চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই একের পর এক ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার বিকাল সোয়া পাঁচটার দিকে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার বলেন, “৫টা ২২ মিনিটে আগুনের খবর পাওয়া মাত্রই ইউনিট পাঠানো হয়। পরে আগুনের তীব্রতা দেখে ইউনিট বাড়ানো হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”
স্থানীয়রা জানান, কয়েক শতাধিক ঘর পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগুন লাগার পর বাসিন্দারা কিছুই বাঁচাতে পারেননি। বস্তিবাসী সুমন মিয়া বলেন, “চোখের সামনে সব পুড়ে গেল। বাচ্চাদের বই–কাপড় কিছুই রইল না। এখন আমরা কোথায় রাত কাটাবো?”
আরেক বাসিন্দা ফারুক আহমেদ বলেন, “আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল যে কিছু নেওয়ার সুযোগই পাইনি। এখন মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই।”
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মোট ১৯টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। ঘিঞ্জি পরিবেশ ও ঘরগুলোর ঘনবসতির কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনাস্থলে পুলিশ, সেনাবাহিনী, স্কাউট, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পানি সরবরাহ ও মানুষ সরিয়ে নেওয়ার কাজে যুক্ত হয়েছে। বনানী থানার ওসি রাসেল সারোয়ার জানান, পুরো এলাকা ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং বস্তিবাসীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। নিয়ন্ত্রণে এলে তদন্ত শুরু হবে বলে জানিয় তিনি।
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান–বনানীর পাশে প্রায় ৯০ একর জমিতে গড়ে ওঠা এই বস্তিতে প্রায় ১০ হাজারের বেশি ঘর। এই এলাকায় প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে বড় অগ্নিকাণ্ডে কয়েক ডজন ঘর পুড়ে যায়। এছাড়া গত বছরের ২৪ মার্চ ও ১৮ ডিসেম্বরেও ভয়াবহ আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পুড়ে যায় অন্তত দুই শতাংশ ছোট-বড় ঘর।

রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই একের পর এক ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার বিকাল সোয়া পাঁচটার দিকে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার বলেন, “৫টা ২২ মিনিটে আগুনের খবর পাওয়া মাত্রই ইউনিট পাঠানো হয়। পরে আগুনের তীব্রতা দেখে ইউনিট বাড়ানো হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”
স্থানীয়রা জানান, কয়েক শতাধিক ঘর পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগুন লাগার পর বাসিন্দারা কিছুই বাঁচাতে পারেননি। বস্তিবাসী সুমন মিয়া বলেন, “চোখের সামনে সব পুড়ে গেল। বাচ্চাদের বই–কাপড় কিছুই রইল না। এখন আমরা কোথায় রাত কাটাবো?”
আরেক বাসিন্দা ফারুক আহমেদ বলেন, “আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল যে কিছু নেওয়ার সুযোগই পাইনি। এখন মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই।”
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মোট ১৯টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। ঘিঞ্জি পরিবেশ ও ঘরগুলোর ঘনবসতির কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনাস্থলে পুলিশ, সেনাবাহিনী, স্কাউট, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পানি সরবরাহ ও মানুষ সরিয়ে নেওয়ার কাজে যুক্ত হয়েছে। বনানী থানার ওসি রাসেল সারোয়ার জানান, পুরো এলাকা ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং বস্তিবাসীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। নিয়ন্ত্রণে এলে তদন্ত শুরু হবে বলে জানিয় তিনি।
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান–বনানীর পাশে প্রায় ৯০ একর জমিতে গড়ে ওঠা এই বস্তিতে প্রায় ১০ হাজারের বেশি ঘর। এই এলাকায় প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে বড় অগ্নিকাণ্ডে কয়েক ডজন ঘর পুড়ে যায়। এছাড়া গত বছরের ২৪ মার্চ ও ১৮ ডিসেম্বরেও ভয়াবহ আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পুড়ে যায় অন্তত দুই শতাংশ ছোট-বড় ঘর।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।