
বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর এবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয়। তার সঙ্গে আজ রোববার শপথ নিয়েছেন তার দল টিভিকের ৯ নেতাও। শপথ নেওয়ার পরই বিজয় বলেছেন, “আমি জনগণের পকেট থেকে একটা পয়সাও স্পর্শ করব না।”

দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনার পর অবশেষে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন থালাপতি বিজয়। আজ রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ের সঙ্গেই শপথ নেন আরও নয়জন।

বর্তমানে বিজয়ের জোটে তার নিজের দল টিভিকের ১০৭ জন বিধায়ক ছাড়াও রয়েছে কংগ্রেসের ৫ জন, সিপিআইয়ের ২ জন, সিপিআইএমের ২ জন, ভিসিকের ২ জন এবং আইইউএমএলের ২ জন বিধায়ক।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর মাধ্যমে বাংলায় বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হলেন তিনি। আজ শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এ শপথ অনুষ্ঠিত হয়।

ভারতের দক্ষিণী রাজ্য তামিলনাড়ুতে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম (টিভিকে) একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও সরকার গঠন নিয়ে নাটকীয়তা থামছেই না। ১১৮ জন বিধায়কের ম্যাজিক

চার দিনের চরম রাজনৈতিক নাটকীয়তা ও অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে জয়ের হাসি হাসলেন অভিনেতা-রাজনীতিবিদ সি. জোসেফ বিজয় (থালাপতি বিজয়)। প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার পর আগামীকাল শনিবার সকাল ১১টায় তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন তিনি।

ফরেন পলিসির প্রতিবেদন
বিশ্লেষণটি এটিই স্পষ্ট করে যে, ২০২৬ সালের এই মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কেবল একটি রাজনৈতিক পালাবদল নয়, বরং এটি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন বিজেপি সরকার এই রাজ্যের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। তবে একটি বিষয় আমাদের মনে রাখা উচিত–শাসনের ধরন হতে হবে সুশৃঙ্খল এবং পদ্ধতিগত, যা অসংখ্য নাগরিকের (যাদের কথা ওপরে উল্লেখ করা হয়েছে) হৃদয় স্পর্শ করবে, যাতে আমাদের রাজ্য দ্রুত জাতীয় স্তরে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় চলমান রাজনৈতিক সহিংসতার মধ্যে এবার খুন হলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথ। গতকাল বুধবার গভীর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি নিহত হন।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার ভোটের ফল প্রকাশের পরে ছড়িয়ে পড়েছে সহিংসতা। এতে রাজ্যজুড়ে ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির অন্যতম বড় কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে মুসলমান ভোট বিভক্ত হয়ে পড়া। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা একচ্ছত্রভাবেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনেও মুসলমানদের তৃণমূলের ভোটব্যাংক মনে করা হলেও সেখানে বড় ধরনের বিভক্তি দেখা দিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫ মে (২০২৬) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান। ভিডিওটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নিরঙ্কুশ জয় পূর্ব ভারতের রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২৯৪ আসনের বিধানসভায় ২০০-র বেশি আসন জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিজে

মমতা বলেন, “জোর করে দখল করে যদি কেউ মনে করে যে আমাকে গিয়ে রেজিগনেশনটা দিতে হবে, নো, নট দ্যাট। আমি এখনও বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে হারিনি। জোর করে আমাদের হারানোর জন্য ওদের চেষ্টা এটা।”

মমতা বলেন, “জোর করে দখল করে যদি কেউ মনে করে যে আমাকে গিয়ে রেজিগনেশনটা দিতে হবে, নো, নট দ্যাট। আমি এখনও বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে হারিনি। জোর করে আমাদের হারানোর জন্য ওদের চেষ্টা এটা।”