
আশরাফুল ইসলাম বলেন, “হামের টিকা ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় খাত থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার অশুভ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”

সোমবার দুপুরে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ বরিশাল সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে যান তিনি। পরিদর্শনের শুরুতেই টিকিট কাউন্টারে এক কর্মীকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়ায় তাৎক্ষণিক সাময়িক বরখাস্ত করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

গত ৫ এপ্রিল দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় টিকা দেওয়া শুরু হয়। ১২ এপ্রিল ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা দেওয়া শুরু হয়। ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশের শহরে ও নগরে টিকা দেওয়া শুরু হয়। চলবে ২০ মে পর্যন্ত।

হাসপাতালটির চিকিৎসা ও তত্ত্বাবধান করবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগ। মূলত শিশুদের হাম ও ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্যই এটি প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে অক্সিজেন সাপোর্ট, নেবুলাইজেশন সুবিধা, পৃথক বেড ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এক সরকারের দুর্নীতি এবং আরেক সরকারের ভুল নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। আজ সোমবার সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেশব্যাপী ‘হাম টিকাদান ক্যাম্পেইন’ উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ সকাল পর্যন্ত শেবাচিম হাসপাতালে মোট ৩০১ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অধ্যাপক ইউনূস দেশের যতগুলা সেক্টর ধ্বংস করেছেন তার মধ্যে অন্যতম হল স্বাস্থ্য সেক্টর। অন্তর্বর্তী সরকারে একজন ভাবলেশহীন নির্বিকার স্বাস্থ্য উপদেষ্টাও ছিলেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা সমাধানে তাকে কখনো সক্রিয় ও কর্মতৎপর হতে দেখা যায়নি।

হামের প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে একযোগে এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।

শিশুরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ফলভোগী এবং একই সঙ্গে গিনিপিগও। সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড টেকনোলজি (সিডিটি) নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জরিপ অনুযায়ী, আমেরিকান তরুণরা তাদের বাবা-মায়ের তুলনায় বাড়িতে এআই ব্যবহার করে বেশি। স্কুলেও তারা এআই ব্যবহার করে তাদের বাবা-মায়ের চেয়ে বেশি।

৫-১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ৯.২% শিশু শ্রমে জড়িত থাকার কথা বলা হয় প্রতিবেদনে। যা ২০১৯ সালের ৬.৮% থেকে বেশি।