চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশে জলবায়ু সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সহযোগিতা করবে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনে (পিকেএসএফ)। একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল সোমবার এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ), জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করেন। সভায় বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, কৃষি-পরিবেশগত প্রযুক্তি, টেকসই উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং সামগ্রিক খাদ্যব্যবস্থার ইতিবাচক রূপান্তর ঘটানোর লক্ষ্যে অংশীদারত্ব জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদেরের সভাপতিত্বে এ সভায় বক্তব্য দেন ইফাদ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. ভ্যালেন্টাইন আচাঞ্চো, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির ডেপুটি হেড অব প্রোগ্রাম মাইবেথ ব্ল্যাঙ্ক, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ দিয়া সানো এবং পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
ড. আচাঞ্চো বলেন, “টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ইফাদ উপকারভোগীদের কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে অর্থায়ন সহায়তা প্রদান করে থাকে।”
মো. ফজলুল কাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতের প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিষয়টি নিয়ে মো. ফজলুল কাদের বলেন, “শুধু অর্থায়ন কোনো ম্যাজিক দেখাতে পারে না। টেকসই রূপান্তরের জন্য অর্থায়নের পাশাপাশি কারিগরি সহায়তা, বাজারে প্রবেশাধিকার, উদ্ভাবন এবং সক্ষমতা উন্নয়নের সমন্বিত প্রয়াস প্রয়োজন।”
মো. ফজলুল কাদের আরও বলেন, “পিকেএসএফ চাহিদাভিত্তিক কারিগরি সহায়তা, স্বল্পব্যয়ী উদ্যোগ, মূল্য সংযোজনমূলক কৃষি, সম্পদ-সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন উৎপাদন এবং প্রকল্প সমাপ্তির পরও টেকসই থাকে, এমন বাজারভিত্তিক সমাধানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।”
খাদ্য নিরাপত্তা, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতার সক্ষমতা জোরদারে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত খাদ্য পরীক্ষাগার ও সনদায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন মো. ফজলুল কাদের।
এ সময় পিকেএসএফ, ডব্লিউএফপি, ইফাদ এবং এফএওর অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে জলবায়ু সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সহযোগিতা করবে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনে (পিকেএসএফ)। একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল সোমবার এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ), জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করেন। সভায় বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, কৃষি-পরিবেশগত প্রযুক্তি, টেকসই উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং সামগ্রিক খাদ্যব্যবস্থার ইতিবাচক রূপান্তর ঘটানোর লক্ষ্যে অংশীদারত্ব জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদেরের সভাপতিত্বে এ সভায় বক্তব্য দেন ইফাদ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. ভ্যালেন্টাইন আচাঞ্চো, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির ডেপুটি হেড অব প্রোগ্রাম মাইবেথ ব্ল্যাঙ্ক, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ দিয়া সানো এবং পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
ড. আচাঞ্চো বলেন, “টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ইফাদ উপকারভোগীদের কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে অর্থায়ন সহায়তা প্রদান করে থাকে।”
মো. ফজলুল কাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতের প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিষয়টি নিয়ে মো. ফজলুল কাদের বলেন, “শুধু অর্থায়ন কোনো ম্যাজিক দেখাতে পারে না। টেকসই রূপান্তরের জন্য অর্থায়নের পাশাপাশি কারিগরি সহায়তা, বাজারে প্রবেশাধিকার, উদ্ভাবন এবং সক্ষমতা উন্নয়নের সমন্বিত প্রয়াস প্রয়োজন।”
মো. ফজলুল কাদের আরও বলেন, “পিকেএসএফ চাহিদাভিত্তিক কারিগরি সহায়তা, স্বল্পব্যয়ী উদ্যোগ, মূল্য সংযোজনমূলক কৃষি, সম্পদ-সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন উৎপাদন এবং প্রকল্প সমাপ্তির পরও টেকসই থাকে, এমন বাজারভিত্তিক সমাধানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।”
খাদ্য নিরাপত্তা, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতার সক্ষমতা জোরদারে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত খাদ্য পরীক্ষাগার ও সনদায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন মো. ফজলুল কাদের।
এ সময় পিকেএসএফ, ডব্লিউএফপি, ইফাদ এবং এফএওর অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।