চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের ‘১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের’ ২৫৩ আসনে প্রার্থিতা ঘোষণা করা হয়েছে। চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের দল ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪৭ টি আসন বরাদ্দ রেখেছে তারা।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাদে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য ১০ দলের প্রতিনিধি সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১০টি দল নির্বাচনী সমঝোতায় পৌঁছেছে। যদিও এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’।
এদিকে ইসলামী আন্দোলন আজ শুক্রবার বিকাল ৩টায় পুরানা পল্টনে নিজেদের কার্যালয়ে জোটের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করার ঘোষণা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি, এবি পার্টি ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২টি আসনে প্রার্থী দেবে। ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত (২৫৩ আসন) আসনগুলোতে জোটভুক্ত দলগুলোর একক প্রার্থী থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক চান, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক আহমদ আব্দুল কাদের, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ ১১ দলীয় জোটভুক্ত ১০টি দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আসন ঘোষণা করে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘‘আজকের এই ঐক্য জাতীয় মডেল হিসেবে কাজ করবে। আমরা যারা ওয়ান বক্স পলিসি হিসেবে জোটে আছি, আমাদের একজন করে প্রার্থী প্রতিটি আসনে থাকবে।’’
এলডিপি’র সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, ‘‘আপনারা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র শাসন দেখেছেন। এখন আপনারা ন্যায়, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত শাসন দেখেন একবার। দিল্লির দাসত্ব থেকে আমরা মুক্ত হতে চাই। আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। কারও তাঁবেদারি করবেন না। বাংলাদেশের তাঁবেদারি করবেন। সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন।’’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘আজ এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমরা একত্রিত হয়েছি। নির্বাচনী সমঝোতা ও এটার গুরুত্ব অপরিসীম। এটি যেমন নির্বাচনী সমঝোতা সেই সঙ্গে গণ-অভ্যুত্থানের বাংলাদেশ গড়তে সংস্কার ও আজাদির পক্ষে আমরা একত্রিত হয়েছি।’’
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘‘আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশের আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলাম। ১১ দল মিলে নির্বাচনকে ফেস করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছি। প্রতিটি আসনে ওয়ান বক্স পলিসির মাধ্যমে যাকে যে আসন দেওয়া হবে তার পক্ষে সবাই কাজ করবে।’’
সব ইসলামি ভোট এক বাক্সে আনতে চরমোনাই’র পীরের ইসলামী আন্দোলন ইসলামী দলগুলোকে একত্রিত করার উদ্যোগ নেয়। পরে জামায়াতসহ ৮ দল জোটভুক্ত হয়। পরের ধাপে এনসিপি ও এলডিপি এবং এবি পার্টি যুক্ত হলে এটি ১১ দলের জোট হয়। চরমোনাই’র পীরের দল প্রথমে ৮০ টি আসন চায়। পরবর্তীতে দেন দরবারের পর ৭০ টিতে নেমে আসে। তবে, সবশেষ তাদের জন্য ৪৭ টি আসন রাখায় জোটে তাদের থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে জোট থেকে বেরিয়ে আসার ঘোষণা আসতে পারে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের ‘১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের’ ২৫৩ আসনে প্রার্থিতা ঘোষণা করা হয়েছে। চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের দল ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৪৭ টি আসন বরাদ্দ রেখেছে তারা।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাদে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য ১০ দলের প্রতিনিধি সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১০টি দল নির্বাচনী সমঝোতায় পৌঁছেছে। যদিও এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’।
এদিকে ইসলামী আন্দোলন আজ শুক্রবার বিকাল ৩টায় পুরানা পল্টনে নিজেদের কার্যালয়ে জোটের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করার ঘোষণা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি, এবি পার্টি ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২টি আসনে প্রার্থী দেবে। ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত (২৫৩ আসন) আসনগুলোতে জোটভুক্ত দলগুলোর একক প্রার্থী থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক চান, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক আহমদ আব্দুল কাদের, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ ১১ দলীয় জোটভুক্ত ১০টি দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আসন ঘোষণা করে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘‘আজকের এই ঐক্য জাতীয় মডেল হিসেবে কাজ করবে। আমরা যারা ওয়ান বক্স পলিসি হিসেবে জোটে আছি, আমাদের একজন করে প্রার্থী প্রতিটি আসনে থাকবে।’’
এলডিপি’র সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, ‘‘আপনারা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র শাসন দেখেছেন। এখন আপনারা ন্যায়, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত শাসন দেখেন একবার। দিল্লির দাসত্ব থেকে আমরা মুক্ত হতে চাই। আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। কারও তাঁবেদারি করবেন না। বাংলাদেশের তাঁবেদারি করবেন। সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন।’’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘আজ এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমরা একত্রিত হয়েছি। নির্বাচনী সমঝোতা ও এটার গুরুত্ব অপরিসীম। এটি যেমন নির্বাচনী সমঝোতা সেই সঙ্গে গণ-অভ্যুত্থানের বাংলাদেশ গড়তে সংস্কার ও আজাদির পক্ষে আমরা একত্রিত হয়েছি।’’
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘‘আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশের আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলাম। ১১ দল মিলে নির্বাচনকে ফেস করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছি। প্রতিটি আসনে ওয়ান বক্স পলিসির মাধ্যমে যাকে যে আসন দেওয়া হবে তার পক্ষে সবাই কাজ করবে।’’
সব ইসলামি ভোট এক বাক্সে আনতে চরমোনাই’র পীরের ইসলামী আন্দোলন ইসলামী দলগুলোকে একত্রিত করার উদ্যোগ নেয়। পরে জামায়াতসহ ৮ দল জোটভুক্ত হয়। পরের ধাপে এনসিপি ও এলডিপি এবং এবি পার্টি যুক্ত হলে এটি ১১ দলের জোট হয়। চরমোনাই’র পীরের দল প্রথমে ৮০ টি আসন চায়। পরবর্তীতে দেন দরবারের পর ৭০ টিতে নেমে আসে। তবে, সবশেষ তাদের জন্য ৪৭ টি আসন রাখায় জোটে তাদের থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে জোট থেকে বেরিয়ে আসার ঘোষণা আসতে পারে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে।