প্রথমার্ধ শেষে ব্রাজিল ০:১ জাপান
চরচা ডেস্ক

ব্রাজিলকে কি কেউ দিব্যি দিয়ে রেখেছিল যে, গোল না খেলে খেলাটা শুরু করা যাবে না?
প্রথম পানি পানের বিরতির আগ পর্যন্ত বলের দখল ব্রাজিলের কাছেই ছিল, কিন্তু বল পায়ে যেন ঘুম ঘুম চোখেই খেলেছে ব্রাজিল। বল পায়ে পায়ে ঘুরল, কিন্তু না ব্রাজিলের পাসিংয়ে-মুভমেন্টে গতি ছিল, না ছিল বলার মতো কোনো শট। ভিনিসিয়ুস বলে যে কেউ একজন ব্রাজিল দলে আছেন, তা জার্সি দেখেও খুঁজে নেওয়া গেল না।
পানি খেয়ে এসেও ঘুমটা বুঝি ভাঙল না! মাঝমাঠে এক ভুল পাস থেকেই ২৯ মিনিটে গোল খেয়ে বসল ব্রাজিল!
এর আগ পর্যন্ত জাপান সেভাবে ব্রাজিলের বক্সেই ঢুকতে পারেনি, অথচ মাঝমাঠে ওই এক ভুল পাসের পর ব্রাজিলের মাঝমাঠ যেন গড়ের মাঠ হয়ে দেখা দিল! কাইশু সানো বল নিয়ে এক দৌড়ে কাসেমিরোকে এমনভাবে পেরিয়ে গেলেন, যেন কাসেমিরো ওখানে ছিলেনই না! বক্সের সামনে গিয়ে সানো যে শট নিলেন, তা ইঞ্চিখানেকের জন্য ব্রাজিল ডিফেন্ডার গাব্রিয়েলের পা এড়িয়ে গেল, আবার গাব্রিয়েল ব্রাজিল গোলকিপার আলিসনের দৃষ্টির রেখায় ছিলেন বলে আলিসনও শট ঠেকানোর মতো যথাযথ পজিশনে যেতে পারেননি। হিউস্টনে ‘প্রবলেম’ দেখল ব্রাজিল!
গোল খেয়ে ব্রাজিল কিছুটা গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছে বটে। কিন্তু পাসিং, কম্বিনেশনটা ঠিকঠাক হয়নি ব্রাজিলের। জাপান বক্সের সামনে ৫-৪-১ ছকে খেলোয়াড়ের দঙ্গল তৈরি করে রেখেছে, ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস-কুনিয়া-পাকেতাদের তা ভাঙা সাধ্য হলো না।
পরিসংখ্যান যদিও বলবে যে, ব্রাজিল প্রথমার্ধে ৬২ শতাংশ সময়ে বলের দখল রেখেছে। ৮টি শট নিয়েছে, যার ৩টি ছিল পোস্টমুখী। ৩৫৮ পাসের মধ্যে ৯২ শতাংশ সফল বলেও জানাবে। কিন্তু চোখের দেখা বলবে, ব্রাজিলের পাকেতা আর কুনিয়া মাঠে ঝগড়া করছেন কার দৌড়ের দিক কী হওয়া উচিত ছিল, তা নিয়ে। দর্শকের স্মৃতি বলবে, ব্রাজিলের মিডফিল্ডে দুই খেলোয়াড় একই বলের পেছনে ছুটতে গিয়ে একজনের পায়ে লেগে অন্যজন চিৎপটাং হয়ে গেছেন।
আর রেকর্ড বলবে, ব্রাজিল এক পাহাড়সমান চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে। বিশ্বকাপে সর্বশেষ যে পাঁচ ম্যাচে আগে গোল খেয়েছে ব্রাজিল, তার কোনোটাই জিততে পারেনি। আগে গোল খেয়েও জিতেছে – ব্রাজিলের এমন সর্বশেষ উদাহরণ খুঁজতে গেলে এক যুগ আগে ব্রাজিলেরই মাটিতে হওয়া বিশ্বকাপের একেবারে প্রথম দিনে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে পিছিয়ে যেতে হবে।
ব্রাজিলভক্তদের মনে শঙ্কা বাড়াবে এই তথ্যও যে, ১৯৯০ বিশ্বকাপের ৩৬ বছর পর এসে আবার কোনো বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডেই বাদ পড়ার ৪৫ মিনিট দূরত্বে দাঁড়িয়ে ব্রাজিল।
এখান থেকে ব্রাজিলকে উদ্ধার করবেন কে? নেইমার? ব্রাজিলভক্তদের আবেগ তা বলতে পারে, তবে বাস্তব হিসাব তেমন ভাবতে বাধা দেবে। একে তো নেইমারের বয়স, ফিটনেস আর ছন্দ নিয়ে সংশয় আছে, তারওপর জাপান যেভাবে ৫-৪-১ ছকে ডিফেন্স আর মিডফিল্ডের মধ্যে একেবারেই জায়গা না দিয়ে খেলছে, নেইমারের খেলার জায়গাই সংকূচিত হয়ে যাবে তাতে।
বক্সে ইগর থিয়াগোর মতো শারীরিকভাবে শক্তিশালী কোনো স্ট্রাইকার, কিংবা বাঁ দিকে ভিনিসিয়ুসের ওপর চাপ কমাতে ডানদিকেও ড্রিবলিংয়ে দক্ষ এনদ্রিক (সেটা রায়ানকে উঠিয়ে কিংবা রায়ানকেও রেখে ৪-২-৪ ছকে গিয়ে) হতে পারেন সমাধান।

ব্রাজিলকে কি কেউ দিব্যি দিয়ে রেখেছিল যে, গোল না খেলে খেলাটা শুরু করা যাবে না?
প্রথম পানি পানের বিরতির আগ পর্যন্ত বলের দখল ব্রাজিলের কাছেই ছিল, কিন্তু বল পায়ে যেন ঘুম ঘুম চোখেই খেলেছে ব্রাজিল। বল পায়ে পায়ে ঘুরল, কিন্তু না ব্রাজিলের পাসিংয়ে-মুভমেন্টে গতি ছিল, না ছিল বলার মতো কোনো শট। ভিনিসিয়ুস বলে যে কেউ একজন ব্রাজিল দলে আছেন, তা জার্সি দেখেও খুঁজে নেওয়া গেল না।
পানি খেয়ে এসেও ঘুমটা বুঝি ভাঙল না! মাঝমাঠে এক ভুল পাস থেকেই ২৯ মিনিটে গোল খেয়ে বসল ব্রাজিল!
এর আগ পর্যন্ত জাপান সেভাবে ব্রাজিলের বক্সেই ঢুকতে পারেনি, অথচ মাঝমাঠে ওই এক ভুল পাসের পর ব্রাজিলের মাঝমাঠ যেন গড়ের মাঠ হয়ে দেখা দিল! কাইশু সানো বল নিয়ে এক দৌড়ে কাসেমিরোকে এমনভাবে পেরিয়ে গেলেন, যেন কাসেমিরো ওখানে ছিলেনই না! বক্সের সামনে গিয়ে সানো যে শট নিলেন, তা ইঞ্চিখানেকের জন্য ব্রাজিল ডিফেন্ডার গাব্রিয়েলের পা এড়িয়ে গেল, আবার গাব্রিয়েল ব্রাজিল গোলকিপার আলিসনের দৃষ্টির রেখায় ছিলেন বলে আলিসনও শট ঠেকানোর মতো যথাযথ পজিশনে যেতে পারেননি। হিউস্টনে ‘প্রবলেম’ দেখল ব্রাজিল!
গোল খেয়ে ব্রাজিল কিছুটা গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছে বটে। কিন্তু পাসিং, কম্বিনেশনটা ঠিকঠাক হয়নি ব্রাজিলের। জাপান বক্সের সামনে ৫-৪-১ ছকে খেলোয়াড়ের দঙ্গল তৈরি করে রেখেছে, ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস-কুনিয়া-পাকেতাদের তা ভাঙা সাধ্য হলো না।
পরিসংখ্যান যদিও বলবে যে, ব্রাজিল প্রথমার্ধে ৬২ শতাংশ সময়ে বলের দখল রেখেছে। ৮টি শট নিয়েছে, যার ৩টি ছিল পোস্টমুখী। ৩৫৮ পাসের মধ্যে ৯২ শতাংশ সফল বলেও জানাবে। কিন্তু চোখের দেখা বলবে, ব্রাজিলের পাকেতা আর কুনিয়া মাঠে ঝগড়া করছেন কার দৌড়ের দিক কী হওয়া উচিত ছিল, তা নিয়ে। দর্শকের স্মৃতি বলবে, ব্রাজিলের মিডফিল্ডে দুই খেলোয়াড় একই বলের পেছনে ছুটতে গিয়ে একজনের পায়ে লেগে অন্যজন চিৎপটাং হয়ে গেছেন।
আর রেকর্ড বলবে, ব্রাজিল এক পাহাড়সমান চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে। বিশ্বকাপে সর্বশেষ যে পাঁচ ম্যাচে আগে গোল খেয়েছে ব্রাজিল, তার কোনোটাই জিততে পারেনি। আগে গোল খেয়েও জিতেছে – ব্রাজিলের এমন সর্বশেষ উদাহরণ খুঁজতে গেলে এক যুগ আগে ব্রাজিলেরই মাটিতে হওয়া বিশ্বকাপের একেবারে প্রথম দিনে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে পিছিয়ে যেতে হবে।
ব্রাজিলভক্তদের মনে শঙ্কা বাড়াবে এই তথ্যও যে, ১৯৯০ বিশ্বকাপের ৩৬ বছর পর এসে আবার কোনো বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডেই বাদ পড়ার ৪৫ মিনিট দূরত্বে দাঁড়িয়ে ব্রাজিল।
এখান থেকে ব্রাজিলকে উদ্ধার করবেন কে? নেইমার? ব্রাজিলভক্তদের আবেগ তা বলতে পারে, তবে বাস্তব হিসাব তেমন ভাবতে বাধা দেবে। একে তো নেইমারের বয়স, ফিটনেস আর ছন্দ নিয়ে সংশয় আছে, তারওপর জাপান যেভাবে ৫-৪-১ ছকে ডিফেন্স আর মিডফিল্ডের মধ্যে একেবারেই জায়গা না দিয়ে খেলছে, নেইমারের খেলার জায়গাই সংকূচিত হয়ে যাবে তাতে।
বক্সে ইগর থিয়াগোর মতো শারীরিকভাবে শক্তিশালী কোনো স্ট্রাইকার, কিংবা বাঁ দিকে ভিনিসিয়ুসের ওপর চাপ কমাতে ডানদিকেও ড্রিবলিংয়ে দক্ষ এনদ্রিক (সেটা রায়ানকে উঠিয়ে কিংবা রায়ানকেও রেখে ৪-২-৪ ছকে গিয়ে) হতে পারেন সমাধান।

“আমি বরং আপনাদের অনুরোধ করব আপাতত এগুলো নিয়ে রিপোর্ট না করার জন্য। এমনিতেই পাবলিক আমাদের প্রতি নেতিবাচক মানসিকতা পোষণ করে।" কথাটি সিলেট জেলা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ জেড এস আনোয়ারুজ্জামানের। সিলেটের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি এতটাই বাজে রূপ নিয়েছে যে, এ অনেকটা অসহায়ের মতোই তিনি