
নতুন বছর এলেও যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় নেই কোনো উৎসব, আছে শুধু অনিশ্চয়তা আর নিরাপত্তাহীনতা। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা ২০২৬ সালে শান্তি, নিরাপদ জীবন ও নিজ ঘরে ফেরার আকুতি জানাচ্ছেন। যুদ্ধবিরতির পর সহিংসতা কমলেও গাজায় স্বস্তি এখনো অধরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্য একদিকে ইসরায়েলকে সমর্থন দিচ্ছে, অন্যদিকে ইরান ও হামাসের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল। তবে এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।

পর্ব-২
২০২৫ সালের জুন মাসে ইরান যখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছায় যে, তারা দ্রুতই অল্প সংখ্যক অপরিশোধিত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম, ঠিক তখনই ইসরায়েল ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ শুরু করে।

ফ্লোরিডায় নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর গাজা, হামাস ও ইরানকে ঘিরে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিরস্ত্রীকরণে ব্যর্থ হলে হামাসকে এবং পরমাণু কর্মসূচি পুনর্গঠনে গেলে ইরানকে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কঠোর অবস্থানের

বিশ্বপরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক বদরুল আলম খান ও চরচার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সেলিম খান।

৭ অক্টোবরের হামলা নিয়ে স্বাধীন তদন্ত কমিশনের দাবিতে তেল আবিবে বড় বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায় এড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন। শেষ জিম্মির দেহাবশেষ ফেরত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

ইহুদিদের বসতি অর মেয়ার আয়তনে খুবই ছোট। মুষ্টিমেয় কয়েকটি অস্থায়ী আশ্রয় নিয়ে গড়ে ওঠা এই ঘাঁটিটি ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরের একটি পাহাড়ের চূড়ায়, কাঁচা রাস্তার একেবারে শেষে অবস্থিত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ এসব আশ্রয়ই একটি পূর্ণাঙ্গ ইসরায়েলি আবাসন প্রকল্পে পরিণত হয়েছে।

টানা দুই বছরের বিধ্বংসী যুদ্ধ শেষে এ বছর গাজায় একটু ভিন্নভাবে পালিত হচ্ছে খ্রিস্টানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। সেখানে উৎসবের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। তবুও ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে শান্তিময় পরিবেশের প্রার্থনা করলো গাজাবাসী।

গাজা উপত্যকায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে পড়ায় ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। আল-শিফা হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসা দিতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। চিকিৎসা স্থানান্তর বিলম্বিত হওয়ায় বহু রোগীর প্রাণ ঝুঁকিতে পড়ছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

রুবিও জানান যে, টেকনোক্র্যাট গ্রুপে যোগ দেওয়ার জন্য ফিলিস্তিনিদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সম্প্রতি অগ্রগতি হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না করলেও তিনি বলেন, ওয়াশিংটন খুব শিগগিরই এই শাসনকাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

গাজা পরিস্থিতি সামাল দিতে আমেরিকার নতুন পরিকল্পনার কেন্দ্রে এবার পাকিস্তান। আর এই পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নাম।

২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর গাজা সিটির আল-রিমাল এলাকায় একটি পরিবার ইসরায়েলি বিমান হামলার শিকার হয়। হামলায় ওই পরিবারের আনুমানিক ৬০ জন সদস্য নিহত হন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

গাজার পশ্চিমাঞ্চলে একই পরিবারের ৩০ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার গাজার সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা একটি বিধ্বস্ত বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। তুরস্কভিত্তিক বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ফিলিস্তিনের গাজা শহরে একটি গাড়িতে হামলা চালিয়ে হামাসের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার রায়েদ সাদকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তবে হামাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।

ফিলিস্তিনের গাজা শহরে একটি গাড়িতে হামলা চালিয়ে হামাসের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার রায়েদ সাদকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তবে হামাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালককে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালককে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

হামাস বলেছে, তারা গাজায় আটক থাকা সব ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিতে প্রস্তুত। ট্রাম্প তার ২০ দফা পরিকল্পনা মেনে নিতে হামাস ও ইসরায়েলকে বলছেন। ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ডে বোমা হামলা বন্ধ করারও দাবি জানান ট্রাম্প। প্রশ্ন একটিই, এ সব কিছুর পর কি গাজায় শান্তি ফিরবে?

হামাস বলেছে, তারা গাজায় আটক থাকা সব ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিতে প্রস্তুত। ট্রাম্প তার ২০ দফা পরিকল্পনা মেনে নিতে হামাস ও ইসরায়েলকে বলছেন। ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ডে বোমা হামলা বন্ধ করারও দাবি জানান ট্রাম্প। প্রশ্ন একটিই, এ সব কিছুর পর কি গাজায় শান্তি ফিরবে?