চরচা ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি ও টেলিকম খাতের অস্থিরতার মাঝে বড়সড় সংকটের মুখে ফিনিশ টেলিকম জায়ান্ট নোকিয়া। খরচ কমাতে এবং ব্যবসায়িক কাঠামো পুনর্গঠন করতে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৪ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সংস্থাটি। নোকিয়ার এই বিশাল ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তের বড় প্রভাব পড়তে চলেছে ভারতেও, যেখানে বর্তমানে তাদের ১৭ হাজারের বেশি কর্মী রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, নোকিয়া তাদের মোট কর্মীবাহিনীর প্রায় ২০ শতাংশ ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করেছে। এক সময় বিশ্বজুড়ে মোবাইল ফোনের বাজারে একাধিপত্য বিস্তার করা এই সংস্থাটি বর্তমানে নেটওয়ার্ক ও ক্লাউড পরিষেবা নিয়ে কাজ করছে। তবে সম্প্রতি ভারতে তাদের ব্যবসায়িক পারফরম্যান্সে বড়সড় ধস নেমেছে। ২০২৫ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ভারতে নোকিয়ার নেট বিক্রি প্রায় ১৫ শতাংশ কমে ৩৯৩ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে।
ভারতে ব্যবসায়িক পতন সামাল দিতে ইতিমধ্যেই শীর্ষ নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভারতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান তরুণ ছাবরা পদত্যাগ করার পর সমর মিত্তলকে ‘ইন্ডিয়া কান্ট্রি বিজনেস লিডার’ এবং বিভা মেহরাকে ‘ইন্ডিয়া কান্ট্রি ম্যানেজার’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
মূলত ২০২৩ সালে নোকিয়ার ‘ক্লাউড অ্যান্ড নেটওয়ার্ক সার্ভিস’ এবং ‘মোবাইল নেটওয়ার্ক’ বিভাগ দুটির সংযুক্তিকরণের ফলে অনেক পদ এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। এই পদের আধিক্য কমাতেই ছাঁটাইয়ের পথ বেছে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শুধুমাত্র ভারত নয়, ইউরোপের গ্রিস, ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্সেও প্রায় ১ হাজার ৪০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা রয়েছে নোকিয়ার। ২০১৮ সালে সংস্থাটির মোট কর্মী সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩ হাজার, যা বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ১০০ জনে। নোকিয়ার পাশাপাশি তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এরিকসন এবং অন্যান্য টেক জায়ান্ট যেমন আমাজন, মাইক্রোসফট, গুগল এবং মেটা-ও কয়েক হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হেঁটেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইভ–জি সরঞ্জামের চাহিদা হ্রাস এবং বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তাই নোকিয়ার মতো সংস্থাকে এই চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে। এর ফলে ভারতের আইটি ও টেলিকম সেক্টরে কর্মরত হাজার হাজার ইঞ্জিনিয়ার ও পেশাদারদের মধ্যে ব্যাপক দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি ও টেলিকম খাতের অস্থিরতার মাঝে বড়সড় সংকটের মুখে ফিনিশ টেলিকম জায়ান্ট নোকিয়া। খরচ কমাতে এবং ব্যবসায়িক কাঠামো পুনর্গঠন করতে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৪ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সংস্থাটি। নোকিয়ার এই বিশাল ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তের বড় প্রভাব পড়তে চলেছে ভারতেও, যেখানে বর্তমানে তাদের ১৭ হাজারের বেশি কর্মী রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, নোকিয়া তাদের মোট কর্মীবাহিনীর প্রায় ২০ শতাংশ ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করেছে। এক সময় বিশ্বজুড়ে মোবাইল ফোনের বাজারে একাধিপত্য বিস্তার করা এই সংস্থাটি বর্তমানে নেটওয়ার্ক ও ক্লাউড পরিষেবা নিয়ে কাজ করছে। তবে সম্প্রতি ভারতে তাদের ব্যবসায়িক পারফরম্যান্সে বড়সড় ধস নেমেছে। ২০২৫ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ভারতে নোকিয়ার নেট বিক্রি প্রায় ১৫ শতাংশ কমে ৩৯৩ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে।
ভারতে ব্যবসায়িক পতন সামাল দিতে ইতিমধ্যেই শীর্ষ নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভারতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান তরুণ ছাবরা পদত্যাগ করার পর সমর মিত্তলকে ‘ইন্ডিয়া কান্ট্রি বিজনেস লিডার’ এবং বিভা মেহরাকে ‘ইন্ডিয়া কান্ট্রি ম্যানেজার’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
মূলত ২০২৩ সালে নোকিয়ার ‘ক্লাউড অ্যান্ড নেটওয়ার্ক সার্ভিস’ এবং ‘মোবাইল নেটওয়ার্ক’ বিভাগ দুটির সংযুক্তিকরণের ফলে অনেক পদ এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। এই পদের আধিক্য কমাতেই ছাঁটাইয়ের পথ বেছে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শুধুমাত্র ভারত নয়, ইউরোপের গ্রিস, ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্সেও প্রায় ১ হাজার ৪০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা রয়েছে নোকিয়ার। ২০১৮ সালে সংস্থাটির মোট কর্মী সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩ হাজার, যা বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ১০০ জনে। নোকিয়ার পাশাপাশি তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এরিকসন এবং অন্যান্য টেক জায়ান্ট যেমন আমাজন, মাইক্রোসফট, গুগল এবং মেটা-ও কয়েক হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হেঁটেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইভ–জি সরঞ্জামের চাহিদা হ্রাস এবং বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তাই নোকিয়ার মতো সংস্থাকে এই চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে। এর ফলে ভারতের আইটি ও টেলিকম সেক্টরে কর্মরত হাজার হাজার ইঞ্জিনিয়ার ও পেশাদারদের মধ্যে ব্যাপক দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে।

বরিশালে অবৈধভাবে চার শ্রমিককে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের শ্রমিকরা সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করছেন। আজ শনিবার সারাদিন কারখানার প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বাকি শ্রমিকরা এই কর্মসূচি পালন করেন।