চরচা ডেস্ক

ঠাকুরগাঁওয়ের আর কে স্টেট উচ্চবিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করেছে সহযোগ। প্রতিষ্ঠানটির ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির একজন করে মোট দুজন শিক্ষার্থী ‘সহযোগ প্রেরণা বৃত্তি’ নামের এই বৃত্তি পেয়েছে।
বৃত্তি প্রদানের লক্ষ্যে সহযোগের তিন সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদের সহকারী অধ্যাপক দীপ্তি দত্ত, কবি ও শিল্পী তোফায়েল আহমেদ পদ্ম এবং লেখক ও সাংবাদিক ফজলুল কবির নেলসন ঠাকুরগাঁওয়ের আর কে স্টেট উচ্চবিদ্যালয়ে গতকাল রোববার দিনব্যাপী একটি কার্যক্রমের আয়োজন করেন। এতে সহযোগিতা করেন শিল্পী ও শিল্প শিক্ষক আশরাফুল আলম শাওন। সার্বিক বিষয়ে সহযোগিতা করেন আর কে স্টেট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম।
এই বৃত্তি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গতকাল রোববার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে দিনব্যাপী আয়োজন করে সহযোগ। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির মোট ৪৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির নাট্যদলের ছয়জন সদস্য স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সারাদিন সহযোগের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

সকালের স্কুল অ্যাসেম্বলি থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী চলা ‘নিজের গল্প বলি’ কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের গ্রাম ও এলাকার গল্প লিখেছে, ছবি এঁকেছে। সেখানে উঠে এসেছে নিজের গল্প, গ্রামের গল্প, গাছ ও নদীর গল্প, ফুল, মেলা, খেলা, প্রাণ ও প্রকৃতির গল্প। পরে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের লেখা ও আঁকা নিয়ে তৈরি করা হয় একটি দেয়ালিকা।
দিন শেষে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে আরাবি আক্তার ও নবম শ্রেণি থেকে সোনিয়া আক্তারকে ‘সহযোগ প্রেরণা বৃত্তি’র জন্য নির্বাচিত করা হয়। বৃত্তির সনদ, বই ও বৃত্তির মূল্যমান শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম ও সহযোগের পক্ষে দীপ্তি দত্ত।

সহযোগ জানায়, মুখস্তনির্ভর পরীক্ষাপদ্ধতিতে তথাকথিত মেধা যাচাইয়ের যে প্রক্রিয়া, তা বিভ্রান্তিকর। সহযোগ মনে করে, প্রতিটি শিশু তার নিজের মতো করে সম্ভাবনাময়। পাঠ্যবইকেন্দ্রিক শিক্ষা এবং পাস-ফেল বা ভালো ফলাফল দিয়ে আসলে সবসময় এই সম্ভাবনাকে চিহ্নিত ও বিকশিত করা যায় না। নিজের চারপাশ, সেখানকার মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গে যোগ না থাকলে মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ হওয়া যায় না। সহযোগ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দিনব্যাপী কাজ করে শেষ পর্যন্ত দুজনকে বৃত্তির জন্য নির্বাচন করেছে। এ দুই শিক্ষার্থীকে নিজ অঞ্চল, মানুষ ও প্রকৃতি সংলগ্ন হয়ে কিছু কাজ করতে হবে। নির্ধারিত সেসব কাজের বিনিময়েই তারা প্রেরণা বৃত্তিটি পাবে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সহযোগের প্রতিনিধি হিসেবে আশরাফুল আলম শাওন এ বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবেন এবং তাদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে বৃত্তিটি নবায়ন হবে।
কেন দুজন শিক্ষার্থী মাত্র–এমন প্রশ্নের উত্তরে সহযোগ জানায়, শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ জায়গায় সম্ভাবনাময়। কিন্তু সহযোগের সামর্থ্য সীমিত। এ কারণে অনেক কঠিন হলেও দুজনকে মাত্র নির্বাচন করতে হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের আর কে স্টেট উচ্চবিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করেছে সহযোগ। প্রতিষ্ঠানটির ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির একজন করে মোট দুজন শিক্ষার্থী ‘সহযোগ প্রেরণা বৃত্তি’ নামের এই বৃত্তি পেয়েছে।
বৃত্তি প্রদানের লক্ষ্যে সহযোগের তিন সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদের সহকারী অধ্যাপক দীপ্তি দত্ত, কবি ও শিল্পী তোফায়েল আহমেদ পদ্ম এবং লেখক ও সাংবাদিক ফজলুল কবির নেলসন ঠাকুরগাঁওয়ের আর কে স্টেট উচ্চবিদ্যালয়ে গতকাল রোববার দিনব্যাপী একটি কার্যক্রমের আয়োজন করেন। এতে সহযোগিতা করেন শিল্পী ও শিল্প শিক্ষক আশরাফুল আলম শাওন। সার্বিক বিষয়ে সহযোগিতা করেন আর কে স্টেট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম।
এই বৃত্তি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গতকাল রোববার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে দিনব্যাপী আয়োজন করে সহযোগ। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির মোট ৪৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির নাট্যদলের ছয়জন সদস্য স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সারাদিন সহযোগের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

সকালের স্কুল অ্যাসেম্বলি থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী চলা ‘নিজের গল্প বলি’ কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের গ্রাম ও এলাকার গল্প লিখেছে, ছবি এঁকেছে। সেখানে উঠে এসেছে নিজের গল্প, গ্রামের গল্প, গাছ ও নদীর গল্প, ফুল, মেলা, খেলা, প্রাণ ও প্রকৃতির গল্প। পরে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের লেখা ও আঁকা নিয়ে তৈরি করা হয় একটি দেয়ালিকা।
দিন শেষে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে আরাবি আক্তার ও নবম শ্রেণি থেকে সোনিয়া আক্তারকে ‘সহযোগ প্রেরণা বৃত্তি’র জন্য নির্বাচিত করা হয়। বৃত্তির সনদ, বই ও বৃত্তির মূল্যমান শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম ও সহযোগের পক্ষে দীপ্তি দত্ত।

সহযোগ জানায়, মুখস্তনির্ভর পরীক্ষাপদ্ধতিতে তথাকথিত মেধা যাচাইয়ের যে প্রক্রিয়া, তা বিভ্রান্তিকর। সহযোগ মনে করে, প্রতিটি শিশু তার নিজের মতো করে সম্ভাবনাময়। পাঠ্যবইকেন্দ্রিক শিক্ষা এবং পাস-ফেল বা ভালো ফলাফল দিয়ে আসলে সবসময় এই সম্ভাবনাকে চিহ্নিত ও বিকশিত করা যায় না। নিজের চারপাশ, সেখানকার মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গে যোগ না থাকলে মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ হওয়া যায় না। সহযোগ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দিনব্যাপী কাজ করে শেষ পর্যন্ত দুজনকে বৃত্তির জন্য নির্বাচন করেছে। এ দুই শিক্ষার্থীকে নিজ অঞ্চল, মানুষ ও প্রকৃতি সংলগ্ন হয়ে কিছু কাজ করতে হবে। নির্ধারিত সেসব কাজের বিনিময়েই তারা প্রেরণা বৃত্তিটি পাবে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সহযোগের প্রতিনিধি হিসেবে আশরাফুল আলম শাওন এ বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবেন এবং তাদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে বৃত্তিটি নবায়ন হবে।
কেন দুজন শিক্ষার্থী মাত্র–এমন প্রশ্নের উত্তরে সহযোগ জানায়, শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ জায়গায় সম্ভাবনাময়। কিন্তু সহযোগের সামর্থ্য সীমিত। এ কারণে অনেক কঠিন হলেও দুজনকে মাত্র নির্বাচন করতে হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এম সারওয়ারউদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংকের পরিচালক রুমানা শরীফ, পরিচালক রানা লায়লা হাফিজ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. আলী।