চরচা ডেস্ক

ভারীবৃষ্টিতে ভূমিধসের কথা উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছেন, বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে বসবাসকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবন ‘মারাত্মক ঝুঁকির’ মধ্যে রয়েছে।
গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে বসবাসকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তা ২০২৬ সালের জুলাইয়ের সাম্প্রতিক ভূমিধসের ঘটনায় আবারো স্পষ্ট হয়েছে।”
এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাটি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশ ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে আসছে।
সময়ের সাথে সাথে পরিবারগুলোর পরিধি বাড়লেও তাদেরকে গাছপালা কেটে ন্যাড়া করা খাড়া পাহাড়ের ঢালে বাঁশ ও ত্রিপলের তৈরি অস্থায়ী ছাউনিতে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে, যা বর্ষা মৌসুমে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
মিয়ানমার থেকে নতুন করে আরও শরণার্থী আসার কারণে এই ঘিঞ্জি ক্যাম্পগুলোতে প্রাণঘাতী সাইক্লোন, বন্যা ও ভূমিধসে হতাহতের আশঙ্কা নিয়ে বারবার সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
এই পরিস্থিতিতে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বাংলাদেশ সরকার, জাতিসংঘ ও দাতা দেশগুলোকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভিড় কমাতে এবং বাঁধ নির্মাণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, যাতায়াতের রাস্তা ও জরুরি স্থানান্তর কেন্দ্রের জন্য অর্থসহায়তা জরুরি ভিত্তিতে পুনরায় চালু করার আহ্বান জানিয়েছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অঞ্চলের ডেপুটি ডিরেক্টর মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, “বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য প্রতিটি বর্ষা মৌসুম দিন দিন আরও বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। তাদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় তহবিল ফুরিয়ে যাওয়ায় গাছপালাহীন পাহাড়গুলো ধসে পড়ছে এই অস্থায়ী ঘরবাড়িগুলোর ওপর।”
রোহিঙ্গা কোঅর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই থেকে ৯ জুলাইয়ের মধ্যে কক্সবাজারের গুলোতে আবহাওয়া-জনিত কারণে ২৮৬টি ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ২৬ হাজার ১১৯ জন শরণার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
এর মধ্যে ৯৫টি ভূমিধসের ঘটনায় ৪ হাজার ৩০৭ জন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং ২ হাজার ৮০৯টি ঘর আংশিক ও ১৩টি ঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।
এছাড়াও বেশ কিছু লার্নিং সেন্টার, শৌচাগার ও খাবার জলের কল, রাস্তা, সিঁড়ি, সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ১ হাজারেরও বেশি শরণার্থীকে সরিয়ে নিয়েছে, তবে অনেকেই নিজেদের ঘর ছেড়ে যেতে রাজি হননি।

ভারীবৃষ্টিতে ভূমিধসের কথা উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছেন, বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে বসবাসকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবন ‘মারাত্মক ঝুঁকির’ মধ্যে রয়েছে।
গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে বসবাসকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তা ২০২৬ সালের জুলাইয়ের সাম্প্রতিক ভূমিধসের ঘটনায় আবারো স্পষ্ট হয়েছে।”
এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাটি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশ ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে আসছে।
সময়ের সাথে সাথে পরিবারগুলোর পরিধি বাড়লেও তাদেরকে গাছপালা কেটে ন্যাড়া করা খাড়া পাহাড়ের ঢালে বাঁশ ও ত্রিপলের তৈরি অস্থায়ী ছাউনিতে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে, যা বর্ষা মৌসুমে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
মিয়ানমার থেকে নতুন করে আরও শরণার্থী আসার কারণে এই ঘিঞ্জি ক্যাম্পগুলোতে প্রাণঘাতী সাইক্লোন, বন্যা ও ভূমিধসে হতাহতের আশঙ্কা নিয়ে বারবার সতর্কবার্তা দিয়ে আসছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
এই পরিস্থিতিতে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বাংলাদেশ সরকার, জাতিসংঘ ও দাতা দেশগুলোকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভিড় কমাতে এবং বাঁধ নির্মাণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, যাতায়াতের রাস্তা ও জরুরি স্থানান্তর কেন্দ্রের জন্য অর্থসহায়তা জরুরি ভিত্তিতে পুনরায় চালু করার আহ্বান জানিয়েছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অঞ্চলের ডেপুটি ডিরেক্টর মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, “বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য প্রতিটি বর্ষা মৌসুম দিন দিন আরও বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। তাদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় তহবিল ফুরিয়ে যাওয়ায় গাছপালাহীন পাহাড়গুলো ধসে পড়ছে এই অস্থায়ী ঘরবাড়িগুলোর ওপর।”
রোহিঙ্গা কোঅর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই থেকে ৯ জুলাইয়ের মধ্যে কক্সবাজারের গুলোতে আবহাওয়া-জনিত কারণে ২৮৬টি ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ২৬ হাজার ১১৯ জন শরণার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
এর মধ্যে ৯৫টি ভূমিধসের ঘটনায় ৪ হাজার ৩০৭ জন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং ২ হাজার ৮০৯টি ঘর আংশিক ও ১৩টি ঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।
এছাড়াও বেশ কিছু লার্নিং সেন্টার, শৌচাগার ও খাবার জলের কল, রাস্তা, সিঁড়ি, সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ১ হাজারেরও বেশি শরণার্থীকে সরিয়ে নিয়েছে, তবে অনেকেই নিজেদের ঘর ছেড়ে যেতে রাজি হননি।

সুন্দরবনের ডাকাত ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ জন ডাকাত সদস্য বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম।