চরচা ডেস্ক

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই মডেল আরও উন্নত করতে এবার নিজের কর্মীদের কাজের ওপরই নজরদারি চালাবে মেটা। এখন থেকে কর্মীরা কম্পিউটারে কী টাইপ করছেন বা মাউসে কতবার ক্লিক করছেন, তার সব তথ্যই ট্র্যাক করবে প্রতিষ্ঠানটি।
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা গত ২১ এপ্রিল কর্মীদের জানায়, তাদের কম্পিউটার ও ইন্টারনাল অ্যাপগুলোতে একটি নতুন টুল চালু করা হচ্ছে। এই টুলটি কর্মীদের প্রতিটি কাজ রেকর্ড করবে, যা পরবর্তীতে এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ করে তোলার কাজে ব্যবহার করা হবে।
বিবিসিকে মেটার এক মুখপাত্র বলেন, “কম্পিউটারের মাধ্যমে মানুষের দৈনন্দিন কাজ সহজ করতে আমরা যে এআই তৈরি করছি, তা শেখানোর জন্য মানুষ আসলে কীভাবে কম্পিউটার ব্যবহার করে তার বাস্তব উদাহরণ দরকার।” মেটার ওই মুখপাত্র নিশ্চিত করেন, এই তথ্য অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না। এছাড়া ব্যক্তিগত বা গোপনীয় তথ্য সুরক্ষায় এই টুলে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তবে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে মেটার এক কর্মী জানান, যখন কর্মীরা ছাঁটাই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন, তখন এআইকে কাজ শেখাতে তাদের কম্পিউটারের প্রতিটি ছোটখাটো গতিবিধির ওপর নজরদারি করাটা অনেকটাই ‘ভয়ংকর কোনো দুঃস্বপ্নের মতো’ মনে হচ্ছে।
বিবিসিকে দেওয়া ওই কর্মী বলেন, “এআই নিয়ে এই কোম্পানির রীতিমতো মাথা খারাপ হয়ে গেছে।”
সম্প্রতি চাকরি ছেড়ে দেওয়া অন্য একজন কর্মী বলেন, “এই নজরদারি আসলে সবার ওপর জোর করে এআই চাপিয়ে দেওয়ার একটা নতুন ফন্দি।”

এ বছর মেটা কয়েক দফায় প্রায় দুই হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। তবে বিবিসির আগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্মীরা আশঙ্কা করছেন, সামনের মাসগুলোতে আরও বড় ধরনের ছাঁটাই হতে পারে।
এদিকে গত মাসে কোম্পানিটি নতুন লোক নিয়োগ আংশিক বন্ধ রেখেছিল, যা এখন পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার পথে বলে মনে হচ্ছে।
মার্চ মাসেও মেটার ওয়েবসাইটে প্রায় ৮০০ চাকরির বিজ্ঞাপন ছিল, কিন্তু এখন সেখানে আছে মাত্র সাতটি। তবে চাকরি কমিয়ে দেওয়া বা কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়ে মেটার মুখপাত্র কিছু বলতে রাজি হননি।
রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, মেটার এই নতুন নজরদারি টুলের নাম দেওয়া হয়েছে মডেল ক্যাপাবিলিটি ইনিশিয়েটিভ সংক্ষেপে এমসিআই।
বিবিসিকে জানানো হয়েছে যে, কর্মীরা কম্পিউটারে কী করছেন তা দেখার সুযোগ মেটার আগে থেকেই ছিল। তবে এআই শেখানোর জন্য আলাদা করে সব তথ্য রেকর্ড করা বা ট্র্যাক করা এবারই প্রথম শুরু হচ্ছে।
মেটার প্রধান মার্ক জাকারবার্গ সম্প্রতি জানিয়েছেন, এ বছর তিনি এআই প্রজেক্টে আরও অনেক টাকা খরচ করবেন। তিনি চাচ্ছেন এই প্রযুক্তির বাজারে মেটাকে সবার উপরে নিয়ে যেতে।
মেটা চলতি বছর এআই খাতে প্রায় ১৪০ বিলিয়ন ডলার খরচ করার পরিকল্পনা করেছে, যা গত বছরের বিনিয়োগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ১৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে স্কেল এআইএর প্রায় অর্ধেক মালিকানা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। এছাড়া নিজস্ব এআই মডেল ও টুলগুলো আরও শক্তিশালী করতে ওই ডেটা-লেবেলিং প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে মেটাতে নিয়ে আসা হয়েছে।
মেটার নতুন সুপারইন্টেলিজেন্স ল্যাব থেকে গত মাসে মিউজ স্পার্ক নামে একটি বড় এআই মডেল আনা হয়েছে। কর্মীদের কাজ থেকে যেসব তথ্য পাওয়া যাবে, তা দিয়ে এই ল্যাবের ভবিষ্যৎ এআই মডেলগুলোকে আরও উন্নত করতে চায় মেটা।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে জাকারবার্গ বলেছিলেন, ২০২৬ সালে এআই আমাদের কাজের ধরন পুরোপুরি বদলে দেবে। তিনি তখন আরও বলেন, “আমরা এখন এমন সব কাজ দেখছি যা আগে অনেক মানুষ মিলে করত, কিন্তু এখন একজন মেধাবী মানুষই তা এআইয়ের সাহায্যে করে ফেলছেন।”

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই মডেল আরও উন্নত করতে এবার নিজের কর্মীদের কাজের ওপরই নজরদারি চালাবে মেটা। এখন থেকে কর্মীরা কম্পিউটারে কী টাইপ করছেন বা মাউসে কতবার ক্লিক করছেন, তার সব তথ্যই ট্র্যাক করবে প্রতিষ্ঠানটি।
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা গত ২১ এপ্রিল কর্মীদের জানায়, তাদের কম্পিউটার ও ইন্টারনাল অ্যাপগুলোতে একটি নতুন টুল চালু করা হচ্ছে। এই টুলটি কর্মীদের প্রতিটি কাজ রেকর্ড করবে, যা পরবর্তীতে এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ করে তোলার কাজে ব্যবহার করা হবে।
বিবিসিকে মেটার এক মুখপাত্র বলেন, “কম্পিউটারের মাধ্যমে মানুষের দৈনন্দিন কাজ সহজ করতে আমরা যে এআই তৈরি করছি, তা শেখানোর জন্য মানুষ আসলে কীভাবে কম্পিউটার ব্যবহার করে তার বাস্তব উদাহরণ দরকার।” মেটার ওই মুখপাত্র নিশ্চিত করেন, এই তথ্য অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না। এছাড়া ব্যক্তিগত বা গোপনীয় তথ্য সুরক্ষায় এই টুলে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তবে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে মেটার এক কর্মী জানান, যখন কর্মীরা ছাঁটাই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন, তখন এআইকে কাজ শেখাতে তাদের কম্পিউটারের প্রতিটি ছোটখাটো গতিবিধির ওপর নজরদারি করাটা অনেকটাই ‘ভয়ংকর কোনো দুঃস্বপ্নের মতো’ মনে হচ্ছে।
বিবিসিকে দেওয়া ওই কর্মী বলেন, “এআই নিয়ে এই কোম্পানির রীতিমতো মাথা খারাপ হয়ে গেছে।”
সম্প্রতি চাকরি ছেড়ে দেওয়া অন্য একজন কর্মী বলেন, “এই নজরদারি আসলে সবার ওপর জোর করে এআই চাপিয়ে দেওয়ার একটা নতুন ফন্দি।”

এ বছর মেটা কয়েক দফায় প্রায় দুই হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। তবে বিবিসির আগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্মীরা আশঙ্কা করছেন, সামনের মাসগুলোতে আরও বড় ধরনের ছাঁটাই হতে পারে।
এদিকে গত মাসে কোম্পানিটি নতুন লোক নিয়োগ আংশিক বন্ধ রেখেছিল, যা এখন পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার পথে বলে মনে হচ্ছে।
মার্চ মাসেও মেটার ওয়েবসাইটে প্রায় ৮০০ চাকরির বিজ্ঞাপন ছিল, কিন্তু এখন সেখানে আছে মাত্র সাতটি। তবে চাকরি কমিয়ে দেওয়া বা কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়ে মেটার মুখপাত্র কিছু বলতে রাজি হননি।
রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, মেটার এই নতুন নজরদারি টুলের নাম দেওয়া হয়েছে মডেল ক্যাপাবিলিটি ইনিশিয়েটিভ সংক্ষেপে এমসিআই।
বিবিসিকে জানানো হয়েছে যে, কর্মীরা কম্পিউটারে কী করছেন তা দেখার সুযোগ মেটার আগে থেকেই ছিল। তবে এআই শেখানোর জন্য আলাদা করে সব তথ্য রেকর্ড করা বা ট্র্যাক করা এবারই প্রথম শুরু হচ্ছে।
মেটার প্রধান মার্ক জাকারবার্গ সম্প্রতি জানিয়েছেন, এ বছর তিনি এআই প্রজেক্টে আরও অনেক টাকা খরচ করবেন। তিনি চাচ্ছেন এই প্রযুক্তির বাজারে মেটাকে সবার উপরে নিয়ে যেতে।
মেটা চলতি বছর এআই খাতে প্রায় ১৪০ বিলিয়ন ডলার খরচ করার পরিকল্পনা করেছে, যা গত বছরের বিনিয়োগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ১৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে স্কেল এআইএর প্রায় অর্ধেক মালিকানা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। এছাড়া নিজস্ব এআই মডেল ও টুলগুলো আরও শক্তিশালী করতে ওই ডেটা-লেবেলিং প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে মেটাতে নিয়ে আসা হয়েছে।
মেটার নতুন সুপারইন্টেলিজেন্স ল্যাব থেকে গত মাসে মিউজ স্পার্ক নামে একটি বড় এআই মডেল আনা হয়েছে। কর্মীদের কাজ থেকে যেসব তথ্য পাওয়া যাবে, তা দিয়ে এই ল্যাবের ভবিষ্যৎ এআই মডেলগুলোকে আরও উন্নত করতে চায় মেটা।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে জাকারবার্গ বলেছিলেন, ২০২৬ সালে এআই আমাদের কাজের ধরন পুরোপুরি বদলে দেবে। তিনি তখন আরও বলেন, “আমরা এখন এমন সব কাজ দেখছি যা আগে অনেক মানুষ মিলে করত, কিন্তু এখন একজন মেধাবী মানুষই তা এআইয়ের সাহায্যে করে ফেলছেন।”

ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ মিলেছে প্রণালীর পূর্বদিকে অবস্থিত আলজেসিরাস উপসাগর বা জিব্রাল্টার উপসাগরে। আটলান্টিক মহাসাগর থেকে ভূমধ্যসাগরে (বা উল্টো পথে) যাওয়া বড় বড় তেলবাহী জাহাজগুলো প্রায়ই এখানে নোঙর করে। তাই এই উপসাগর শুধু ভৌগোলিকভাবে নয়, বাণিজ্যিক দিক থেকেও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বিলিয়ন বিলিয়ন নক্ষত্র এবং আলোর প্রধান উৎস সূর্য মহাকাশে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করলেও, মহাকাশকে আমরা দেখি এক বিশাল অন্ধকার শূন্যতা হিসেবে। এই বিষয়টি প্রায়ই বিভ্রান্তি ও কৌতূহলের জন্ম দেয়। এটি মহাবিশ্বের অসংখ্য রহস্যের একটি হলেও, সৌভাগ্যবশত বিজ্ঞান এর সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিয়েছে।

রূপপুরের ফুয়েল লোডিং কেবল একটি প্রযুক্তিগত মাইলফলক নয়–এটি একটি পরিবর্তনের সূচনা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ উচ্চপ্রযুক্তির এই জ্বালানি ব্যবস্থাকে দক্ষভাবে পরিচালনা করবে। একটি ছোট ইউরেনিয়াম পলেট থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত করতে পারে, সেটি দেখার জন্য আম