চরচা ডেস্ক

স্বল্পআয়ের জনগোষ্ঠীর রোগ প্রতিরোধ, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয় হ্রাস এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবনে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের। তিনি বলেন, টেকসই দারিদ্র্য বিমোচন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশে সুস্থ জনগোষ্ঠীর কোনো বিকল্প নেই। দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে হলে তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা জরুরি। অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা ব্যয় অনেক পরিবারকে আর্থিক সংকটে ফেলে এবং উদ্যোক্তাদের উৎপাদনশীলতা ও আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয়ের হার বিশ্বের মধ্যে বেশি; এ ব্যয় কমাতে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, পিকেএসএফ দীর্ঘদিন ধরে সহযোগী সংস্থাসমূহের মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন অ-আর্থিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। সরকারের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও মাতৃস্বাস্থ্য-সংক্রান্ত নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে পিকেএসএফ প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বাস্তবায়েনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কর্মসংস্থানের জন্য সুস্বাস্থ্যের অধিকারী উদ্যোক্তা সৃষ্টির অংশ হিসেবে পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাসমূহকে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু করে। এক্ষেত্রে যে অর্থ ব্যয় হবে তা বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে পিকেএসএফের ৩৯টি সহযোগী সংস্থার ৪৫৪টি শাখার মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। গর্ভবতী ও প্রসূতি মা, নবজাতক ও পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, কিশোর-কিশোরী, প্রজননক্ষম নারী, প্রবীণ ব্যক্তি এবং প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করা হবে। পর্যায়ক্রমে পিকেএসএফ-এর সহযোগী সংস্থাদের সামগ্রিক কার্যক্রমভুক্ত গ্রাহকদের মধ্যে এ সেবা ব্যপ্ত করা হবে।
উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থার প্রধান নির্বাহী ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন এবং কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পিকেএসএফের প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

স্বল্পআয়ের জনগোষ্ঠীর রোগ প্রতিরোধ, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয় হ্রাস এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবনে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের। তিনি বলেন, টেকসই দারিদ্র্য বিমোচন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশে সুস্থ জনগোষ্ঠীর কোনো বিকল্প নেই। দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে হলে তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা জরুরি। অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা ব্যয় অনেক পরিবারকে আর্থিক সংকটে ফেলে এবং উদ্যোক্তাদের উৎপাদনশীলতা ও আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয়ের হার বিশ্বের মধ্যে বেশি; এ ব্যয় কমাতে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, পিকেএসএফ দীর্ঘদিন ধরে সহযোগী সংস্থাসমূহের মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন অ-আর্থিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। সরকারের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও মাতৃস্বাস্থ্য-সংক্রান্ত নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে পিকেএসএফ প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বাস্তবায়েনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কর্মসংস্থানের জন্য সুস্বাস্থ্যের অধিকারী উদ্যোক্তা সৃষ্টির অংশ হিসেবে পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাসমূহকে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু করে। এক্ষেত্রে যে অর্থ ব্যয় হবে তা বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে পিকেএসএফের ৩৯টি সহযোগী সংস্থার ৪৫৪টি শাখার মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। গর্ভবতী ও প্রসূতি মা, নবজাতক ও পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, কিশোর-কিশোরী, প্রজননক্ষম নারী, প্রবীণ ব্যক্তি এবং প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করা হবে। পর্যায়ক্রমে পিকেএসএফ-এর সহযোগী সংস্থাদের সামগ্রিক কার্যক্রমভুক্ত গ্রাহকদের মধ্যে এ সেবা ব্যপ্ত করা হবে।
উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থার প্রধান নির্বাহী ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন এবং কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পিকেএসএফের প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, গত রোববার ঢাকার গুলশানে অবস্থিত ঢাকা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিবসটি উদযাপনের অংশ হিসেবে আয়োজিত এমএসএমই পণ্য প্রদর্শনী মেলায় ঢাকা ব্যাংকের ঋণ সহায়তাপ্রাপ্ত পাঁচজন নারী উদ্যোক্তা তাঁদের উদ্ভাবনী পণ্য প্রদর্শন করেন।