Advertisement Banner

রূপগঞ্জে আনন্দ হাউজিংয়ের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
রূপগঞ্জে আনন্দ হাউজিংয়ের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
রূপগঞ্জে আনন্দ হাউজিংয়ের বার্ষিক সাধারণ সভা। ছবি: চরচা

রাজধানীর কোলঘেঁষা পূর্বাচল নিউটাউন এলাকায় মধ্যবিত্তের আবাসন স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ‘আনন্দ হাউজিং সোসাইটি’র বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬। গতকাল শনিবার রূপগঞ্জের আনন্দ হাউজিং প্রকল্প এলাকায় আয়োজিত এই সভায় এক হাজারের বেশি গ্রাহক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। দিনভর নানা উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে সভাটি সম্পন্ন হয়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেলা ১১টায় সভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক এবং আনন্দ পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি ড. হাসান উল হায়দার। সভার কার্যক্রম পরিচালনা করেন সমিতির প্রকল্প পরিচালক ও সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি গাজী মো. মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ও আনন্দ পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি ড. হাসান উল হায়দার, বাংলাদেশ পুলিশের (এসপিবিএন) ডিআইজি ও আনন্দ পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির সহ–সভাপতি ড. শোয়েব রিয়াজ আলম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর ও আনন্দ পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির সহ–সভাপতি আব্দুস সালাম সরকার, বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (র‍্যাব সদর দপ্তর) ও আনন্দ পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মোশাররফ হোসেন ও বাংলাদেশর পুলিশের সুপার (ডেভলপমেন্ট) এবং আনন্দ পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির কোষাধ্যক্ষ মো. ওবায়েদুল ইসলাম খান।

প্রকল্প পরিচালক গাজী মো. মোজাম্মেল হক বলেন, “সরকারি সকল নীতিমালা মেনে গত ২০ বছর ধরে দেশের আবাসন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে আনন্দ হাউজিং। ৭২৫ বিঘা আয়তনের এই সুবিশাল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সহজ ছিল না। সংশ্লিষ্টদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং ১৩৪৪ জন গ্রাহকের আস্থার ফলেই আজ আনন্দ হাউজিং এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পূর্বাচল ও জলসিঁড়ি আবাসনের মতো ব্যয়বহুল প্রকল্পের সন্নিকটে থেকেও আনন্দ হাউজিং সাশ্রয়ী মূল্যে নিষ্কণ্টক জমি নিশ্চিত করছে। আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল তুলে ধরে তিনি জানান, পাতাল রেলের সুবিধা চালু হলে মাত্র ৩৮ মিনিটে এই প্রকল্প এলাকা থেকে মতিঝিলে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।

বার্ষিক সাধারণ সভায় গ্রাহকদের সামনে প্রকল্পের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি গ্রাহকদের নানা সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান দেয় কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতে প্রকল্পটি আরও আধুনিক ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।

সভায় গ্রাহকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়ের পাশাপাশি প্রকল্পটিকে সামনে এগিয়ে নিতে আলোচনা করেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। সেই সঙ্গে গ্রাহকদের নানা সমস্যার তাৎক্ষনিক সমাধান দেন তারা। সভায় প্রকল্পের আয়–ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব গ্রাহকদের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। একইসঙ্গে সামনের বছরগুলোতেও বার্ষিক সভা সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে সব গ্রাহকের সহযোগিতা চেয়েছে আনন্দ হাউজিং কর্তৃপক্ষ।

সম্পর্কিত