চরচা ডেস্ক

গাজা যুদ্ধ–পরবর্তী পুনর্গঠনকে ঘিরে এক নতুন মাস্টারপ্ল্যানের পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) মঞ্চে তিনি এসব কথা জানান।
তার দাবি, এটাই একমাত্র পরিকল্পনা, এর কোনো বিকল্প নেই। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজাকে আধুনিক উপসাগরীয় শহরের আদলে পর্যটন, শিল্প ও বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত করা হবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
অনুষ্ঠানে কুশনার গাজার সমুদ্রতটে পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন, যেখানে ১৮০টির মতো উচু ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সমুদ্রবন্দর ও নতুন বিমানবন্দর স্থাপনের প্রস্তাবও এসেছে, যা গাজাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পুনঃসংযুক্ত করবে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া পরিকল্পনায় রয়েছে দুটি নতুন শহর–নিউ রাফাহ ও নিউ গাজা। নিউ রাফাহে এক লাখ আবাসন, দুই শতাধিক স্কুল ও বেশ কয়েকটি হাসপাতাল নির্মাণের কথাও বলেন তিনি। কুশনার দাবি করেন, ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে এবং দুই–তিন বছরের মধ্যেই সেখানে বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে। অন্যদিকে নিউ গাজা হবে শিল্প ও কর্মসংস্থানের কেন্দ্র, যেখানে শতভাগ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
তবে এখানে প্রশ্ন আসে যে, এত টাকা কোথা থেকে আসবে? এই বিষয়ে তিনি জানান, প্রথম ধাপে বিভিন্ন দেশ সরকারিভাবে অর্থ সহায়তার ঘোষণা দেবে, পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
ইসরায়েলি বাহিনীর গাজা থেকে প্রত্যাহার প্রসঙ্গে কুশনার তেমন কথা বলেননি। যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীর কথা থাকলেও তার উপস্থাপনায় সেই অংশটি বাদ দিতেই দেখা গেছে ।
তিনি বলেন, গাজা সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ হলে ইসরায়েল সেনা পিছু হটবে। কুশনারের মতে, নিরস্ত্রীকরণের দায়িত্ব পালন করবে গাজার নতুন প্রযুক্তিভিত্তিক কমিটি, যা ট্রাম্পের গঠিত বোর্ড অব পিস এর মাঠপর্যায়ের কাজ দেখবে।
এ পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনি মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা অভিযোগ করছেন, এই পরিকল্পনা ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল করে গাজার ভবিষ্যৎকে বহিরাগতদের হাতে তুলে দিচ্ছে।
তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও ২০১৯ সালেও কুশনার এমন পরিকল্পনা দিয়েছিলেন, যা বাস্তবায়ন হয়নি। তবে এবার তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এটাই গাজার পুনর্জন্মের সময়।

গাজা যুদ্ধ–পরবর্তী পুনর্গঠনকে ঘিরে এক নতুন মাস্টারপ্ল্যানের পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) মঞ্চে তিনি এসব কথা জানান।
তার দাবি, এটাই একমাত্র পরিকল্পনা, এর কোনো বিকল্প নেই। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজাকে আধুনিক উপসাগরীয় শহরের আদলে পর্যটন, শিল্প ও বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত করা হবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
অনুষ্ঠানে কুশনার গাজার সমুদ্রতটে পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন, যেখানে ১৮০টির মতো উচু ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সমুদ্রবন্দর ও নতুন বিমানবন্দর স্থাপনের প্রস্তাবও এসেছে, যা গাজাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পুনঃসংযুক্ত করবে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া পরিকল্পনায় রয়েছে দুটি নতুন শহর–নিউ রাফাহ ও নিউ গাজা। নিউ রাফাহে এক লাখ আবাসন, দুই শতাধিক স্কুল ও বেশ কয়েকটি হাসপাতাল নির্মাণের কথাও বলেন তিনি। কুশনার দাবি করেন, ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে এবং দুই–তিন বছরের মধ্যেই সেখানে বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে। অন্যদিকে নিউ গাজা হবে শিল্প ও কর্মসংস্থানের কেন্দ্র, যেখানে শতভাগ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
তবে এখানে প্রশ্ন আসে যে, এত টাকা কোথা থেকে আসবে? এই বিষয়ে তিনি জানান, প্রথম ধাপে বিভিন্ন দেশ সরকারিভাবে অর্থ সহায়তার ঘোষণা দেবে, পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
ইসরায়েলি বাহিনীর গাজা থেকে প্রত্যাহার প্রসঙ্গে কুশনার তেমন কথা বলেননি। যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীর কথা থাকলেও তার উপস্থাপনায় সেই অংশটি বাদ দিতেই দেখা গেছে ।
তিনি বলেন, গাজা সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ হলে ইসরায়েল সেনা পিছু হটবে। কুশনারের মতে, নিরস্ত্রীকরণের দায়িত্ব পালন করবে গাজার নতুন প্রযুক্তিভিত্তিক কমিটি, যা ট্রাম্পের গঠিত বোর্ড অব পিস এর মাঠপর্যায়ের কাজ দেখবে।
এ পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনি মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মানবাধিকারকর্মীরা অভিযোগ করছেন, এই পরিকল্পনা ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল করে গাজার ভবিষ্যৎকে বহিরাগতদের হাতে তুলে দিচ্ছে।
তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও ২০১৯ সালেও কুশনার এমন পরিকল্পনা দিয়েছিলেন, যা বাস্তবায়ন হয়নি। তবে এবার তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এটাই গাজার পুনর্জন্মের সময়।