
আমাদের দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে এআই-এর অনৈতিক ব্যবহারই বেশি। এ নিয়ে সেভাবে যেহেতু জরিপ বা গবেষণা হয় না, তাই বিষয়টির প্রামাণ্য তথ্য হাজির করা কঠিন। তবে এ দেশে বছরদুয়েক সাংবাদিকতা করা যে কেউ আশা করি এ বিষয়টায় একমত হবেনই। অবাকও হতে পারেন, কারণ এ দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোয় এআই লিটারেসি এতটাই অ, আ, ক, খ পর্যা

Google Zero হলো একটি তত্ত্বের সত্যে পরিণত হওয়ার শঙ্কা। গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের একটি নতুন ফিচার হলো এআই ওভারভিউ। গুগলে কোনো বিষয় নিয়ে সার্চ করতে গেলেই এখন চোখের সামনে আগে ভেসে ওঠে এই ফিচার। এতে সার্চ করা বিষয়ের ওপর একটি সামারি বা সারসংক্ষেপ তুলে ধরে গুগলের এআই

আমরা কি এমন এআই সঙ্গী চাই, যা আমাদের মৌলিক চিন্তা করার জন্য সাহায্য করে? নাকি এমন এআই চাই, যা আমাদের পছন্দকে প্রভাবিত করার জন্য আমাদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত এবং চিন্তাভাবনা থেকে কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ তৈরি করে?

গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের আগস্ট মাসের শুরুতে এআই ওভারভিউ নিয়ে নিজেদের ব্লগে একটি পোস্ট দেয়। পোস্টটি লিখেছেন গুগল সার্চের প্রধান লিজ রিড। তাতে লিজ দাবি করেছেন, গুগলের সার্চ ইঞ্জিন থেকে ওয়েবসাইটগুলোয় যাওয়া ক্লিকের পরিমাণ বছরওয়ারি হিসেবে এখনো ঠিক আছে। তাতে বড় ধরনের কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি হয়নি
অনেক বিশ্লেষক বলছেন, গুগল জিরো আসবে কি, এসেই গেছে আসলে। ওয়েবকেন্দ্রিক অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসা এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও হবে বলে তাদের শঙ্কা। অর্থাৎ, পুরো ই-কমার্স ইকোসিস্টেমই বদলে যেতে পারে।

গুগল বলছে, সরকারের সমালোচনার কারণে করা অনুরোধের ১৮১টিই ছিল ইউটিউবের কনটেন্ট নিয়ে। সবচেয়ে বেশি অনুরোধ পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) টুলগুলো মানুষকে যা বলে তা অন্ধভাবে বিশ্বাস করা উচিত নয় বলে জানিয়েছেন গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই।

কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ নামের একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলোতে দশটি গুরুত্বপূর্ণ এআই–চালিত সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে–যেমন ইমেইল নিরাপত্তা, ব্রাউজিং সুরক্ষা, কল স্ক্রিনিং, এবং ডিভাইসে আচরণ বিশ্লেষণ। বিপরীতে, আইফোনে রয়েছে মাত্র দুটি সুরক্ষা ব্যবস্থা।

এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভবিষ্যতে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপের সীমারেখা ভেঙে দিয়ে গুগল একীভূত অ্যান্ড্রয়েড অভিজ্ঞতা দিতে চায়।

কোয়ান্টাম কম্পিউটার দেখতে সাধারণ কম্পিউটারের মতো নয়। অনেক ধাতব সিলিন্ডার ও প্যাঁচানো তারে তৈরি কিম্ভূতকিমাকার এই যন্ত্রটি। কোয়ান্টাম মেকানিকসের জটিল সমীকরণ কাজে লাগিয়ে গাণিতিক সব সমস্যার সমাধান করবে এটি।

ভবিষ্যতের প্রযুক্তি কেমন হবে, তা নিয়ে আমাদের আগ্রহের শেষ নেই। গাড়ি আকাশে উড়বে, রোবট চিকিৎসা করবে, ড্রোনের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে যাবে ভোক্তার কাছে–না জানি আরও কত কিছু হবে! তবে একটি বিষয় নিশ্চিত – কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI সেই ভবিষ্যতের প্রধান চালিকাশক্তি।