চরচা প্রতিবেদক

রংপুর মহানগরে অভিযান চালিয়ে পর্নোগ্রাফি মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটিইউর পুলিশ সুপার (মিডিয়া) ব্যারিস্টার মাহফুজুল আলম রাসেল বিষয়টি জানান।
গত বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে রংপুর মহানগরের কোতয়ালী থানাধীন কলেজ রোডের আলমনগর বনানীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন-মো. আজম আলী ও মো. সাফায়েত হোসেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। এটিইউ জানায়, জব্দ করা ফোনে একাধিক নারীর ‘অশ্লীল ছবি ও ভিডিও’ পাওয়া গেছে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী পরিচয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে ভিডিও কল বা চ্যাটের মাধ্যমে গোপনে নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তা প্রকাশের হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করত।
এ ঘটনায় ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১), ৮(২) ও ৮(৩) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ভিত্তিতে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে এটিইউ।

রংপুর মহানগরে অভিযান চালিয়ে পর্নোগ্রাফি মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটিইউর পুলিশ সুপার (মিডিয়া) ব্যারিস্টার মাহফুজুল আলম রাসেল বিষয়টি জানান।
গত বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে রংপুর মহানগরের কোতয়ালী থানাধীন কলেজ রোডের আলমনগর বনানীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন-মো. আজম আলী ও মো. সাফায়েত হোসেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। এটিইউ জানায়, জব্দ করা ফোনে একাধিক নারীর ‘অশ্লীল ছবি ও ভিডিও’ পাওয়া গেছে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী পরিচয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে ভিডিও কল বা চ্যাটের মাধ্যমে গোপনে নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তা প্রকাশের হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করত।
এ ঘটনায় ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১), ৮(২) ও ৮(৩) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ভিত্তিতে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে এটিইউ।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।