Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

উপসাগরীয় অঞ্চলে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংসের হুমকি কেন দিচ্ছে ইরান

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৪: ০০
উপসাগরীয় অঞ্চলে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংসের হুমকি কেন দিচ্ছে ইরান

ইরান হুমকি দিয়েছে যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ইরানের বিদ্যুৎ গ্রিডে আঘাত করার হুমকি বাস্তবায়ন করেন, তবে তারা পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর পানি অবকাঠামোগুলোতে ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মরুপ্রধান এই অঞ্চলে পানীয় জলের জন্য দেশগুলো ব্যাপকভাবে সমুদ্রের পানি লবণমুক্তকরণ প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। ফলে পানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং ওমানের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর বেসামরিক জীবন ও অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।

এরই মধ্যে ইরানের একটি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টে হামলার জবাবে তারা বাহরাইন, কুয়েতের প্ল্যান্টে হামলা করে।

ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টগুলোকে উপসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে সংবেদনশীল বেসামরিক অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এগুলো একটি সাধারণ কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। সমুদ্রের পানি থেকে লবণ ও অন্যান্য খনিজ অপসারণ করে তা পানযোগ্য পানিতে রূপান্তরিত করে। বর্তমানে এটি মূলত ‘রিভার্স অসমোসিস’ নামক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

উপসাগরীয় দেশগুলোর টিকে থাকার জন্য এই প্ল্যান্টগুলো অপরিহার্য। এই দেশগুলো আয়তনে ছোট হলেও সেখানে বিশাল আধুনিক শহর ও শিল্পকারখানা রয়েছে এবং এগুলো শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চলে অবস্থিত। এই দেশগুলোতে বৃষ্টিপাত খুব কম হয়, নদী বা হ্রদ নেই বললেই চলে এবং প্রাকৃতিক মিঠা পানির উৎসের পরিমাণও অত্যন্ত নগণ্য।

১৯৬০ ও ৭০-এর দশকে যখন এই অঞ্চলে তেল ও গ্যাস শিল্পের প্রসার শুরু হয়, তখন থেকেই ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট তৈরি শুরু হয়েছিল। ১৯৯০-এর দশকে যখন দুবাইয়ের মতো শহরগুলোর নগরায়ন ও বিস্তার ঘটে, তখন এই কার্যক্রম আরও বাড়ানো হয়। এই অঞ্চলের সব দেশই এই প্ল্যান্টগুলোর ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। যেমন-কুয়েত তাদের প্রয়োজনের ৯০ শতাংশ এবং সৌদি আরব প্রায় ৭০ শতাংশ পানি এই প্ল্যান্টগুলো থেকে পায়।

কেন ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টগুলো লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠছে?

উপসাগরীয় অঞ্চলের মানুষ তাদের পানির চাহিদার বড় অংশের জন্য মাত্র কয়েকটি বড় ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টের ওপর নির্ভর করে। ফলে যেকোনো সংঘাতের সময় এগুলো অত্যন্ত কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। এই প্ল্যান্টগুলো উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত, যা পারস্য উপসাগরের অপর পাড়ে থাকা ইরানের হামলার সহজ নাগালে রয়েছে।

এই প্ল্যান্টগুলো অকেজো করে দিলে বেসামরিক জনগণের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে এবং সরাসরি জনগণের ওপর হামলা না করেও একটি দেশে মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টির এটি একটি কার্যকর উপায়। এছাড়া এটি শিল্পকারখানার জন্যও বিধ্বংসী হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাসসহ গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি শিল্পগুলো পানি শোধনাগারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

পানি অবকাঠামো নিয়ে ইরান কী হুমকি দিয়েছে?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করার পর থেকে ইরানি শাসকগোষ্ঠী উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধমূলক অবস্থান নিয়েছে, যেখানে বেশ কয়েকটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

এর আগে অবশ্য উপসাগরীয় অঞ্চলের যুদ্ধগুলোতে ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা এড়িয়ে চলা হতো। তবে ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দেওয়ার পর ইরান পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে, তারা উপসাগরের জ্বালানি ও পানি অবকাঠামোতে আঘাত করবে, যা অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে।

ইরান দাবি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে যুদ্ধে তাদের একটি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টে হামলা চালিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রই এই নজির স্থাপন করেছে, ইরান নয়।

ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট লক্ষ্যবস্তু হলে তার প্রভাব কী হবে?

বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, পানি অবকাঠামোতে যেকোনো বিঘ্ন ঘটলে তা যুদ্ধের ভয়াবহ মোড় ডেকে আনতে পারে।

অধিকাংশ উপসাগরীয় দেশের কাছে মাত্র এক সপ্তাহের মতো পানি মজুত থাকে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি কোনো একটি প্ল্যান্টে আঘাত হানা হয় এবং উৎপাদন ক্ষমতা নষ্ট হয়, তবে এর প্রভাব হবে দ্রুত ও তীব্র। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে বড় বড় শহরগুলোতে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ঠান্ডা রাখার জন্য এই শোধিত পানির প্রয়োজন হয়, তাই পানি বন্ধ হলে বিদ্যুৎ সরবরাহও ব্যাহত হবে। এটি স্বাস্থ্যসেবা ও হাসপাতাল পরিচালনাকে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং পানি সংকট চলাকালীন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দিতে বাধ্য করবে।

এমন পরিস্থিতিতে পানি রেশনিং (সীমাবদ্ধ ব্যবহার) চালু করতে হবে, যা জনসাধারণের মধ্যে গণ-আতঙ্ক এবং সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিষয়: আমেরিকাবিশ্ব রাজনীতিইরানযুদ্ধইসরায়েল
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।