Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
১৫ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ইরান-হুতিদের কারণে কতটা ঝুঁকিতে উপসাগরীয় ডেটা সেন্টারগুলো

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৭: ৪৩
ইরান-হুতিদের কারণে কতটা ঝুঁকিতে উপসাগরীয় ডেটা সেন্টারগুলো
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

উপসাগরীয় দেশগুলো এতদিন নিজেদের আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যেও প্রযুক্তির জন্য শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ এলাকা হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু চলমান যুদ্ধ তাদেরকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। ইরান এখন প্রযুক্তির এই নির্ভরযোগ্যতা ও নিরাপত্তাকেই একটি ভূ-রাজনৈতিক দরকষাকষির হাতিয়ার বানাতে চাইছে।

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যের ইন্টারনেট ক্যাবল, ডেটা সেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেন্টারগুলোতে হামলা চালানো হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মহসেন রেজাই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত মাসে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের উপকূলীয় অঞ্চল দখল করে নেয়। এরপর থেকেই ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগকারী ইন্টারনেট ক্যাবলগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা বেড়ে গেছে। বর্তমানে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে বাব আল-মান্দেবসহ বিভিন্ন জায়গায় তীব্র লড়াই চলছে। এই বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়েই সারা বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ ইন্টারনেট ট্রাফিক বা ডেটা যাতায়াত করে।

ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের মূল পথ হলো লোহিত সাগর। কিন্তু এই অঞ্চলে যুদ্ধ চলায় বিকল্প পথে ইন্টারনেট চালু রাখতে মার্কিন বড় বড় ক্লাউড কোম্পানিগুলোকে এখন চড়া দাম গুনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রেস্ট অব ওয়ার্ল্ড।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইউরোপ ও এশিয়ার ৯০ শতাংশের বেশি ডেটা লোহিত সাগরের তলদেশের ক্যাবল দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইয়েমেন এবং আফ্রিকার জিবুতি ও ইরিত্রিয়ার মাঝে অবস্থিত বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে এসব ক্যাবল সাগরে প্রবেশ করেছে। এই প্রণালিটির প্রস্থ ২৬ কিলোমিটারের (১৬ মাইল) চেয়েও কম।

মার্কিন সরকারের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সংগঠন হুতি বিদ্রোহীরা গত সেপ্টেম্বরে এই প্রণালির ইয়েমেন অংশ এবং মায়্যুন দ্বীপ দখল করে নেয়। তবে ৫ অক্টোবর সৌদি সমর্থিত ইয়েমেন সরকার দাবি করে যে, তারা প্রণালির আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও মোখা বন্দর ফের দখলে নিয়েছে। যদিও হুতিরা এই দাবি অস্বীকার করেছে।

কিংস কলেজ লন্ডনের নিরাপত্তা বিষয়ক সিনিয়র লেকচারার অ্যান্ড্রিয়াস ক্রিগ কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেন, “পুরো একটি কেন্দ্র অকেজো করে দেওয়ার জন্য সরাসরি মূল সার্ভার ধ্বংস করারও কোনো প্রয়োজন নেই।”

সৌদি­–কাতার–ইউএইর ভবিষ্যৎ কোথায়?future-of-saudi-qatar-and-uae

তিনি আরও জানান, ডেটা সেন্টারগুলোকে সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, সার্বক্ষণিক কুলিং বা ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা এবং টেলিকম যোগাযোগের প্রয়োজন হয়। অপরদিকে, সমুদ্রের নিচের ক্যাবলগুলোকে ২৪ ঘণ্টা সুরক্ষা দেওয়া বেশ কঠিন, আর এগুলোতে ব্যাঘাত ঘটলে তা একসঙ্গে কয়েকটি দেশে প্রভাব ফেলতে পারে।

ইরানের হুমকি নতুন নয়। ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বারবার এমন হুমকি দিয়ে আসছে দেশটি।

গত ১১ মার্চ ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানায়, ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তুর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল এবং বেশ কয়েকটি পারস্য উপসাগরীয় দেশে অবস্থিত গুগল, মাইক্রোসফট ও ওরাকলের ক্লাউড অবকাঠামো।

একই মাসে আইআরজিসি টেলিগ্রামের এক পোস্টে ১৭টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করে। যার মধ্যে গুগল, মেটা ও অ্যাপলের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের এআই প্রতিষ্ঠান জি৪২ ও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

নিরাপত্তা বিষয়ক বিশ্লেষক ক্রিগ জানান, তিনি রেজাইয়ের এই হুমকিকে গুরুত্ব সহকারেই দেখছেন। তবে ইরানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি বা গোলযোগ তৈরি করার ক্ষমতা আর ‘উপসাগরীয় অঞ্চলের পুরো ডিজিটাল অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষমতার’ মধ্যে তিনি কিছুটা পার্থক্য টেনেছেন।

ক্রিগ আল জাজিরাকে বলেন, “মহসেন রেজাইয়ের এই হুমকির বিশেষ গুরুত্ব হলো, তিনি কেবল নতুন কিছু জায়গায় হামলার হুমকি দিচ্ছেন না; বরং তিনি এমন এক নতুন কৌশলগত অবকাঠামোকে চিহ্নিত করছেন। এটি উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত শক্তির সাথে যুক্ত করে।”

হুতি বাহিনীর অগ্রযাত্রা উদ্‌যাপন করতে সমর্থকদের সমাবেশ। ছবি: রয়টার্স
হুতি বাহিনীর অগ্রযাত্রা উদ্‌যাপন করতে সমর্থকদের সমাবেশ। ছবি: রয়টার্স

রেজাইয়ের এই হুমকিকে ক্রিগ মূলত একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা বা মনস্তাত্ত্বিক কৌশল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, এর উদ্দেশ্য ওয়াশিংটনের পাশাপাশি আবুধাবি, রিয়াদ ও দোহাকেও একটি বার্তা দেওয়া, যাতে উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্টকে নতুন করে কোনো সামরিক অভিযানে যাওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের দুটি কেন্দ্রে সরাসরি ড্রোন হামলা এবং বাহরাইনে একটি কেন্দ্রের কাছে হামলায় পরিকাঠামোগত ক্ষতি হয়। পুরো অঞ্চলে আইটি বিঘ্ন ঘটায় আবুধাবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের অ্যাপ সেবায় সমস্যা হলেও তারা সরাসরি অ্যামাজনকে দায়ী করেনি। পরবর্তীতে সেপ্টেম্বরে অ্যামাজন জানায়, বাহরাইনের কয়েকটি এবং আমিরাতের একটি কেন্দ্র তারা পুনরায় চালু করতে পারেনি।

হুতিদের নিশানায় কেন সৌদির বিমানবন্দর? Smoke and flames rise from King Khalid Airport in Riyadh, Saudi Arabia, October 8, 2026= Reuters

সমুদ্রের তলদেশে, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিকল হওয়া ‘রুবিমার’ জাহাজের নোঙরের টানে তিনটি ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা মেরামত করতে কয়েক মাস লাগে। এরপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জেদ্দার কাছে আরও দুটি ক্যাবল বিচ্ছিন্ন হলে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় ইন্টারনেট ধীর হয়ে যায়, যার কারণ এখনো অজানা।

বিশ্লেষক ক্রিগ উল্লেখ করেন, এই হামলাগুলো প্রমাণ করে বাণিজ্যিক অবকাঠামো স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় বিমান প্রতিরক্ষায় সুরক্ষিত থাকে না। সামরিক বাহিনী অধিকাংশ আক্রমণ ঠেকাতে পারলেও, কম খরচের ড্রোন দিয়ে চালানো হাতেগোনা কয়েকটি সফল হামলাই শত কোটি ডলারের অবকাঠামোর ক্ষতি করে ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

যদিও হুতিরা এখনো কোন প্রকার বড় হামলা চালায়নি। কিন্তু তারা চাইলেই জাহাজের নোঙর ফেলে কিংবা ইচ্ছে করে ভাঙচুর চালিয়ে পানির নিচের ক্যাবল কেটে ফেলা সম্ভব, আর যুদ্ধ চলাকালীন কোনো এলাকায় এগুলো মেরামত করতে গেলে সুরক্ষার নিশ্চয়তা ও বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হয়।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের সানায় হুথি সমর্থকদের সমাবেশ। ছবি: এপি
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের সানায় হুথি সমর্থকদের সমাবেশ। ছবি: এপি

অন্যদিকে ডেটা সেন্টারগুলো, যেগুলো থেকে ব্যাংকিং অ্যাপ ও বিভিন্ন ক্লাউড সার্ভিস চলে, সেগুলো আকারে অনেক বড় হওয়ায় বেশ সহজে হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রেস্ট অব ওয়ার্ল্ডে বলছে, এই সংকটের কারণেই বিকল্প পথ খুঁজছে টেক কোম্পানিগুলো। বিষয়টির সাথে জড়িত এক সূত্রের তথ্যমতে, গত সেপ্টেম্বরে তুরস্কের সরকারি পাইপলাইন দিয়ে যাওয়া একজোড়া ফাইবার ক্যাবল কিনে নেয় গুগল। এর জন্য তাদের স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে তিন গুণ বেশি দাম দিতে হয়েছে, যেখানে এই ধরনের নতুন লাইনের দাম হওয়ার কথা প্রায় ৬০ লাখ ইউরো (৭০ লাখ ডলার)। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, দীর্ঘ দূরত্বের ফাইবার ক্যাবল ১৫ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য এককালীন চুক্তিতে কেনা হয় এবং এর পাশাপাশি প্রতি বছর আলাদা রক্ষণাবেক্ষণ খরচ দিতে হয়।

লোহিত সাগরের কিছু বিকল্প রুট বর্তমানে নির্মাণাধীন থাকলেও সেগুলো বেশ ব্যয়বহুল। গত ১০ সেপ্টেম্বর ইরাকের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে ইরাক হয়ে ইউরোপে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য তারা কাতারের ওরেদু কোম্পানির সাথে চুক্তি করেছে। ইরাকি মন্ত্রী মুস্তফা জব্বার সানাদের মতে, আল-ফাও থেকে তুরস্ক সীমান্তের রাবিয়া পর্যন্ত এই ভূগর্ভস্থ ক্যাবল বিস্তৃত। পথটি তুরস্ক পর্যন্ত আরও বড় করতে ৭ অক্টোবর ওরেদু ইরাকের আইকিউ নেটওয়ার্কসের ফাইবার কেনার বিষয়ে একমত হলেও তা সরকারি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

সৌদি আরামকোর দাহরান কমপ্লেক্সে হুতিদের হামলাaramco

এদিকে মাইক্রোসফট ২০৩০ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের জল ও স্থলভাগে ইন্টারনেট সংযোগ বাড়াতে ৪০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। ৭ অক্টোবরের এক প্রতিবেদনে রেস্ট অব ওয়ার্ল্ড জানায়, গুগল ও মেটা ইতিমধ্যে ইরাক দিয়ে কিছু ডেটা পাঠাতে শুরু করলেও তারা আল জাজিরাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

বিশ্লেষক ক্রিগের মতে, পূর্ণ নিরাপত্তার জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরেও পরিকাঠামো ছড়াতে হবে। তবে এটি প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে, কারণ নিজস্ব সীমানায় সংবেদনশীল ডেটা সুরক্ষায় উপসাগরীয় দেশগুলো বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছে।

বিনিয়োগ অব্যাহত থাকলেও চলমান যুদ্ধ ইতিমধ্যে এ খাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অথচ জ্বালানি তেল-পরবর্তী যুগের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে উপসাগরীয় দেশগুলো প্রযুক্তির ওপরই বাজি ধরেছিল।

আবুধাবিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান জি৪২, ওপেনএআই ও এনভিডিয়ার সাথে যৌথভাবে ‘স্টারগেট ইউএই’ নির্মাণ করছে। এটি পরিকল্পিত ৫-গিগাওয়াট ক্ষমতার ইউএই-ইউএস (আমিরাত-আমেরিকা) এআই ক্যাম্পাসের একটি অংশ।

সৌদি প্রেস এজেন্সির তথ্যমতে, সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ২০২৫ সালের মে মাসে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সভাপতিত্বে হিউমেইন নামে একটি এআই প্রতিষ্ঠান চালু করে, যার উদ্দেশ্য ডেটা সেন্টার তৈরি করা এবং আরবি ভাষার এআই মডেল প্রস্তুত করা। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারের সার্বভৌম তহবিল মার্কিন বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ব্লু আউলের সাথে যৌথভাবে ৩০০ কোটি ডলারের ডেটা সেন্টার প্রকল্পে যুক্ত হয়।

একই মাসে মাইক্রোসফট এক ব্লগ পোস্টে জানায়, তারা ২০৩০ সালের মধ্যে কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১ হাজার কোটি (১০ বিলিয়ন) ডলারের বেশি বিনিয়োগ করবে, যেখানে ডিজিটাল সুরক্ষা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর নতুন করে জোর দেওয়া হবে।

কিন্তু এত কিছুর পরও, অ্যামাজন জানিয়েছে যে বাহরাইনে রক্ষিত কিছু ডেটা পুনরুদ্ধারের জন্য তারা সবরকমের সম্ভাব্য উপায় চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে।

‘হুমকি’ উপসাগরীয় দেশগুলোর লক্ষ্যকে থামিয়ে দিতে পারবে না, তবে এটি এআই খাতের বিনিয়োগের অর্থনৈতিক হিসাব-নিকাশ ও ভৌগোলিক অবস্থান বদলে দেবে।

বিষয়: মধ্যপ্রাচ্যইন্টারনেটমাইক্রোসফটহামলাহুতিইরান
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সৌদি আরবে সিক্স কিংস স্ল্যাম টেনিস টুর্নামেন্ট স্থগিত, পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে এশিয়ান কাপও

  • ২

    পরিবারসহ সাবেক এসবি প্রধান মনিরুলের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

  • ৩

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, ৩ আসামি রিমান্ডে

  • ৪

    মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের ঘোষণা সরকারের

  • ৫

    পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন পর্যায় নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ‘আলোচনা করছে’ রাশিয়া

সম্পর্কিত
  • হুতি কারা, কী চায় তারা?

    হুতি কারা, কী চায় তারা?

    হুতিরা উত্তর ইয়েমেনের একটি সশস্ত্র রাজনৈতিক ও ধর্মীয় গোষ্ঠী। তারা দেশটির সংখ্যালঘু জায়দি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করার দাবি করে। জায়দিবাদ শিয়া ইসলামের একটি শাখা।

  • নিজ দেশেই কেন নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে ভারতীয়দের?

    নিজ দেশেই কেন নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে ভারতীয়দের?

    এসআইআরের সবচেয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে থাকা এসওয়াই কুরেশি। তার অভিযোগ, মুসলিমদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই দেশজুড়ে এই হয়রানিমূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

  • এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে ব্যবসার সব অনুমোদন, কীভাবে

    এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে ব্যবসার সব অনুমোদন, কীভাবে

    আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করতে ব্যবসা অনুমোদন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এর আওতায় একটি ডিজিটাল ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ প্ল্যাটফর্ম চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে বিনিয়োগ সংক্রান্ত

  • বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন অবস্থায়?

    বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন অবস্থায়?

    ২০২৩ সাল থেকেই ধীরগতি বাংলাদেশের অর্থনীতির। এমনটা বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাংকের গত ৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।