চরচা ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে কলেজছাত্রসহ দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, উপজেলার গোপীনাথপুর শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মোরসালিন এবং মধুপুর গ্রামের নবী হোসেন।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহতদের মরদেহ ভারতের আগরতলা এলাকার একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২০-২৫ জনের একটি দল যখন সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়েছিল, তখন বিএসএফ সদস্যরা তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোরসালিন নিহত হন।
মোরসালিনের পরিবারের দাবি, রাতে কয়েকজন লোক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, নবী হোসেনের পরিবারও জানায় যে তিনিও সেখানে গিয়েছিলেন।
মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা সবুর জানান, তিনি নবী হোসেনের বাড়িতে গিয়েছেন এবং নবীর ছেলে তাকে জানিয়েছেন যে তার বাবা ওই গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, এই গুলিবর্ষণের ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি যুবক আহত হয়েছেন, যাদের চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
চণ্ডীদ্বার বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার সুবেদার মো. মঈনউদ্দিন বলেন, “আমরা একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সামিউল ইসলামও বিএসএফের গুলিতে একজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে কলেজছাত্রসহ দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, উপজেলার গোপীনাথপুর শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মোরসালিন এবং মধুপুর গ্রামের নবী হোসেন।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহতদের মরদেহ ভারতের আগরতলা এলাকার একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২০-২৫ জনের একটি দল যখন সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়েছিল, তখন বিএসএফ সদস্যরা তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোরসালিন নিহত হন।
মোরসালিনের পরিবারের দাবি, রাতে কয়েকজন লোক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, নবী হোসেনের পরিবারও জানায় যে তিনিও সেখানে গিয়েছিলেন।
মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা সবুর জানান, তিনি নবী হোসেনের বাড়িতে গিয়েছেন এবং নবীর ছেলে তাকে জানিয়েছেন যে তার বাবা ওই গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, এই গুলিবর্ষণের ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি যুবক আহত হয়েছেন, যাদের চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
চণ্ডীদ্বার বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার সুবেদার মো. মঈনউদ্দিন বলেন, “আমরা একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সামিউল ইসলামও বিএসএফের গুলিতে একজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদের ৬ হাজার ৩৬১টির মধ্যে ৩ হাজার ১৬১টি পদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদের ১৪ হাজার ৪৬০টির মধ্যে ৫৪০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) পদের ২০ হাজার ৯০৯টির মধ্যে শূন্য রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩টি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।