
কিন লিখেছেন, “বিএনপি এখনো জয়ের ব্যাপারে ফেবারিট হলেও, অল্প ব্যবধানে জয়কে বিএনপি সমর্থকেরা ভালো ফলাফল হিসেবে দেখবে না। বিএনপির জন্য এর বিপদটা হলো–এটি জামায়াতকে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেবে।”

পাকিস্তানের সংসদ দেশটির সেনাপ্রধানের ক্ষমতা বাড়ানো এবং সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার সীমিত করার সংবিধান সংশোধনী বিল অনুমোদন করেছে। সমালোচকরা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত দেশটির গণতন্ত্রের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে। শুধু তাই নয়, এই পরিবর্তনে ক্ষমতা আরও বেশি কেন্দ্রীভূত হচ্ছে সেনাবাহিনী ও শাসক জোটের হাতে।

আগামী সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. মো. হেলাল উদ্দিন। সম্প্রতি তিনি চরচার সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

সাম্প্রতিক রাজনীতির গতিপথ নিয়ে চরচায় আলোচনা করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ সম্পর্কিত সুপারিশ পেশ করেছে ঐকমত্য কমিশন। এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। আলোচনা তুঙ্গে। একচেটিয়া শাসন যেন ফিরে না আসে, সে জন্য সংবিধান সংস্কারে জোর দেওয়া হয়েছে। ব্যারিস্টার শাহদীন মালিক প্রশ্ন রেখেছেন–সংবিধান ভালো হলেই দেশ ভালো হয়ে যাবে, এটা একটা উদ্ভট ধারণা।

আসক আরও জানায়, দেশের উচ্চ আদালত আগেই স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন–গ্রাম্য সালিশ বা কোনো অ-বিচারিক কাঠামোর দ্বারা শারীরিক শাস্তি বা জরিমানা আইনসম্মত নয়।

মানুষের জীবনে টের পাওয়া যায় এমন পরিবর্তন আনতে অনেক বড় আলোচনার প্রয়োজন নেই। দরকার একটু সদিচ্ছার। সেটা যেমন দরকার সরকারের পক্ষ থেকে, তেমনি দরকার রাজনৈতিক দলগুলোর তরফেও। ৫ আগস্টের পর পুরোনো সিন্ডিকেটের লোকজন সটকে পড়েছিল। তাই টেম্পো ভাড়া থেকে শুরু করে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম সবই কমেছিল এক রকম হঠাৎ করেই।

মতাদর্শিক অবস্থান বা সামাজিক চাপের অজুহাতে শিল্প-সংস্কৃতির ওপর হামলা আইন ও মানবাধিকার বিরোধী বলে জানায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

আইন মন্ত্রণালয় ২১টা রিফর্মের কাজ করছে উল্লেখ করে আইন উপদেষ্টা বলেন, ই-রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়ে যাবে অন্তর্বর্তী সরকার। রাজনৈতিক দলগুলো বাংলাদেশকে বেশি ভালোবাসে, তারা অন্তর্বর্তী সরকারের শুরু করে যাওয়া বাকি থাকা কাজ করবে।’’

ইকবাল পার্কে সমর্থকদের উদ্দেশে জামায়াত নেতারা ২৬তম ও ২৭তম সংশোধনীকে প্রত্যাখ্যান করেন। সরকারের দাবি, শাসনব্যবস্থা আরও করতে এই সংশোধনী প্রয়োজন। কিন্তু বিরোধীদের অভিযোগ, এসব পরিবর্তন দেশের মূল সংবিধানিক কাঠামোকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

আওয়ামী লীগের পতনের পর ক্ষমতায় বসা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র সংস্কারে বিভিন্ন কমিশন গঠন করে। এরমধ্যে সংবিধান সংস্কার কমিশনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। পরে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনেও এ নিয়ে আলোচনা হয়।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এক বছর আলোচনা করে রাষ্ট্র সংস্কারে যেসব উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার সম্বলিত জুলাই জাতীয় সনদ গত ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন।

আসক আরও জানিয়েছে, শিক্ষক সমাজ জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের মূল ভিত্তি। তাদের ওপর হামলা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

আসক আরও জানিয়েছে, শিক্ষক সমাজ জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের মূল ভিত্তি। তাদের ওপর হামলা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

এ ছাড়া সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি এবং প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের মানুষদের বেঁচে থাকার বাস্তবতার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

এ ছাড়া সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি এবং প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের মানুষদের বেঁচে থাকার বাস্তবতার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

স্বয়ংক্রিয়ভাবেই যদি সংবিধান সংস্কার হয়ে যায়, তাহলে পরিষদ গঠনের কাজ কী? বলে দিলেই ভালো হতো এটাই মানতে হবে। একটা অধ্যাদেশ করে দিলেই হয়। গণভোটের দরকারই বা কী আর সেটা সংসদে রেক্টিফাই করা প্রয়োজনই বা কী।

স্বয়ংক্রিয়ভাবেই যদি সংবিধান সংস্কার হয়ে যায়, তাহলে পরিষদ গঠনের কাজ কী? বলে দিলেই ভালো হতো এটাই মানতে হবে। একটা অধ্যাদেশ করে দিলেই হয়। গণভোটের দরকারই বা কী আর সেটা সংসদে রেক্টিফাই করা প্রয়োজনই বা কী।