
নতুন বছর এলেও যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় নেই কোনো উৎসব, আছে শুধু অনিশ্চয়তা আর নিরাপত্তাহীনতা। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা ২০২৬ সালে শান্তি, নিরাপদ জীবন ও নিজ ঘরে ফেরার আকুতি জানাচ্ছেন। যুদ্ধবিরতির পর সহিংসতা কমলেও গাজায় স্বস্তি এখনো অধরা।

আতশবাজি, আলোকসজ্জা আর উৎসবের আমেজে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিশ্বজুড়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে ২০২৬ সাল। প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জ থেকে শুরু করে এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ছিল আনন্দঘন উদযাপন। সময়ের পার্থক্য থাকলেও নতুন আশা, সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তায় একসঙ্গে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব।

নববর্ষের আচার অনুষ্ঠানে পেরুর ওঝারা ২০২৬ সালের বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তাঁদের পূর্বাভাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর পতন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গুরুতর অসুস্থতার কথা উঠে আসে।

বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাস পালন করা হয়, তবে ব্যতিক্রম রাশিয়া। দেশটিতে এই উৎসব আসে আরও দুই সপ্তাহ পরে, ৭ জানুয়ারি। তখন আলো ঝলমলে উচ্ছ্বাসের বদলে পরিবেশ থাকে শান্ত, রাস্তাঘাটে নিস্তব্ধতা, আর উৎসবটি যেন আনন্দের চেয়ে বেশি এক ধরনের বিরতি।