প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও ক্ষতিকর চর্বি সম্পর্কে ভোক্তাদের সহজে বোঝার উপযোগী তথ্য নিশ্চিত করতে এবং কার্যকর ফ্রন্ট অফ প্যাক লেবেলিং (এফওপিএল) প্রবিধান বাস্তবায়নের পক্ষে জনদাবি জোরদার করতে মাসব্যাপী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রচারাভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছেন তরুণরা।
আজ সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন জানায়, রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ‘আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে জনদাবি: বাংলাদেশে নীতিগত উদ্যোগের জন্য তরুণদের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব বিষয় উঠে আসে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (আইন ও নীতি) ও যুগ্ম সচিব মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) সিনিয়র পলিসি অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি কনসালট্যান্ট মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস এবং ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের কারিগরি উপদেষ্টা আমিনুল ইসলাম সুজন।
স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী মাহবুবা রহমান।
কর্মশালায় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের নীতিগত প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, এক মাস ধরে তথ্যভিত্তিক পোস্ট, সংক্ষিপ্ত ভিডিও, কুইজ ও তরুণদের বক্তব্যের মাধ্যমে এফওপিএল বিষয়ে জনআলোচনা জোরদার করা হবে। প্রচারাভিযানের মূল লক্ষ্য শুধু সচেতনতা বৃদ্ধি নয়, বরং কার্যকর, বাধ্যতামূলক ও প্রমাণভিত্তিক এফওপিএল প্রবিধান দ্রুত চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নের পক্ষে জনদাবি তৈরি করা।
কর্মশালায় তরুণরা তাদের মতামত ও সম্ভাব্য প্রচার কার্যক্রম তুলে ধরেন।
অধিবেশনটি পরিচালনা করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের এফওপিএল প্রকল্পের সমন্বয়কারী মাহবুবা রহমান। সমাপনী পর্বে অ্যাডভোকেসি ও ক্যাম্পেইন বিষয়ক কর্মসূচি কর্মকর্তা মারজানা মুনতাহা পরবর্তী পদক্ষেপ তুলে ধরেন।