধ্যে ছিল দেশটির মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকা ছাড় দেওয়া, সেনাবাহিনীর আকার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো এবং ন্যাটোতে যোগ না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি।
এদিকে, এই পরিকল্পনাটি শান্তি প্রক্রিয়ার ভিত্তি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
পুতিন আরও জানান, ট্রাম্পের প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে রাশিয়া প্রস্তুত। কিন্তু প্রয়োজনে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এরপর শান্তি আলোচনা ও ২৮ দফার মীমাংসা নিয়ে জেনেভায় ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন মার্কো রুবিও ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিফ উইটকফ। পরে ইউরোপীয় কর্মকর্তারাও যোগ দেন।
রুবিও জানিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২৮ দফা শান্তি পরিকল্পনায় যেসব ইস্যু অমীমাংসিত ছিল, তার অনেকটাই মীমাংসা হয়েছে। এই সংশোধিত পরিকল্পনায় কিয়েভের সশস্ত্র বাহিনীর ওপর প্রস্তাবিত সীমাবদ্ধতা এবং সম্ভাব্য ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।