
সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নববর্ষ পালনের বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় রীতিনীতি নিয়ে এই লেখা। ইরানের নওরোজ উৎসব থেকে শুরু করে স্পেনের মধ্যরাতে ১২টি আঙুর খাওয়ার অদ্ভুত প্রথা, ব্রাজিলের সমুদ্রসৈকতে সাদা পোশাকে ঢেউ ডিঙানো এবং থাইল্যান্ডের সংক্রানে জল উৎসব—সবই উঠে এসেছে এখানে।
পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতিতেই নববর্ষ পালনের রীতি আছে। আছে ভিন্ন সময় আর ভিন্ন রীতিনীতি। এই লেখায় তুলে ধরা হয়েছে নববর্ষের সেইসব ভিন্ন রীতিনীতি।

জ্বালানির চাহিদা কমাতে কোম্পানিগুলোকে তাদের কর্মীদের যখনই সম্ভব বাসা থেকে কাজ করার অনুমতি দিতে উৎসাহিত করা হয়েছে।

১৯৭৯ সালে সমাজতান্ত্রিক দুই রাষ্ট্র চীন ও ভিয়েতনামের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়। হো চি মিনের যুগের ঘনিষ্ঠ মিত্রতা ভেঙে পড়ে ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায়। এই সংঘাত দেখায়, আদর্শ নয়-সীমান্ত ও ক্ষমতার হিসাবই শেষ পর্যন্ত নির্ধারক।

ভিয়েতনামের এই বৃহৎ করপোরেট গোষ্ঠীগুলো যদি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তখন কি হবে? তাদের কীভাবে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে? এই বিষয়টি একদমই অস্পষ্ট।

টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই ঘটনার ভিন্ন আরেকটি অনুসন্ধানে জানা গেছে, চীন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামে প্রতারকেরা প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছে। এমনকি টাকার বিনিময়ে তারা প্রশ্নপত্রগুলো বিক্রি করেছে।

গল্পের গোড়াতেই জেনেছিলাম, ভিয়েতনাম ব্যুরোর পিকচার এডিটর ও ফটোসাংবাদিক হর্স্ট ফাস ছবিটির ক্যাপশন থেকে স্ট্রিঙ্গারের নাম সরিয়ে নিক উটের নাম বসিয়েছিলেন। সবার বক্তব্য পাওয়া গেলেও এই ফাসের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি, তার আগেই তিনি মারা যান।

ফিলিপাইনসের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।

এ বছর সূচকে চীনের অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো। ২০২৪ সালে ১৯তম অবস্থান থেকে উঠে এসে এবার ৬ষ্ঠ হয়েছে দেশটি। অন্যদিকে মালয়েশিয়া প্রথমবারের মতো শীর্ষ ১০-এ প্রবেশ করেছে। ভিয়েতনাম রয়েছে ৫ম স্থানে।

এএফসি অনূর্ধ্ব–২৩ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে সিঙ্গাপুরকে ৪–১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

হঠাৎ কী এমন হলো যে ৭৬ বছর পর বিভাগের নাম বদল করার দরকার পড়ল? তাহলে কী আমেরিকা বড় কোনো যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে?

দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ করা দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম। ২০২৪ সালে দেশটিতে প্রায় ১ কোটি ৭৫ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পর্যটন বাজারে ভিয়েতনামের এমন আধিপত্য দীর্ঘদিনের, যেটিকে আরও এগিয়ে নিতে চাইছে দেশটির সরকার।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্য রপ্তানির ওপর যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন, তার জেরে সবচয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্ররাই।