
এই সমস্যা সমাধানে কম নির্গমনকারী গলনকারখানার জন্য ভর্তুকি ও ব্যবহৃত ব্যাটারি সংগ্রহে সহায়তা, ব্যাটারি বিক্রিতে স্মেল্টিং ফি আরোপ, ব্যাটারির ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করতে পাবলিক রেজিস্ট্রি চালু, ব্যবহৃত ব্যাটারি রপ্তানি সহজ করা এবং সিসা আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উদ্যোগের সুপারিশ করা হয়েছে।

নির্বাচনের এই সময়ে ভোটারদের উচিত প্রার্থীদের প্রশ্ন করা, ‘পরিবেশ রক্ষায় আপনাদের পরিকল্পনা কী?’। আমরা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চাই যিনি কেবল রাস্তাঘাট বানাবেন না, বরং আমাদের সন্তানদের জন্য একটি দূষণমুক্ত পৃথিবী নিশ্চিত করার সাহস রাখবেন।

ভারতের সৌরশক্তির দ্রুত প্রসারকে সাধারণত একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হয়। তবে এই সাফল্যের সঙ্গে তৈরি হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জ সৌর প্যানেল বর্জ্য এবং তার পরিবেশগত ঝুঁকি।

‘তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ সূচক, ২০২৫’–এ বাংলাদেশের স্কোর ৬৯, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি খারাপ। এ তালিকার ভারতের স্কোর ৫৯, পাকিস্তানের স্কোর ৫৪, শ্রীলঙ্কার স্কোর ৪৫।

পরিবেশ উপদেষ্টার নির্দেশনা দেওয়ার পর দুই সপ্তাহের বেশি সময় পার হলেও দরকারি উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে ঢাকা মহানগরীর বাতাস যে ‘অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় ছিল, সেই অবস্থাতেই আছে।

বরিশাল শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শেরেবাংলা নগরে আবর্জনার স্তূপ বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন এই ভাগাড়ে যুক্ত হয় প্রায় ২০০ টন আবর্জনা। আবর্জনার স্তূপের কারণে সৃষ্ট নানা সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আমাদের মনে রাখতে হবে–নিরাপত্তা অর্জনের নামে পৃথিবীর নিরাপত্তা বিসর্জন দেওয়া চলে না। জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা আজ মানবজাতির যৌথ নিরাপত্তার প্রশ্ন, অস্তিত্বের প্রশ্ন। সামরিক নির্গমন আড়ালে রেখে সেই লড়াই সফল হবে না–কোনওভাবেই না।