সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শিল্পকারখানাগুলোতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতির উন্নতি হবে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক এ কথা জানিয়েছেন।
আজ সোমবার ঢাকায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এর আগে শিল্প খাতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন ২১টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।
ফজলুল হক সাংবাদিকদের জানান, শিল্পের বিকাশে বর্তমান সরকার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে।
বৈঠকের পর ব্যবসায়ী নেতারা জানান, নতুন করে তৈরি হওয়া গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মঙ্গলবার রাত থেকেই আগের অবস্থায় ফিরে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ব্যবসায়ীরা বলেন, সরকারের নেওয়া নানাবিধ উদ্যোগে তারা আশ্বস্ত হয়েছেন। ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফেরাতে তারা সরকারের কাছে নীতি সহায়তাও চান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, জ্বালানী সংকট নিরসনে দুই, পাঁচ ও ১০ বছর মেয়াদে পরিকল্পনা করছে সরকার। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট সমাধানে ২০২৮ সাল শুরুর আগেই তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এফএসআরইউ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
আমদানির পাশাপাশি দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে পর্যায়ক্রমে ৩০০টি কূপ খনন করা হবে বলেও জানান মুখপাত্র।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে শিল্পকারখানায়। যার প্রভাবে বন্ধ হয়েছে প্রতিষ্ঠান, কমেছে উৎপাদন। চাকরি হারিয়েছেন লাখো কর্মী। এতে নতুন বিনিয়োগে তৈরি হয়েছে এক ধরনের অনিশ্চয়তা। পাশাপাশি দেশজুড়ে গৃহস্থালি কাজেও জনগণকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।