চরচা ডেস্ক

অর্থ পাচারের অভিযোগে হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস ওরফে তৌহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকার মানিলন্ডারিং মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস ২০১৯ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তৌহিদ ইসলাম নাম নেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করতেন। বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিজের এডিট করা ছবি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে সেভ করা ভুয়া ফোনকলও প্রদর্শন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরকারি চাকরি, বদলি, হুন্ডি ও সংঘবদ্ধ অপরাধসংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সিআইডি প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও তার বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস হিসাবে মোট ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা জমা হয়েছে এবং প্রায় একই পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হয়েছে, যা তার পরিচিত পেশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে জানিয়েছে সিআইডি।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, তার বিরুদ্ধে এর আগে বনানী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় একটি মামলা রয়েছে।
সিআইডি জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেশি ও বিদেশি মুদ্রা পাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে। তার বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস হিসাবের সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

অর্থ পাচারের অভিযোগে হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস ওরফে তৌহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকার মানিলন্ডারিং মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস ২০১৯ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তৌহিদ ইসলাম নাম নেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করতেন। বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিজের এডিট করা ছবি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে সেভ করা ভুয়া ফোনকলও প্রদর্শন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরকারি চাকরি, বদলি, হুন্ডি ও সংঘবদ্ধ অপরাধসংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সিআইডি প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও তার বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস হিসাবে মোট ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা জমা হয়েছে এবং প্রায় একই পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হয়েছে, যা তার পরিচিত পেশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে জানিয়েছে সিআইডি।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, তার বিরুদ্ধে এর আগে বনানী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় একটি মামলা রয়েছে।
সিআইডি জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেশি ও বিদেশি মুদ্রা পাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে। তার বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস হিসাবের সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদের ৬ হাজার ৩৬১টির মধ্যে ৩ হাজার ১৬১টি পদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদের ১৪ হাজার ৪৬০টির মধ্যে ৫৪০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) পদের ২০ হাজার ৯০৯টির মধ্যে শূন্য রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩টি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।