
আগামী ১২ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছেন না বিদায়ী সংসদের স্পিকার। স্পিকার পদত্যাগ করেছেন, ডেপুটি স্পিকার কারাগারে। তাহলে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার আগে সংসদ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করবেন কে?

সংসদ সদস্যরা নিজেরাও অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য তাদের মধ্য থেকে একজনকে মনোনীত করতে পারেন। যার সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়ে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে।

বিভিন্ন মহলের সমালোচনার জবাবে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ১১ ডিসেম্বর রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমি বিদায় নিতে আগ্রহী। আমি এখান থেকে চলে যেতে চাই। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছে বলেই আমি এ অবস্থানে আছি।”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথ পড়াবেন কে? সংসদ ভেঙে দেওয়া, স্পিকারের পদত্যাগ, ডেপুটি জেলে থাকায় এ প্রশ্ন উঠছে ঘুরে ফিরে। এ বিষয়ে কী আছে সংবিধোনে? চরচার আলোচনায় উত্তর খোঁজা হয়েছে এসব প্রশ্নের।

নতুন এমপিদের শপথ পড়ান সংসদের স্পিকার। সেই হিসেবে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর শপথ পড়ানোর কথা।

নির্বাচন কাছে চলে আসায় সংসদ সচিবালয় আনুষাঙ্গিক কাজের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই হিসেবে সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

কোন কোন নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা স্পিকারের কাছে শপথ পাঠ করেননি? কী হয়েছিল সেবার?বিজয়ী সংসদ সদস্যরা স্পিকারের কাছে শপথ পাঠ করেননি? কী হয়েছিল সেবার?