
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “কোনো ইস্যুই এমন নয়, যা দুই দেশ বসে সমাধান করতে পারে না। আলোচনার মাধ্যমে এসব বিষয় নিষ্পত্তি করা সম্ভব এবং দুই দেশের জন্যই তা হবে পারস্পরিক লাভজনক।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সাক্ষাতে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।

এর আগে ৪ আগস্ট ভারত নিশ্চিত করে যে, বিমসটেক-এর বর্তমান সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই তার জন্য ভারতের একটি পৃথক দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ বলবৎ রয়েছে।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার এবং এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায় না—এমন কোনো সমস্যা নেই। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করলেই বিষয়গুলো ইতিবাচকভাবে এগোবে। আজ বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে পৃথক ব্রিফিংয়ে সাংবাদ

মৃতদের মধ্যে চারজন আলীরটেক ইউনিয়নের, একজন পাশের ইউনিয়ন বক্তাবলীর এবং আরেকজন মুন্সিগঞ্জের রিকাবিবাজার এলাকার বাসিন্দা। সবাই একে অপরের আত্মীয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের দিল্লিতে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ নিযুক্ত দেশটির ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়েকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মজার বিষয় হলো, ঢাকাও অনেকটা একই কৌশল ব্যবহার করছে বলে মনে হচ্ছে। তারা জানে যে, বাংলাদেশে পাকিস্তান ও চীনের প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় নয়াদিল্লির উদ্বেগ বাড়ছে।

হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সেতু বন্ধনে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সংসদীয় প্রতিনিধিদলের দ্বিপক্ষীয় সফর বিনিময়ের মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে।”

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নভেম্বরে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার হিসেবে তাকে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরেছে, তাই ভিসা কেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তিনি হাইকমিশনারকে আশ্বস্ত করে বলেন, কোনো ধরনের মব হামলা আর ঘটতে দেওয়া হবে না।

জাতিসংঘের কর্মকর্তা মনে করিয়ে দেন, যেকোনো সশস্ত্র সংঘাতের চূড়ান্ত মূল্য দিতে হয় সাধারণ নাগরিকদের। ক্ষেপণাস্ত্র বা বোমা কখনোই কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না।

দুই বছরে যে বড় ধরনের পরিবরর্তন আনা যাবে, সে কথা বলব না। তবে আমার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশে ইউনিভারসিটি অফ ক্যানবেরার ক্যাম্পাসটি হলে আমাদের শিক্ষার্থীরা লাভবান হবেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তি মোকাবেলায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে হত্যার প্রতিবাদে ভারতের নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিশাল বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর কথিত নির্যাতন এবং ধর্মীয় উপাসনালয় ভাঙচুরের নিন্দা জানাতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) এবং বজরং দল এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছে। ভারতীয় সংবাদ

নয়াদিল্লি, কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে থাকা বাংলাদেশ মিশন নিয়ে উদ্ভূত নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে।

হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এবং জাতির বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্নে প্রবাসীদের ভূমিকা ও অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি ’৭১ ও ’২৪ এর শহীদ ও বীর যোদ্ধাদের আকাঙ্ক্ষার সফল বাস্তবায়নে সকলকে একযোগে কাজ করতে আহ্বান জানান।

বৈঠকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও জোরদার করা বিশেষত সংস্কৃতি, ব্যবসা, শিক্ষা, উদ্ভাবন ও প্রবাসীদের সাফল্যকে বিশ্বমঞ্চে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা নিয়ে আলোচনা করেন এমবিএফএ নেতারা।

অনিয়মিত প্রবাসীদের বৈধতা প্রসঙ্গে হাইকমিশনার বলেন, 'এই বিষয়টা প্রধান উপদেষ্টার সফরের সময় মালয়েশিয়ার সরকারকে বলা হয়েছে। আমরাও বলে থাকি। সামনেও বলব। কিন্তু বৈধতা দেওয়ার বিষয়টা সম্পূর্ণ মালয়েশিয়ার সরকারের ব্যাপার।’

মালয়েশিয়ার সাবাহর প্রাদেশিক সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক পৃথক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা।