চরচা ডেস্ক

আরব আমিরাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে আটক ২৪ জন বাংলাদেশিকে খুব শিগগিরই মুক্তি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
আজ শুক্রবার তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই খবর জানান।
আসিফ নজরুল বলেন, “মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারের লাগাতার প্রচেষ্টার ফলেই এই মুক্তির সিদ্ধান্ত এসেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট কাজে সহযোগিতার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আরব আমিরাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।”
আসিফ নজরুল লেখেন, “এর আগে, একই ঘটনায় আটক ১৮৮ জন বাংলাদেশিকে গত বছরের সেপ্টেম্বরে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল প্রধান উপদেষ্টার সরাসরি উদ্যোগ ও কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে। এবার বাকি থাকা ২৪ জনের মুক্তির ঘোষণা সেই ধারাবাহিক সাফল্যেরই অংশ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।”
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভের ঘটনায় প্রথম দফায় আটক ৫৭ জনের মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন, ৫৩ জনকে ১০ বছর ও একজনকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল দেশটির আদালত।
পরে গত বছরের ২৮ আগস্ট দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বাংলাদেশিদের সাজা মওকুফের অনুরোধ জানান। এতে সাড়া দেয় আমিরাত সরকার। পরে কারামুক্ত হয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে দেশে ফিরতে শুরু করেন প্রবাসীরা।

আরব আমিরাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে আটক ২৪ জন বাংলাদেশিকে খুব শিগগিরই মুক্তি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
আজ শুক্রবার তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই খবর জানান।
আসিফ নজরুল বলেন, “মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারের লাগাতার প্রচেষ্টার ফলেই এই মুক্তির সিদ্ধান্ত এসেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট কাজে সহযোগিতার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আরব আমিরাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।”
আসিফ নজরুল লেখেন, “এর আগে, একই ঘটনায় আটক ১৮৮ জন বাংলাদেশিকে গত বছরের সেপ্টেম্বরে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল প্রধান উপদেষ্টার সরাসরি উদ্যোগ ও কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে। এবার বাকি থাকা ২৪ জনের মুক্তির ঘোষণা সেই ধারাবাহিক সাফল্যেরই অংশ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।”
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভের ঘটনায় প্রথম দফায় আটক ৫৭ জনের মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন, ৫৩ জনকে ১০ বছর ও একজনকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল দেশটির আদালত।
পরে গত বছরের ২৮ আগস্ট দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বাংলাদেশিদের সাজা মওকুফের অনুরোধ জানান। এতে সাড়া দেয় আমিরাত সরকার। পরে কারামুক্ত হয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে দেশে ফিরতে শুরু করেন প্রবাসীরা।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।