চরচা প্রতিবেদক

হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদ (৫৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
কারা অধিদপ্তরের এআইজি (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ তার মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন। হলমার্ক কেলেঙ্কারিসহ আরও কয়েকটি মামলায় কারাভোগ করছিলেন তানভীর মাহমুদ।
জানা গেছে, শনিবার দুপুরে অসুস্থতা বেড়ে গেলে তানভীর মাহমুদকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢামেকে নেওয়া হয়। দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। পরে বিকেল ৪টায় ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকের নির্দেশে তাকে হাসপাতালের ৬ তলার একটি ওয়ার্ডে এক্সট্রা বেড-১৯ নম্বরে ভর্তি করা হয়।
পরে দ্রুত তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তানভীর বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন।

হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদ (৫৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
কারা অধিদপ্তরের এআইজি (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ তার মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন। হলমার্ক কেলেঙ্কারিসহ আরও কয়েকটি মামলায় কারাভোগ করছিলেন তানভীর মাহমুদ।
জানা গেছে, শনিবার দুপুরে অসুস্থতা বেড়ে গেলে তানভীর মাহমুদকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢামেকে নেওয়া হয়। দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। পরে বিকেল ৪টায় ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকের নির্দেশে তাকে হাসপাতালের ৬ তলার একটি ওয়ার্ডে এক্সট্রা বেড-১৯ নম্বরে ভর্তি করা হয়।
পরে দ্রুত তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তানভীর বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।