চরচা প্রতিবেদক

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত সংসদে নেওয়া হবে। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে নির্বাচন কমিশন।
আজ রোববার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সময় নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ। এ সময় সংরক্ষিত নারী আসন ও স্থগিত উপ-নির্বাচন সংক্রান্ত কমিশনের প্রস্তুতির বিষয়ও উল্লেখ করেন তিনি।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন সংক্রান্ত বিধান (অর্ডিন্যান্স) সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বিধান বাতিল করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের প্রসঙ্গে ইসি বলেন, “আমার জানামতে অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে মেয়র প্রার্থী পদে দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন সংসদ বসবে। সংসদ বসার পর এই বিল বা অর্ডিন্যান্স যদি রেটিফাই (অনুমোদন) হয়, তবে সেভাবেই নির্বাচন হবে। আর যদি পরিবর্তন হয়ে আগের অবস্থায় ফিরে যায়, তবে অন্যরকম হবে। আমরা মূলত সংসদ অধিবেশনের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছি।”
সংরক্ষিত নারী আসন প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ নির্বাচনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে কার্যকরভাবে শুরু হয়েছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো যেসব প্রার্থী মনোনীত করবে, মূলত তারাই নির্বাচিত হবেন। দলগুলো প্রাথমিক কার্যক্রমও শুরু করেছে।
আব্দুর রহমানেল আরও জানান, বিধি অনুযায়ী শপথ গ্রহণের ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন শেষ করতে হয় এবং কমিশন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তা সম্পন্ন করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত সংসদে নেওয়া হবে। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে নির্বাচন কমিশন।
আজ রোববার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সময় নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ। এ সময় সংরক্ষিত নারী আসন ও স্থগিত উপ-নির্বাচন সংক্রান্ত কমিশনের প্রস্তুতির বিষয়ও উল্লেখ করেন তিনি।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন সংক্রান্ত বিধান (অর্ডিন্যান্স) সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বিধান বাতিল করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের প্রসঙ্গে ইসি বলেন, “আমার জানামতে অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে মেয়র প্রার্থী পদে দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন সংসদ বসবে। সংসদ বসার পর এই বিল বা অর্ডিন্যান্স যদি রেটিফাই (অনুমোদন) হয়, তবে সেভাবেই নির্বাচন হবে। আর যদি পরিবর্তন হয়ে আগের অবস্থায় ফিরে যায়, তবে অন্যরকম হবে। আমরা মূলত সংসদ অধিবেশনের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছি।”
সংরক্ষিত নারী আসন প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ নির্বাচনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে কার্যকরভাবে শুরু হয়েছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো যেসব প্রার্থী মনোনীত করবে, মূলত তারাই নির্বাচিত হবেন। দলগুলো প্রাথমিক কার্যক্রমও শুরু করেছে।
আব্দুর রহমানেল আরও জানান, বিধি অনুযায়ী শপথ গ্রহণের ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন শেষ করতে হয় এবং কমিশন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তা সম্পন্ন করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।