চরচা ডেস্ক

গুগল ব্যক্তিগত কম্পিউটারের (পিসি) জন্য অ্যান্ড্রয়েড আনার পরিকল্পনা করেছে। মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি কোয়ালকমের এক ইভেন্টে আলাপচারিতায় অংশ নেন কোম্পানিটির সিইও ক্রিস্টিয়ানো আমন এবং গুগলের প্ল্যাটফর্ম ও ডিভাইস প্রধান রিক অস্টারলো। সেখানে দুজনই শুধু ইঙ্গিতই দেননি, বরং প্রায় স্পষ্টভাবেই ঘোষণা করেছেন— পিসির জন্য অ্যান্ড্রয়েড আসছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভবিষ্যতে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপের সীমারেখা ভেঙে দিয়ে গুগল একীভূত অ্যান্ড্রয়েড অভিজ্ঞতা দিতে চায়।
গুগল বলছে, পিসি ও ডেস্কটপ কম্পিউটিংয়ের জন্য একটি সাধারণ প্রযুক্তিগত ভিত্তি তৈরি করা হচ্ছে।
গুগলের অ্যান্ড্রয়েড ইকোসিস্টেমের প্রধান সমীর সমত জানিয়েছেন, ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটে দ্রুত এআই সুবিধা আনা তাদের লক্ষ্য। ক্রোমওএস অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি করে অ্যান্ড্রয়েডের প্রযুক্তি পুনর্গঠন করা হবে।

গুগল ব্যক্তিগত কম্পিউটারের (পিসি) জন্য অ্যান্ড্রয়েড আনার পরিকল্পনা করেছে। মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি কোয়ালকমের এক ইভেন্টে আলাপচারিতায় অংশ নেন কোম্পানিটির সিইও ক্রিস্টিয়ানো আমন এবং গুগলের প্ল্যাটফর্ম ও ডিভাইস প্রধান রিক অস্টারলো। সেখানে দুজনই শুধু ইঙ্গিতই দেননি, বরং প্রায় স্পষ্টভাবেই ঘোষণা করেছেন— পিসির জন্য অ্যান্ড্রয়েড আসছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভবিষ্যতে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপের সীমারেখা ভেঙে দিয়ে গুগল একীভূত অ্যান্ড্রয়েড অভিজ্ঞতা দিতে চায়।
গুগল বলছে, পিসি ও ডেস্কটপ কম্পিউটিংয়ের জন্য একটি সাধারণ প্রযুক্তিগত ভিত্তি তৈরি করা হচ্ছে।
গুগলের অ্যান্ড্রয়েড ইকোসিস্টেমের প্রধান সমীর সমত জানিয়েছেন, ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটে দ্রুত এআই সুবিধা আনা তাদের লক্ষ্য। ক্রোমওএস অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি করে অ্যান্ড্রয়েডের প্রযুক্তি পুনর্গঠন করা হবে।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।