Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ আগস্ট, ২০২৬
২৮ আগস্ট, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ আগস্ট, ২০২৬
২৮ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

ভারত–তালেবান ঘনিষ্ঠতায় অস্বস্তিতে পাকিস্তান

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০: ৫৮
ভারত–তালেবান ঘনিষ্ঠতায় অস্বস্তিতে পাকিস্তান

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্তে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সীমান্তে সংঘর্ষের পর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ ভারতের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি অভিযোগ এনেছেন।

তিনি দাবি করেছেন, ”ভারত আফগান তালেবান নেতৃত্বকে প্রভাবিত করছে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষের পেছনে ভারতীয় কৌশল কাজ করছে।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

যদিও এই অভিযোগের কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি, এটি পাকিস্তানের কূটনৈতিক আস্থা ও নিরাপত্তা চিন্তার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আসিফ বলেন, “তালেবান নেতৃত্বকে আমি সম্মান করি, কিন্তু কাবুলে যারা নকশা করছে, তারা দিল্লির নিয়ন্ত্রণে।”

তিনি দাবি করেন, ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ছায়া যুদ্ধ করতে চাইছে এবং কাবুলকে ব্যবহার করছে। পাকিস্তান সীমান্তে আগের সংঘর্ষের সময়ও আসিফ তালেবানকে ‘ভারতের গর্ভে বসা’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

এই ঘোষণাগুলো এমন সময় এসেছে যখন আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সীমান্তে শান্তি আলোচনা ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ইসলামাবাদ–দোহা–ইস্তানবুলের মধ্যস্থতায় চুক্তি করতে চেষ্টা করলেও সীমান্তে সামরিক সংঘর্ষের ঘটনাগুলো ভয়ের ছাপ রেখেছে।

ভারত–আফগান সম্পর্কের উষ্ণতা

২০২১ সালে তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর ভারত ধীরে ধীরে কাবুলের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে হাঁটছে। সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুতাকির সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত আফগান প্রদেশগুলোতে ত্রাণ পাঠিয়েছেন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো–নয়াদিল্লি দীর্ঘ চার বছর পর কাবুলে নিজস্ব দূতাবাস পুনরায় চালু করেছে। এসব পদক্ষেপ পাকিস্তানের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা উদ্বেগ

ইসলামাবাদের অভিযোগ, তালেবান সরকার আফগান ভূখণ্ডে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) নামের বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় এসব গোষ্ঠী পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। যদিও তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে, পাকিস্তান বিষয়টিকে ‘ভারতের ছায়া যুদ্ধ’ হিসেবে দেখছে। বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই অবস্থান তার ঐতিহাসিক ‘স্ট্র্যাটেজিক ডেপথ’ নীতির ফল, যার লক্ষ্য আফগানিস্তানকে ভারতের প্রভাবমুক্ত রাখা।

আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা ও কূটনীতি

দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভারত তার কূটনৈতিক অবস্থান শক্ত করতে চাইছে। আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য ও উন্নয়ন সহায়তার মাধ্যমে নয়াদিল্লি নতুন প্রভাব তৈরি করছে। অপরদিকে পাকিস্তান মনে করছে-ভারতের এই উদ্যোগ কেবল মানবিক নয়, বরং কৌশলগতভাবে ইসলামাবাদকে ঘিরে ধরার অংশ। ফলে পাকিস্তান এখন তার প্রতিটি সীমান্তে নিরাপত্তা উদ্বেগে ভুগছে।

বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক ইব্রাহিম বাহিস বলেন, “পাকিস্তান আফগানিস্তানকে সরাসরি শত্রু হিসেবে নয়, বরং ভারতের সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখছে।”

তিনি আরও বলেন, “যখন পাকিস্তান বলে ভারত তালেবান ও বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের একসঙ্গে পরিচালনা করছে, তখন তা বাস্তবতার তুলনায় বেশি রাজনৈতিক বয়ান হয়ে যায়।”

অন্যদিকে ইসলামাবাদ ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের আমিনা খান মনে করেন, “পাকিস্তান এখন বুঝতে পারছে যে আফগানিস্তান নিজস্ব সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, এবং সেই সিদ্ধান্তে ভারতের ভূমিকা ক্রমেই বাড়ছে–যা ইসলামাবাদ মেনে নিতে পারছে না।”

সম্ভাব্য উত্তেজনার ঝুঁকি

দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে উত্তেজনা নতুন নয়, কিন্তু এবার তা আফগান সংযোগে নতুন মাত্রা পেয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তান ও ভারত উভয়েই সীমান্তে সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে, এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বক্তব্যেও যুদ্ধের আভাস মিলছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন–যদি এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন সামরিক উত্তেজনায় রূপ নেয়, তবে তা সমগ্র অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

বিষয়:

পাকিস্তানআফগানিস্তাননিরাপত্তাতালেবানভারত
১

ক্রিকেটের উন্নয়নে ওয়ালটনের সহযোগিতা প্রত্যাশা তামিমের

২

পূর্ণ সংস্কারের দাবিতে সংসদ থেকে বিরোধীদের ওয়াকআউট

৩

একীভূত ৫ ব্যাংক: চেক বই, ডিপিএস, এফডিআর ও শাখার কী হবে

৪

চেক জালিয়াতির মামলায় ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

৫

আমেরিকা–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধে চীনের লাভ

সম্পর্কিত

আমেরিকা–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধে চীনের লাভ

আমেরিকা–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধে চীনের লাভ

চীন এই সংঘাতকে শুধু অর্থনৈতিক সুযোগ হিসেবে দেখছে না; এটি তার জন্য একটি কূটনৈতিক প্রচারেরও সুযোগ। বেইজিং দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, যুক্তরাষ্ট্র তার অর্থনৈতিক শক্তিকে ব্যবহার করে অন্য দেশগুলোর ওপর একতরফা চাপ সৃষ্টি করে।

যুক্তরাষ্ট্র: চিরস্থায়ী শত্রু নয়, দরকার বাস্তব কূটনীতি

যুক্তরাষ্ট্র: চিরস্থায়ী শত্রু নয়, দরকার বাস্তব কূটনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো— কোনো কোনো দেশকে একবার শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার পর দীর্ঘদিন সেই অবস্থান থেকে বের হতে না দেওয়া। বিশ্ব রাজনীতিতে ‘ফরেভার ওয়ার’ বা চিরস্থায়ী যুদ্ধ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কিন্তু ‘ফরেভার এনিমি’

ভবিষ্যতে পৃথিবীতে যথেষ্ট মানুষ থাকবে?

ভবিষ্যতে পৃথিবীতে যথেষ্ট মানুষ থাকবে?

একসময় মানবসভ্যতার সবচেয়ে বড় জনসংখ্যাগত ভয় ছিল অতিরিক্ত মানুষ। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, খাদ্যসংকট, সম্পদের সীমাবদ্ধতা এবং পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ নিয়ে বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে এসে সেই চিত্র দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এখন প্রশ্নটি আর শুধু ‘পৃথিবীত

বাটন ফোন ছাড়তে প্রস্তুত দেশের ৭ কোটি মানুষ?

বাটন ফোন ছাড়তে প্রস্তুত দেশের ৭ কোটি মানুষ?

এক হাতে বাটন ফোন, অন্য হাতে স্মার্টফোন। মোবাইল যোগাযোগের দুই ভিন্ন যুগের প্রতীক এই দুই ডিভাইস। বাংলাদেশ এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।