সিএনএনের প্রতিবেদন
চরচা ডেস্ক

ইরান তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পরমাণু কেন্দ্রগুলো আবার তৈরি করার চেষ্টা করছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনে স্থানীয় সময় শনিবার প্রকাশিত একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে।
ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির সাথে যৌথভাবে কিছু স্যাটেলাইট ছবি পরীক্ষা করে এই তথ্য জানিয়েছে তারা।
এই প্রতিবেদনের পর নতুন প্রশ্ন উঠেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার আগেই ইরান সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করেছিল কিনা।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পারচিনের একটি পরমাণু কেন্দ্রে বেশ কয়েকবার হামলা চালানো হয়েছিল।
ধারণা করা হয়, সেখানে পরমাণু অস্ত্রের বিস্ফোরক রাখা হতো।
জুন ও জুলাই মাসের নতুন স্যাটেলাইট ছবি নিয়ে সিএনএনের সাংবাদিক কেটি পোলগ্লেস বলেন, “আমরা দেখতে পাচ্ছি যে ইরান ওই ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাটি মেরামত ও পুনর্নির্মাণের কাজ করছে।”
সাংবাদিক আরও বলেন, “হামলায় তৈরি হওয়া গর্তগুলোর ওপর প্রথমে অস্থায়ী ঢাকনা দেওয়া হয়েছিল। এর কয়েক সপ্তাহ পর, চুক্তি কার্যকর থাকা অবস্থাতেই, সেই ঢাকনাগুলো সরিয়ে সেখানে নেট দেওয়া হয়। কাছাকাছি সিমেন্ট মিক্সার ট্রাকও দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ট্রাকগুলোর মাধ্যমে ইরানিরা গর্তগুলো ভরাট করার চেষ্টা করছে।”
এছাড়া, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন নামের আরেকটি সন্দেহভাজন পরমাণু কেন্দ্রের সুড়ঙ্গেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ভারী ট্রাকের যাতায়াত দেখা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা সিএনএনকে বলেছেন, ইরানের এই পদক্ষেপগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সাথে হওয়া চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন। কারণ সেই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা (স্থিতাবস্থা) বজায় রাখতে হতো।

ইরান তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পরমাণু কেন্দ্রগুলো আবার তৈরি করার চেষ্টা করছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনে স্থানীয় সময় শনিবার প্রকাশিত একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে।
ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির সাথে যৌথভাবে কিছু স্যাটেলাইট ছবি পরীক্ষা করে এই তথ্য জানিয়েছে তারা।
এই প্রতিবেদনের পর নতুন প্রশ্ন উঠেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার আগেই ইরান সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করেছিল কিনা।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পারচিনের একটি পরমাণু কেন্দ্রে বেশ কয়েকবার হামলা চালানো হয়েছিল।
ধারণা করা হয়, সেখানে পরমাণু অস্ত্রের বিস্ফোরক রাখা হতো।
জুন ও জুলাই মাসের নতুন স্যাটেলাইট ছবি নিয়ে সিএনএনের সাংবাদিক কেটি পোলগ্লেস বলেন, “আমরা দেখতে পাচ্ছি যে ইরান ওই ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাটি মেরামত ও পুনর্নির্মাণের কাজ করছে।”
সাংবাদিক আরও বলেন, “হামলায় তৈরি হওয়া গর্তগুলোর ওপর প্রথমে অস্থায়ী ঢাকনা দেওয়া হয়েছিল। এর কয়েক সপ্তাহ পর, চুক্তি কার্যকর থাকা অবস্থাতেই, সেই ঢাকনাগুলো সরিয়ে সেখানে নেট দেওয়া হয়। কাছাকাছি সিমেন্ট মিক্সার ট্রাকও দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ট্রাকগুলোর মাধ্যমে ইরানিরা গর্তগুলো ভরাট করার চেষ্টা করছে।”
এছাড়া, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন নামের আরেকটি সন্দেহভাজন পরমাণু কেন্দ্রের সুড়ঙ্গেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ভারী ট্রাকের যাতায়াত দেখা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা সিএনএনকে বলেছেন, ইরানের এই পদক্ষেপগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সাথে হওয়া চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন। কারণ সেই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা (স্থিতাবস্থা) বজায় রাখতে হতো।

মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে। ঘটনার মূল অভিযুক্ত সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।