
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদরের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যরোলে মুক্তি কেন হয়নি? বাগেরহাট ও যশোর জেলা প্রশাসন দায় চাপাচ্ছে পরস্পরের ঘাড়ে। জেলগেটে মৃত শিশু সন্তান ও স্ত্রীর সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ কেন করতে হয়েছে সাদ্দামের? এর মধ্য দিয়ে কি রাষ্ট্রের ‘নির্দয়’ আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে?

নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদরের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম কি প্যারোলে মুক্তি পেতে পারতেন? প্যারোলের নীতিমালায় কী আছে? প্যারোল, প্রবেশন ও জামিন কি একই? এই তিন বিধানের কোনটিতে কী আছে? বাংলাদেশের আইনে কী আছে?

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানানো হয়।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির আবেদনই করা হয়নি বলে দাবি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ যশোর কারাগারে আটক বন্দী সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই বক্তব্য গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

স্ত্রী ও নয় মাসের শিশু সন্তানের মৃত্যুতে বাগেরহাট সদর উপজেলা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারলে মুক্তির আবেদনসংক্রান্ত বিষয়ে মুখ খুলেছে যশোর জেলা প্রশাসন। আজ রোববার জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেলের সহকারী কমিশনার আশীষ কুমার দাসের স্বাক্ষর করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়ে ব্যাখ

বাগেরহাটে নিষিদ্ধঘোষিত এক ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও তার ৯ মাস বয়সী ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেকডাঙা গ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

মিলনের নামে অতীতে কোনো মামলা ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার নামে ডিএমপি অর্ডিন্যান্সে একটি মামলার তথ্য আমরা পেয়েছি। এছাড়া সে মাদকাসক্ত বলেও অভিযোগ করে র্যাব।