
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম তাপ-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা বৃদ্ধির শিকার হওয়া জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। ১৯৮০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়েছে ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

২০২৫ সাল ব্রিটেনের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ ও রৌদ্রোজ্জ্বল বছর হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছে। দেশটির আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উচ্চচাপ বলয় ও সমুদ্রের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতাই তাপমাত্রা বৃদ্ধির মূল কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক এই রেকর্ড জলবায়ু পরিবর্তনের দ্রুতগতির স্পষ্ট সতর্কবার্তা।

সাইবেরিয়ার স্থলবেষ্টিত অববাহিকায় অবস্থিত এই ইয়াকুতিয়া শহর। শীতকালে এখানে বাতাস আটকে পড়ে, যা শক্তিশালী শীতকালীন চাপবলয় তৈরি করে। রাতের আকাশ পরিষ্কার থাকায় ভূমির তাপ দ্রুত মহাশূন্যে বেরিয়ে যায়।

রাজধানীর দোয়েল চত্বর এলাকায় নানা জাতের বিদেশি গাছ বিক্রি করেন রাকিব ইসলাম। গাছগুলো আসে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া থেকে। ঘর ও অফিসের সৌন্দর্য বাড়াতে অনেকে এই গাছ কিনছেন। ভিডিও: তারিক সজীব

বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলন শেষ হয়েছে গত মাসে। কপ–৩০ সম্মেলন শেষে ফিরেছে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল। এবারও নানা দাবি নিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রতি বছরই যায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত আসলে কী অর্জন করতে পারল বাংলাদেশ?

বাংলাদেশে মানবাধিকার প্রসার ও সুরক্ষায় অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটি বলেছে, মানবাধিকারই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার ভিত্তি।

গত নভেম্বর মাসে কপ-৩০ জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সম্মেলনে, বিভিন্ন দেশ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর নতুন পদক্ষেপগুলোয় একমত হতে পারেনি।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি বিষয়টি নিয়ে জানিয়েছে, ভূমিকম্পটিতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট (বিসিসিটিএ) থেকে করা বরাদ্দের ৫৪ শতাংশেই অনিয়ম পাওয়া গেছে। এই সময়ে ৮৯১টি প্রকল্পে দুর্নীতির পরিমাণ আনুমানিক ২৪ কোটি ৮৪ লাখ ডলার, যা প্রায় ২ হাজার ১১ কোটি টাকার সমপরিমাণ।

বিশ্ব যখন অপরিবর্তনীয় জলবায়ু ক্ষতি, সংঘাত ও বাস্তুচ্যুতির জটিল বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, তখন জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশে কোনো দূরবর্তী ধারণা নয়, বরং প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা। ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ, বন্যা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং নদী ভাঙনে লাখো মানুষ স্থানচ্যুত হচ্ছে। কৃষি, স্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তার জন্য প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনে একটি তহবিল গঠনের কথা বলা হয়। এ তহবিল এখন বাস্তব। বাংলাদেশড়সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ তহবিল থেকে অর্থ সহায়তা পাচ্ছে। কিন্তু এ সহায়তার ধরন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে এর পরিমাণ নিয়েও।

বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনের (কপ) ৩০তম আসর শেষ হয় গত ২১ নভেম্বর। সম্মেলনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল দেশে ফেরে ২৩ নভেম্বর, ঠিক যেদিন ঢাকার বাতাসের মান ছিল ‘অস্বাস্থ্যকর’। সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশের রাজধানীতে দূষণ থাকবে না–এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু এটা একটা বৈপরীত্যকে সামনে আনে।

মানচিত্র থেকে জানা যায়, ভারতের ৬১ ভাগ এলাকা ভূমিকম্পপ্রবণ। ইন্ডিয়ান-ইউরেসিয়া পাতের মধ্যে সংঘর্ষ এবং পাত সরে যাওয়ার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বেড়েছে। তালিকায় রয়েছে উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তর প্রদেশের কিছু এলাকা।

জলবায়ু কর্মী গোষ্ঠী ‘এক্সটিঙ্কশন রিবিলিয়ন’ এই অভিনব প্রতিবাদ করেছে। তাদের কর্মীরা ঐতিহ্যবাহী ভেনিসীয় পোশাকে, মুখে সাদা রং মেখে, হাতে সংগঠনের পতাকা নিয়ে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

জলবায়ু কর্মী গোষ্ঠী ‘এক্সটিঙ্কশন রিবিলিয়ন’ এই অভিনব প্রতিবাদ করেছে। তাদের কর্মীরা ঐতিহ্যবাহী ভেনিসীয় পোশাকে, মুখে সাদা রং মেখে, হাতে সংগঠনের পতাকা নিয়ে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

বিশ্বের ময়দানে জলবায়ু এখন বড় খেলা। ক্ষমতাধর দেশগুলো ঋণখেলাপি। আর এই ঋণ আদায় করে না নিলে কখনোই মিলবে না। জুলাই বিপ্লবের সাহস নিয়ে আমাদের বিশ্বের ময়দানে নেতৃত্ব দিতে হবে।

বিশ্বের ময়দানে জলবায়ু এখন বড় খেলা। ক্ষমতাধর দেশগুলো ঋণখেলাপি। আর এই ঋণ আদায় করে না নিলে কখনোই মিলবে না। জুলাই বিপ্লবের সাহস নিয়ে আমাদের বিশ্বের ময়দানে নেতৃত্ব দিতে হবে।

আমাদের মনে রাখতে হবে–নিরাপত্তা অর্জনের নামে পৃথিবীর নিরাপত্তা বিসর্জন দেওয়া চলে না। জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা আজ মানবজাতির যৌথ নিরাপত্তার প্রশ্ন, অস্তিত্বের প্রশ্ন। সামরিক নির্গমন আড়ালে রেখে সেই লড়াই সফল হবে না–কোনওভাবেই না।

আমাদের মনে রাখতে হবে–নিরাপত্তা অর্জনের নামে পৃথিবীর নিরাপত্তা বিসর্জন দেওয়া চলে না। জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা আজ মানবজাতির যৌথ নিরাপত্তার প্রশ্ন, অস্তিত্বের প্রশ্ন। সামরিক নির্গমন আড়ালে রেখে সেই লড়াই সফল হবে না–কোনওভাবেই না।