রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর আমবাগানে এবার যেন মুকুলের উৎসব বসেছে। বাগানজুড়ে ডালপালা নুয়ে পড়েছে হলুদ মুকুলের ভারে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে আম ফুলের মিষ্টি সুবাস। ভালো ফলনের আশায় কৃষকদের মুখে তাই আশার আলো বইছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) জানায়, রাজশাহী জেলায় ৭২ শতাংশ আমগাছে ইতোমধ্যে মুকুল এসেছে। রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ মিলে অঞ্চলের মোট ৭১ শতাংশ গাছে মুকুল দেখা গেছে। অনুকূল আবহাওয়া পরিস্থিতি এ সফলতার বড় কারণ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান কর্মকর্তা ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, “এ বছর শীত খুব সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে। শেষের দিকে কোনো কুয়াশা ছিল না, বৃষ্টি হয়নি এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়েছে। তাপমাত্রার কোনো আকস্মিক ওঠানামা ছিল না। এর ফলে গাছগুলো মুকুল উৎপাদনের সিদ্ধান্ত বজায় রাখতে পেরেছে।” তিনি আরও জানান, আবহাওয়া মুকুল আসার জন্য এবার সম্পূর্ণ উপযোগী ছিল।
গত বছর মুকুল আসার পরিমাণ কম ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন সেচ দেওয়া ও মুকুল রক্ষায় প্রয়োজনীয় ছত্রাকনাশক স্প্রে জরুরি।
আম চাষি মাহবুব বলেন, “এবার তো গাছে গাছে মুকুল। কুয়াশা বা বৃষ্টি নাই বলেই এত বেশি এসেছে। তবে ফাল্গুনের ঝড় হলেই কিছু মুকুল ঝরতে পারে। তারপরও ফলন অনেক ভালো হবে আশা করছি।”
আরেক আম চাষি আনিসুর রহমান বলেন, “গতবারও আল্লাহ দিলে ভালোই হইছে, মোটামুটি ৬০ হাজারের কাছাকাছি পাইছি এক বিঘাতে। এবার আশা করছি তো বহুত পাওয়ার কথা দেড় লাখ বা এক লাখ ৩৫ হাজারের মতো। গতবার তো হাফ পারসেন্টেও ছিল না, এবার গোটাটাই মুকুল এসেছে।”
একই উপজেলার জামিরা গ্রামের চাষি নূর আলী বলেন,“ এবার ভালো দামের আশা করছি।মোটামুটি এবার কৃষক আমের দাম পাবে। এটা আমার বিশ্বাস, এবার আমের সঠিক মূল্য কৃষক পাবে।”
সরকারি তথ্যমতে, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯২ হাজার ৫৫২ হেক্টর এলাকায় আমবাগান রয়েছে–গাছের সংখ্যা প্রায় ৩৫ কোটি। গত বছর এ চার জেলায় মোট উৎপাদন ছিল প্রায় ১২ লাখ টনের বেশি। কৃষি বিভাগ বলছে, বর্তমান মুকুল পরিস্থিতি বজায় থাকলে এবার উৎপাদন আরও ভালো হবে।

রাজশাহীর আমবাগানে এবার যেন মুকুলের উৎসব বসেছে। বাগানজুড়ে ডালপালা নুয়ে পড়েছে হলুদ মুকুলের ভারে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে আম ফুলের মিষ্টি সুবাস। ভালো ফলনের আশায় কৃষকদের মুখে তাই আশার আলো বইছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) জানায়, রাজশাহী জেলায় ৭২ শতাংশ আমগাছে ইতোমধ্যে মুকুল এসেছে। রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ মিলে অঞ্চলের মোট ৭১ শতাংশ গাছে মুকুল দেখা গেছে। অনুকূল আবহাওয়া পরিস্থিতি এ সফলতার বড় কারণ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান কর্মকর্তা ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, “এ বছর শীত খুব সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে। শেষের দিকে কোনো কুয়াশা ছিল না, বৃষ্টি হয়নি এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়েছে। তাপমাত্রার কোনো আকস্মিক ওঠানামা ছিল না। এর ফলে গাছগুলো মুকুল উৎপাদনের সিদ্ধান্ত বজায় রাখতে পেরেছে।” তিনি আরও জানান, আবহাওয়া মুকুল আসার জন্য এবার সম্পূর্ণ উপযোগী ছিল।
গত বছর মুকুল আসার পরিমাণ কম ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন সেচ দেওয়া ও মুকুল রক্ষায় প্রয়োজনীয় ছত্রাকনাশক স্প্রে জরুরি।
আম চাষি মাহবুব বলেন, “এবার তো গাছে গাছে মুকুল। কুয়াশা বা বৃষ্টি নাই বলেই এত বেশি এসেছে। তবে ফাল্গুনের ঝড় হলেই কিছু মুকুল ঝরতে পারে। তারপরও ফলন অনেক ভালো হবে আশা করছি।”
আরেক আম চাষি আনিসুর রহমান বলেন, “গতবারও আল্লাহ দিলে ভালোই হইছে, মোটামুটি ৬০ হাজারের কাছাকাছি পাইছি এক বিঘাতে। এবার আশা করছি তো বহুত পাওয়ার কথা দেড় লাখ বা এক লাখ ৩৫ হাজারের মতো। গতবার তো হাফ পারসেন্টেও ছিল না, এবার গোটাটাই মুকুল এসেছে।”
একই উপজেলার জামিরা গ্রামের চাষি নূর আলী বলেন,“ এবার ভালো দামের আশা করছি।মোটামুটি এবার কৃষক আমের দাম পাবে। এটা আমার বিশ্বাস, এবার আমের সঠিক মূল্য কৃষক পাবে।”
সরকারি তথ্যমতে, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯২ হাজার ৫৫২ হেক্টর এলাকায় আমবাগান রয়েছে–গাছের সংখ্যা প্রায় ৩৫ কোটি। গত বছর এ চার জেলায় মোট উৎপাদন ছিল প্রায় ১২ লাখ টনের বেশি। কৃষি বিভাগ বলছে, বর্তমান মুকুল পরিস্থিতি বজায় থাকলে এবার উৎপাদন আরও ভালো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্রিস্টিন ওন্সলি বলেন, “আমরা শুধু জানতে চাই, কী ঘটেছিল এবং কেন আমাদের সন্তান আর বাড়ি ফিরল না।” তার ছেলে নোলান ওয়েলসের মৃত্যু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবৈষম্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্নও উঠেছে।

রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডের রেলগেট এলাকায় রেললাইন পার হতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় রাকিব (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ রোববার সকাল পৌনে ৯টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।