
বিলিয়ন বিলিয়ন নক্ষত্র এবং আলোর প্রধান উৎস সূর্য মহাকাশে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করলেও, মহাকাশকে আমরা দেখি এক বিশাল অন্ধকার শূন্যতা হিসেবে। এই বিষয়টি প্রায়ই বিভ্রান্তি ও কৌতূহলের জন্ম দেয়। এটি মহাবিশ্বের অসংখ্য রহস্যের একটি হলেও, সৌভাগ্যবশত বিজ্ঞান এর সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিয়েছে।

জেফ বেজোসের নিউ গ্লেন রকেটের উৎক্ষেপণে বড় গোলযোগ। বুস্টার সফলভাবে নামলেও ভুল জায়গায় আটকে গেল মূল্যবান স্যাটেলাইট। ইলন মাস্কের স্পেস-এক্সের সাথে লড়াইয়ে এই ব্যর্থতা কতটা প্রভাব ফেলবে?

মহাকাশে ঘুমের সমস্যা একটি বড় বিষয়, কারণ দিনে ১৫-১৬ বার সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত ঘটে। তাই কৃত্রিম আলো ব্যবহার করে দিন-রাতের চক্র তৈরি করতে হবে।

চন্দ্রপৃষ্ঠের খুব কাছ থেকে ঘুরে এসে নাসার ইন্টিগ্রিটি ক্যাপসুল প্রশান্ত মহাসাগরে সফলভাবে অবতরণ করেছে। চারজন অভিজ্ঞ নভোচারী নিয়ে এই মিশনটি মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করল। ২০২৮ সালে চাঁদে পুনরায় মানুষ নামানোর লক্ষ্যে এই পরীক্ষামূলক ফ্লাইটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

ঐতিহাসিক চন্দ্রাভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করেছেন আর্টেমিস-২ মিশনের চার নভোচারী। আজ শনিবার সকাল ৬টা ৭ মিনিটে (যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় শুক্রবার রাত ৮টা ৭ মিনিট) তাদের বহনকারী ‘ওরিয়ন’ মহাকাশযানটি ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো উপকূলে অবতরণ করে। এর মাধ্যমে ৯ দিন ১ ঘণ্টা

আর্টেমিস-২ পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরত্বে পৌঁছে অ্যাপোলো-১৩–এর পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছে।
আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা এবার কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে! নাসার নতুন বস জ্যারেড আইজ্যাকম্যানের এক মেমোতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে। এখন আর শুধু ঘুরে আসা নয়, নাসা চায় চাঁদে স্থায়ী আস্তানা গড়তে। চীন আসুক আর না আসুক, নাসা সাফ জানিয়ে দিয়েছে,

নাসার তথ্যমতে, এদিন সন্ধ্যা ৭টা ০৫ মিনিটে তারা পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৭ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করবেন, যা আগের রেকর্ডের চেয়ে ৪ হাজার ১০২ মাইল বেশি।

পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে অজানার পথে! নাসার আর্টেমিস-২ মিশনের ওরিয়ন ক্যাপসুল এখন চাঁদের পথে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক ঐতিহাসিক থ্রাস্টার ফায়ারিংয়ের মাধ্যমে চার মহাকাশচারী পৃথিবীর কক্ষপথ ত্যাগ করেছেন।

ওরিয়ন ক্যাপসুলের ছোট জানালার ওপাশে তখন আদিগন্ত নীল রঙের এক গোলক। যে ধুলিকণায় আমাদের সব আনন্দ, সব বেদনা—সেই পৃথিবী থেকে তখন ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছেন চারজন মহাকাশচারী।

তাদের এই ১০ দিনের সফরের সফল সমাপ্তিই ঠিক করে দেবে, পরবর্তী প্রজন্মের মানুষ পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনো গ্রহে বসতি গড়তে পারবে কি না। সারা বিশ্ব এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ১০ এপ্রিলের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য, যখন ওরিয়ন সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

৫৩ বছরের বেশি সময় পর আবারও চাঁদের উদ্দেশে নভোচারী পাঠাল আমেরিকা। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের চার নভোচারী কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ‘ওরিয়ন’ ক্যাপসুলে চড়ে এ ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করেন।

দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইন শেষে তারা এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতির অপেক্ষায়। লঞ্চ ডিরেক্টর চার্লি ব্ল্যাকওয়েল-থম্পসন জানিয়েছেন, কারিগরি ও আবহাওয়াগত দিক থেকে মিশনটি এখন পর্যন্ত বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে।

চ্যাট-জিপিটি কিংবা এআই, এইসব চালাতে যে ডাটা সেন্টার দরকার, সেটা জায়গা এবং কারেন্টের অভাবে এখন দুনিয়ায় চালানো দায়! এই সমস্যার সমাধান দেওয়ার জন্য ইলন মাস্ক এখন নজর দিইয়েছেন মহাকাশে। মহাকাশে ডাটা সেন্টার পাঠাইলে কি আসলেই খরচ কমাবে?

চ্যাট-জিপিটি কিংবা এআই, এইসব চালাতে যে ডাটা সেন্টার দরকার, সেটা জায়গা এবং কারেন্টের অভাবে এখন দুনিয়ায় চালানো দায়! এই সমস্যার সমাধান দেওয়ার জন্য ইলন মাস্ক এখন নজর দিইয়েছেন মহাকাশে। মহাকাশে ডাটা সেন্টার পাঠাইলে কি আসলেই খরচ কমাবে?