
আর্টেমিস-২ পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরত্বে পৌঁছে অ্যাপোলো-১৩–এর পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছে।
আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা এবার কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে! নাসার নতুন বস জ্যারেড আইজ্যাকম্যানের এক মেমোতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে। এখন আর শুধু ঘুরে আসা নয়, নাসা চায় চাঁদে স্থায়ী আস্তানা গড়তে। চীন আসুক আর না আসুক, নাসা সাফ জানিয়ে দিয়েছে,

নাসার তথ্যমতে, এদিন সন্ধ্যা ৭টা ০৫ মিনিটে তারা পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৭ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করবেন, যা আগের রেকর্ডের চেয়ে ৪ হাজার ১০২ মাইল বেশি।

পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে অজানার পথে! নাসার আর্টেমিস-২ মিশনের ওরিয়ন ক্যাপসুল এখন চাঁদের পথে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক ঐতিহাসিক থ্রাস্টার ফায়ারিংয়ের মাধ্যমে চার মহাকাশচারী পৃথিবীর কক্ষপথ ত্যাগ করেছেন।

ওরিয়ন ক্যাপসুলের ছোট জানালার ওপাশে তখন আদিগন্ত নীল রঙের এক গোলক। যে ধুলিকণায় আমাদের সব আনন্দ, সব বেদনা—সেই পৃথিবী থেকে তখন ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছেন চারজন মহাকাশচারী।

তাদের এই ১০ দিনের সফরের সফল সমাপ্তিই ঠিক করে দেবে, পরবর্তী প্রজন্মের মানুষ পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনো গ্রহে বসতি গড়তে পারবে কি না। সারা বিশ্ব এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ১০ এপ্রিলের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য, যখন ওরিয়ন সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

৫৩ বছরের বেশি সময় পর আবারও চাঁদের উদ্দেশে নভোচারী পাঠাল আমেরিকা। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের চার নভোচারী কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ‘ওরিয়ন’ ক্যাপসুলে চড়ে এ ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করেন।

দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইন শেষে তারা এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতির অপেক্ষায়। লঞ্চ ডিরেক্টর চার্লি ব্ল্যাকওয়েল-থম্পসন জানিয়েছেন, কারিগরি ও আবহাওয়াগত দিক থেকে মিশনটি এখন পর্যন্ত বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে।

শেষবার যখন চাঁদে মানুষের পদচিহ্ন পড়েছিল, তারপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৫৪ বছর। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নাসা এবার পাড়ি দিচ্ছে তার ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ নিয়ে। আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে চারজন দুঃসাহসী নভোচারী যাচ্ছেন এমন এক অজানার উদ্দেশ্যে, যা আগে কখনো সম্ভব হয়নি।

এর আগে ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকের অ্যাপোলো মিশনের পর এটিই হতে যাচ্ছে মানবজাতির সবচেয়ে বড় চন্দ্র অভিযান।

জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইলি ভিসবাল’র নেতৃত্বে একটি দল পপ থ্রি’র অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। জেডব্লিউএসটি এর ইনফ্রারেড বর্ণালী বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে এই নক্ষত্র থেকে নির্গত আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি সূর্যের চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।

চিলির প্যাটাগোনিয়ার আকাশে ৪ ডিসেম্বর ফুটে উঠেছিল এক মায়াবী সুপারমুন, সাধারণের তুলনায় আরও বড়, আরও উজ্জ্বল। পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থানের কারণে চাঁদের এই বিশেষ রূপ বছরে মাত্র কয়েকবারই দেখা যায়। নাসার হিসাব অনুযায়ী, এটিই ছিল বছরের শেষ সুপারমুন।