Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

দফায় দফায় সংশোধন: গণভোটের ফলাফলে আসলে কী ঘটেছে?

তাসীন মল্লিক

তাসীন মল্লিক

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১: ৪৬
দফায় দফায় সংশোধন: গণভোটের ফলাফলে আসলে কী ঘটেছে?

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের গণভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকে সংখ্যার অমিল নিয়ে আলোচনা–সমালোচনা চলছে। ভোট শেষ হওয়ার ১৩ দিন পর সংশোধিত নতুন ফল ঘোষণায় এ আলোচনা একটি নতুন মোড় নিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের ফল জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের সঙ্গে বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ভোটের পরদিন বিকেলে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ যে পরিসংখ্যান দিয়েছিলেন, রাতে প্রকাশিত গেজেটের সঙ্গে তার গরমিল দেখা যায়। পরে আসনভিত্তিক ফল প্রকাশের পর আরও নানা অসামঞ্জস্য নিয়ে গণমাধ্যমে খবর হলে বেসরকারি ফল সংশোধন করা হয়।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে ইসি সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে জানায়, আগে ঘোষিত হিসাবের তুলনায় মোট প্রদত্ত ভোট কমেছে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি। কমেছে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’—দুই পক্ষের ভোটসংখ্যাও; বেড়েছে বাতিল ভোট। ২৫ ফেব্রুয়ারি জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সই করা এই গেজেট নতুন করে সামনে আনে ফলাফল ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন।

প্রথম গেজেট ও সর্বশেষ সংশোধিত গেজেটের পরিসংখ্যান পাশাপাশি রাখলে স্পষ্ট হয়—মোট ভোট, বৈধ ভোট, বাতিল ভোট এবং ‘হ্যাঁ–না’ ভোটের সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। কীভাবে এই গরমিল তৈরি হলো, কোন ধাপে সংশোধন হলো এবং চূড়ান্ত হিসাবে আসলে কী দাঁড়াল?

Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভোট সহজ, গণভোট কি কঠিন?Gonovote 2

দুই দফা ফলাফল সংশোধনের খতিয়ান

১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুই দফায় সংখ্যাগত পরিবর্তন দেখা যায়। প্রথম দফায় ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলের বেসরকারি ঘোষণা ও একই দিনের রাতের গেজেটের মধ্যে গরমিল ছিল। দ্বিতীয় দফায় ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সংশোধিত গেজেটে আগের গেজেটের তুলনায় মোট ভোট, বৈধ ভোট ও ‘হ্যাঁ’-‘না’ ভোটে পরিবর্তন আনা হলো।

প্রথম দফা সংশোধন: বিকেলের ঘোষণা বনাম রাতের গেজেট

১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ইসি সচিব যে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছিলেন, সেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট ছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি এবং ‘না’ ভোট ছিল ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। কিন্তু একই দিন রাতে প্রকাশিত গেজেটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেড়ে দাঁড়ায় ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০টি এবং ‘না’ ভোট কমে হয় ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬টি। অর্থাৎ কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেড়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ২৩১ (০.২৬%) এবং ‘না’ ভোট কমেছে ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯০১ (২.১৯%)। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বিকেলের ঘোষণায় মোট ভোট, বৈধ ভোট ও বাতিল ভোটের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।

ছবি: চরচা
ছবি: চরচা

এই প্রথম দফায় একই দিনের মধ্যে ঘোষিত দুই তথ্যের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়, যা পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফা সংশোধনের মাধ্যমে আরও বদলে গেছে।

দ্বিতীয় দফা সংশোধন: ১৩ ফেব্রুয়ারির গেজেট বনাম ২৫ ফেব্রুয়ারির সংশোধিত গেজেট

১৩ ফেব্রুয়ারি রাতের গেজেটে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩টি। ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সংশোধিত গেজেটে তা কমে দাঁড়ায় ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭টি। অর্থাৎ মোট ভোট কমেছে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি (১.৩৮%)। বাতিল ভোট ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬, বৃদ্ধি ১২ হাজার ৫৫৯ (০.১৭%)। মোট বৈধ ভোট ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬ থেকে কমে হয়েছে ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১। এক্ষেত্রে কমেছে ১০ লাখ ৮৬ হাজার ১৭৫ (১.৫৫%)।

গণভোটের সংশোধিত ফল: ‘হ্যাঁ’ ভোট কমলো ১০ লাখ, ‘না’ ১ লাখElection-Vote-Ballot-box-e8193492c6df68cab0190cc67ecd239b

একইভাবে ‘হ্যাঁ’ ভোট ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ থেকে কমে ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০ হয়েছে। এক্ষেত্রে কমেছে ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০ (২.০২%)। ‘না’ ভোট ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ থেকে কমে ২ কোটি ১৯ হাজার ৬০ হাজার ২৩১ হয়েছে—কমেছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫ (০.৫১%)।

ছবি: চরচা
ছবি: চরচা

দুই দফা সংশোধনের ধারাবাহিকতায় দেখা যায়, প্রথম দফায় ‘হ্যাঁ’ ভোট সামান্য বৃদ্ধি ও ‘না’ ভোট উল্লেখযোগ্য হ্রাস পায়। দ্বিতীয় দফায় মোট প্রদত্ত ভোট ১০ লাখের বেশি কমে যায়; একই সঙ্গে বৈধ ভোট ও উভয় পক্ষের ভোটসংখ্যা কমে এবং বাতিল ভোট বৃদ্ধি পায়। এখানে সব হিসাব সরাসরি প্রদত্ত সংখ্যার ভিত্তিতে শতকরা হারে গণনা করা হয়েছে; কোনো তথ্য সংযোজন বা পরিবর্তন করা হয়নি।

ইসি ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা যা বলছেন

গণভোটের সামগ্রিক ফলাফলের হার ছাড়াও গুরুতর অসঙ্গতি ছিল আসনভিত্তিক ফলাফলের হারেও। নেত্রকোনা-৩, নেত্রকোনা-৪, নেত্রকোনা-৫, সিরাজগঞ্জ-১ ও রাজশাহী-৪—এই আসনগুলোতে গণভোটের হার মোট ভোটারের চেয়েও বেশি দেখানো হয়েছিল। ফলাফলের গরমিলের কারণ হিসেবে ইসি ‘করণিক ভুল’–এর কথা বলেছে বার বার।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছেন, “আগের প্রকাশিত ফলাফলে করণিক ভুল ছিল, কিছু সংখ্যা এদিক, ওদিক হয়েছে। পরবর্তীতে তা সংশোধন করে যেটা হয়েছে, তা আজ (বৃহস্পতিবার) প্রকাশ করা হয়েছে। এখনও ‘হ্যাঁ’ এর সংখ্যা বেশি, তাতে কোনো বিচ্যুতি হয়নি।”

ফলাফল গরমিলের বিষয়ে ইসি সচিবালয়ের এক আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে চরচা’কে বলেন, ‘‘তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে গণভোটের ফলাফল সংকলনে বেশির ভাগ এআরও (সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা) ভুল করেছেন। কোন কোন ইউএনও সংসদ ভোটের ফলাফল আগে পাঠিয়ে (সাধারণত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা ইউএনও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন), পরদিন সকালেও গণভোটের ফলাফল পাঠাতে পারেননি। যেটা হয়েছে সংসদ ভোটের ফলাফল গণনা করার পর গণভোটের ফলাফল গণনায় এক রকমের অলসতা দেখা গেছে।’’

তবে নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন চরচা’কে বলেন, ‘‘ফলাফল সময়মতোই এসেছে। সেগুলো শিটে তুলতে গিয়ে কিছু ভুল, ক্ল্যারিক্যাল ভুল হয়েছে। আমরা দেখার সঙ্গে সঙ্গে সেটা ঠিক করেছি।’’

বিষয়: সরকারগণভোটত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনভোটঅন্তর্বর্তী সরকারইসি
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।