চরচা প্রতিবেদক

এক সরকারের দুর্নীতি এবং আরেক সরকারের ভুল নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। আজ সোমবার সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেশব্যাপী ‘হাম টিকাদান ক্যাম্পেইন’ উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ১৫ বছরের ব্যাপক দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের টিকাদান কর্মসূচিতে ভুল নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এরপর মাত্র এক মাসের মধ্যে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে সারা দেশে টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। আর এক মাসের মধ্যে দেশের আরও ১ কোটি ৭৮ লাখ শিশুকে টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, “পুরনো অকেজো যন্ত্রপাতি, চিকিৎসাসেবার অনুপযোগী পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার অভাব–এমন এক ভগ্নপ্রায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আমরা হাতে পেয়েছি।”
বক্তব্যে ড. এম এ মুহিত বলেন, “সরকার গঠনের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে। এর মূলে রয়েছে বিগত ১৫ বছরের সীমাহীন জঞ্জাল।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা এমন এক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পেয়েছি, যেখানে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার ন্যূনতম পরিবেশ নেই, যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। হামের মতো দ্রুত সংক্রামক ব্যাধি শিশুদের সময়মতো টিকা দিলে সহজেই প্রতিরোধ করা যেত। কিন্তু সঠিক সময়ে টিকা না পাওয়ায় শিশুরা আজ আক্রান্ত হচ্ছে।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের ১ কোটি ৭৮ লাখ শিশুকে টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এক সরকারের দুর্নীতি এবং আরেক সরকারের ভুল নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। আজ সোমবার সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেশব্যাপী ‘হাম টিকাদান ক্যাম্পেইন’ উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ১৫ বছরের ব্যাপক দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের টিকাদান কর্মসূচিতে ভুল নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এরপর মাত্র এক মাসের মধ্যে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে সারা দেশে টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। আর এক মাসের মধ্যে দেশের আরও ১ কোটি ৭৮ লাখ শিশুকে টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, “পুরনো অকেজো যন্ত্রপাতি, চিকিৎসাসেবার অনুপযোগী পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার অভাব–এমন এক ভগ্নপ্রায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আমরা হাতে পেয়েছি।”
বক্তব্যে ড. এম এ মুহিত বলেন, “সরকার গঠনের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে। এর মূলে রয়েছে বিগত ১৫ বছরের সীমাহীন জঞ্জাল।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা এমন এক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পেয়েছি, যেখানে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার ন্যূনতম পরিবেশ নেই, যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। হামের মতো দ্রুত সংক্রামক ব্যাধি শিশুদের সময়মতো টিকা দিলে সহজেই প্রতিরোধ করা যেত। কিন্তু সঠিক সময়ে টিকা না পাওয়ায় শিশুরা আজ আক্রান্ত হচ্ছে।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের ১ কোটি ৭৮ লাখ শিশুকে টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যতগুলো জায়গা থেকে পানি পড়ার সমস্যা রয়েছে, তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।