ঢাকার পল্টন থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীনের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম রাব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বুধবার সকালে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা- ২০২৬’ নামে একটি কর্মসূচি পালনের সময় তাকে ধরে নিয়ে যায় পল্টন থানার পুলিশ। এরপর সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকালই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী মিছিলে অংশগ্রহণ, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত ও রাষ্ট্রের সম্পত্তি বিনষ্টের অভিযোগ আনা হয়েছে জামাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার জামাল উদ্দীনের পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খায়ের উদ্দিন শিকদার, গোলাম রাব্বানীসহ কয়েকজন আইনজীবী।
রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন তার জামিনের বিরোধিতা করেন।
শুনানি নিয়ে আদালত থেকে জামিন নামঞ্জুরের আদেশ আসে। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা কারাগারে তার ডিভিশন চেয়ে আবেদন করেন। আদালত কারাবিধি অনুযায়ী কারা কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থি নীল দলের শিক্ষক হিসেবে পরিচিত জামাল উদ্দীন এর আগে গত ডিসেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হেনস্তার শিকার হন। এ ছাড়া জাতীয় নির্বাচনের পর গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর এ ‘গণকান্না’ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন ও হেনস্তার শিকার হন।
সর্বশেষ বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা নামের একটি কর্মসূচি ঘোষণা করে বুধবার ভোরে জিরো পয়েন্ট এলাকায় যান জামাল উদ্দীন। সেখান থেকে তাকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। ১১ থেকে ১৬ মার্চ এই কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল। পদযাত্রার প্রথম দিনই তিনি গ্রেপ্তার হলেন।