Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

মহাকাশ কেন অন্ধকার?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ৫৩
মহাকাশ কেন অন্ধকার?

বিলিয়ন বিলিয়ন নক্ষত্র এবং আলোর প্রধান উৎস সূর্য মহাকাশে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করলেও, মহাকাশকে আমরা দেখি এক বিশাল অন্ধকার শূন্যতা হিসেবে। এই বিষয়টি প্রায়ই বিভ্রান্তি ও কৌতূহলের জন্ম দেয়। এটি মহাবিশ্বের অসংখ্য রহস্যের একটি হলেও, সৌভাগ্যবশত বিজ্ঞান এর সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বছরের পর বছর গবেষণা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা প্রথমে বিশ্লেষণ করেছেন দিনে আকাশ কেন উজ্জ্বল নীল এবং রাতে কেন গভীর কালো দেখায়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটিন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এর উত্তর লুকিয়ে আছে আলোর আচরণ এবং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সাথে তার মিথস্ক্রিয়ার মধ্যে। সূর্যের আলো আমাদের চোখে সাদা মনে হলেও, বাস্তবে এতে রংধনুর সাতটি রং থাকে, যাদের প্রত্যেকটির তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলাদা। যখন এই আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে, তখন এটি গ্যাসের অণুর সাথে সংঘর্ষের ফলে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘রেলি স্ক্যাটারিং’। নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এটি অন্যান্য রঙের তুলনায় বেশি বিচ্ছুরিত হয়। ফলে আকাশজুড়ে নীল আলো ছড়িয়ে পড়ে এবং আমাদের চোখে পৌঁছে, যার কারণে আকাশ নীল দেখায়।

রাতে সূর্য দিগন্তের নিচে চলে গেলে তার আলো আমাদের মাথার ওপরের বায়ুমণ্ডলে পৌঁছাতে পারে না। ফলে আলো ছড়ানোর মতো কিছু থাকে না, এবং আকাশ হয়ে ওঠে গভীর, অসীম কালো।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কিন্তু আমরা যখন আকাশের সীমা ছাড়িয়ে মহাকাশের দিকে তাকাই, তখন বিষয়টি আরও গভীর হয়। এখানে প্রশ্ন ওঠে যদি মহাবিশ্ব অসীম, স্থির এবং অগণিত নক্ষত্রে পূর্ণ হয়, তবে রাতের আকাশ অন্ধকার কেন? কারণ তাত্ত্বিকভাবে আমাদের দৃষ্টিসীমার প্রতিটি বিন্দুতেই কোনো না কোনো নক্ষত্র থাকার কথা, যা পুরো আকাশকে উজ্জ্বল করে তুলত।

এই প্যারাডক্সের সমাধান নিহিত রয়েছে মহাবিশ্বের প্রকৃতিতে। মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর অর্থাৎ অত্যন্ত দূরের নক্ষত্রগুলোর আলো এখনো আমাদের কাছে পৌঁছানোর মতো পর্যাপ্ত সময় পায়নি। পাশাপাশি, মহাবিশ্বের একটি সূচনা রয়েছে (বিগ ব্যাং), এবং আমরা কত দূর পর্যন্ত দেখতে পারি তারও একটি সীমা আছে, যা দৃশ্যমান আলোর জন্য একটি দিগন্ত তৈরি করে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মহাবিশ্বের নিরন্তর প্রসারণ। ডপলার ইফেক্টের কারণে দূরবর্তী নক্ষত্রের আলো প্রসারিত হয়ে দীর্ঘতর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে সরে যায়, যা অনেক সময় আমাদের চোখে দৃশ্যমান থাকে না।

মহাকাশ মূলত প্রায় শূন্য, এবং সেখানে কোনো বায়ুমণ্ডল বা আলো বিচ্ছুরণের মাধ্যম নেই। ফলে আলো সেখানে সরলরেখায় ভ্রমণ করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে পরিবেশকে আলোকিত করতে পারে না।

ডপলার ইফেক্টের কারণে আলো বর্ণালীর লাল প্রান্তের দিকে সরে যেতে পারে, এবং কখনও এই পরিবর্তন এতটাই বেশি হয় যে তা আমাদের চোখের শনাক্তক্ষমতার বাইরে চলে যায়। তবুও মহাকাশ সম্পূর্ণ কালো নয়। দূরবর্তী নক্ষত্র ও গ্যালাক্সিগুলোর সম্মিলিত ক্ষীণ আলো একটি সূক্ষ্ম কিন্তু স্থায়ী আভা তৈরি করে, যা মহাজাগতিক পটভূমিকে কখনোই পুরোপুরি শূন্য হতে দেয় না।

বিজ্ঞানীরা আরও দেখিয়েছেন যে, বায়ুমণ্ডলের গঠনও এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদাহরণস্বরূপ, হাইড্রোজেনসমৃদ্ধ পাতলা বায়ুমণ্ডল নীল আলোকে আরও কার্যকরভাবে বিচ্ছুরিত করে, আর ঘন বায়ুমণ্ডল বা মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশে সব রঙই প্রায় সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অতএব, আকাশ শুধু একটি জানালা নয় এটি যেন এক অনুবাদক, যা মহাবিশ্বের জটিল ও অদৃশ্য বাস্তবতাকে আমাদের কাছে পরিচিত ও বোধগম্য করে তোলে।

বিষয়: মহাকাশনাসাবিজ্ঞানীগবেষণাবিগব্যাং
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।