চরচা প্রতিবেদক

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনভাগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘‘ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যানের আউটলাইন দেওয়া হয়েছে— এখন সংশ্লিষ্ট বাহিনী বিস্তারিত সাজাবে। কেন্দ্রে স্ট্যাটিক না রিজার্ভ না স্ট্রাইকিং— ওনারাই ঠিক করবেন। কতজন থাকবে, কতদিন থাকবে— সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলবে।’’
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আজ বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে আখতার আহমেদ এসব কথা বলেন। এদিন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় ও প্রাক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অংশ নেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ডিএমপি কমিশনারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা।
ব্রিফিংয়ে আখতার আহমেদ বলেন, ‘‘নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব বাহিনী নেই— আইনশৃঙ্খলা-সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর আমরা নির্ভরশীল। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন— প্রথম দিন থেকেই মাঠে কাজ করবেন এবং কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।’’
সেনাবাহিনীকে বর্তমানে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া আছে, তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা কী হবে এমন প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব বলেন, ‘‘সেনাবাহিনী— তারা এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে কাজ করছেন এবং তাদের ম্যাজিস্ট্রিয়াল ক্ষমতা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।’’
তফসিল ঘোষণার পর এই এখতিয়ার আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, ‘‘বিষয়টি সাংঘর্ষিক হওয়ার মত কিছু আমি দেখছি না।’’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোতায়েন নিয়ে সিনিয়র সচিব জানান, মূলত তিনটা ভাগে ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান করা হচ্ছে—

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনভাগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ‘‘ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যানের আউটলাইন দেওয়া হয়েছে— এখন সংশ্লিষ্ট বাহিনী বিস্তারিত সাজাবে। কেন্দ্রে স্ট্যাটিক না রিজার্ভ না স্ট্রাইকিং— ওনারাই ঠিক করবেন। কতজন থাকবে, কতদিন থাকবে— সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলবে।’’
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আজ বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে আখতার আহমেদ এসব কথা বলেন। এদিন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় ও প্রাক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অংশ নেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ডিএমপি কমিশনারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা।
ব্রিফিংয়ে আখতার আহমেদ বলেন, ‘‘নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব বাহিনী নেই— আইনশৃঙ্খলা-সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর আমরা নির্ভরশীল। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন— প্রথম দিন থেকেই মাঠে কাজ করবেন এবং কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।’’
সেনাবাহিনীকে বর্তমানে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া আছে, তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা কী হবে এমন প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব বলেন, ‘‘সেনাবাহিনী— তারা এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে কাজ করছেন এবং তাদের ম্যাজিস্ট্রিয়াল ক্ষমতা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।’’
তফসিল ঘোষণার পর এই এখতিয়ার আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, ‘‘বিষয়টি সাংঘর্ষিক হওয়ার মত কিছু আমি দেখছি না।’’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোতায়েন নিয়ে সিনিয়র সচিব জানান, মূলত তিনটা ভাগে ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান করা হচ্ছে—

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।