
দিনব্যাপী এই সম্মেলনে থাকবে উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনা, বি-টু-বি বিজনেস ম্যাচমেকিং, আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিং এবং মর্যাদাপূর্ণ বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠান।

ডেলসি রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। একই দিনে নিউইয়র্কে মাদক মামলায় আদালতে হাজির করা হয় নিকোলাস মাদুরোকে। ক্ষমতা পরিবর্তন, মার্কিন হস্তক্ষেপ ও বিরোধী বর্জনের মধ্যেই নতুন অধ্যায়ে দেশটি।

ব্রুকলিন ডিটেনশন সেন্টারের বাইরে আনন্দিত ভেনেজুয়েলানরা ভিড় জমান গত শনিবার। বন্দী প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে এখানেই রাখা হবে বলে গুঞ্জন আছে। মার্কিন বাহিনীর একটি সামরিক অভিযানের পর তাকে আটক করে নিউ ইয়র্কে নিয়ে আসা হয়।

কোরআনের শতাব্দী প্রাচীন একটি কপি হাতে নিয়ে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি। প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় মেয়র হিসেবে তার অভিষেক শহরের রাজনীতিতে বৈচিত্র্য ও পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে। তরুণ এই নেতৃত্বকে ঐতিহ্য ভাঙা ও প্রগতিশীল রাজনীতির এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

পবিত্র কোরআনের কয়েক শতাব্দীপ্রাচীন একটি কপি হাতে নিয়ে শপথ নিয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি। স্থানীয় সময় বুধবার মধ্যরাতে এ শপথ অনুষ্ঠিত হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি এখনও বিশ্বাস করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন ‘ফ্যাসিস্ট’। হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে উষ্ণ–হাস্যোজ্জ্বল বৈঠকের পরও তিনি এ ধারণাই পোষণ করেন।

হোয়াইট হাউসে বৈঠকে ট্রাম্প ও মামদানি নিউইয়র্কের জীবনযাত্রার ব্যয়, অপরাধ দমন ও আবাসন সংকট নিয়ে আলোচনা করেন। ইসরায়েলকে ঘিরে বিতর্কিত মন্তব্য পুনর্ব্যক্ত করলেও মামদানি শহরের অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। তবে বৈঠক থেকে আন্তর্জাতিক নীতিতে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত মেলেনি।

জোহরান মামদানির বিজয় তাই নতুন দিগন্তের আশা দেখায়। কঠোর ইসলামোফোবিয়া ও বর্ণবাদের মাঝেও তার জয় প্রমাণ করে–মানুষ এখনো ন্যায়, সমতা ও মর্যাদার রাজনীতিকে মূল্য দিতে প্রস্তুত। তবে নির্বাচন কেবল শুরু। সামনে আরও কঠিন কাজ–প্রতিশ্রুতিকে নীতিতে রূপান্তর, আশাকে বাস্তব পরিবর্তনে পরিণত করা।

রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একজন ৭৯ বছর বয়সী ব্যবসায়ী রাজনীতিক, আর ৩৪ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট সোশ্যালিস্ট মামদানি মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা তুলনামূলক তরুণ নেতা। অভিবাসন থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক নীতি প্রায় প্রতিটি বিষয়েই তাদের মতপার্থক্য স্পষ্ট।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে ওভাল অফিসে বৈঠকের ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাচনের আগে মামদানিকে “কমিউনিস্ট” আখ্যা দিয়ে নিউইয়র্কের উন্নয়ন প্রকল্প বাতিলের ইঙ্গিত দিলেও, ট্রাম্প এখন শহরের উন্নতির আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

ওবামা শেষ মুহূর্তে মামদানিকে ফোন করে এক ফাঁপা সমর্থন দেন। আসলে মামদানির উচিত ওবামার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রতিটি কথার উল্টো কাজটা করা।

মেয়র নির্বাচিত হওয়ার দুদিন না যেতেই পুয়ের্তো রিকোতে ছুটে আসেন মামদানি। উদ্দেশ্য, সম্মেলনে অংশ নেওয়া। মেয়র হওয়ার পর এটিই তার প্রথম বড় রাজনৈতিক সফর।

নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণ
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক সপ্তাহ ধরে জনসমক্ষে জোহরান মামদানিকে একজন উগ্রপন্থী, কমিউনিস্ট এবং নিউইয়র্ক সিটির জন্য হুমকি বলে আখ্যা দিচ্ছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ৩৪ বছর বয়সী মামদানির চেয়ে তিনি ‘অনেক বেশি আকর্ষণীয়’।

মনস্তাত্ত্বিক গবেষণাগুলো বলছে, একজনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া আত্মমর্যাদা এবং মানসিক সুস্থতা বৃদ্ধি করে। আর এই কারণেই হয়ত জোহরান তার মেয়র হিসেবে প্রথম কর্মদিবসে দক্ষিণ এশীয় খাবার দিয়ে উদযাপন করলেন।

মনস্তাত্ত্বিক গবেষণাগুলো বলছে, একজনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া আত্মমর্যাদা এবং মানসিক সুস্থতা বৃদ্ধি করে। আর এই কারণেই হয়ত জোহরান তার মেয়র হিসেবে প্রথম কর্মদিবসে দক্ষিণ এশীয় খাবার দিয়ে উদযাপন করলেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি মামদানি বাধার সম্মুখীন হন, তাহলে অনেক নিউইয়র্কবাসীর সহানুভূতিও তিনি পাবেন। তার নেতৃত্বকে অনেকে দেখছেন পরিবর্তনের প্রতীক এবং নতুন এক প্রজন্মের আশা হিসেবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি মামদানি বাধার সম্মুখীন হন, তাহলে অনেক নিউইয়র্কবাসীর সহানুভূতিও তিনি পাবেন। তার নেতৃত্বকে অনেকে দেখছেন পরিবর্তনের প্রতীক এবং নতুন এক প্রজন্মের আশা হিসেবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ব্রুকলিনে বিজয় ভাষণে মামদানি বলেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্প, আমি যত দূর জানি, আপনি দেখছেন। আমি আপনাকে চারটি শব্দ বলব: টার্ন দ্য ভলিউম আপ (আওয়াজ বাড়ান)।”

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ব্রুকলিনে বিজয় ভাষণে মামদানি বলেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্প, আমি যত দূর জানি, আপনি দেখছেন। আমি আপনাকে চারটি শব্দ বলব: টার্ন দ্য ভলিউম আপ (আওয়াজ বাড়ান)।”