
গণকটুলির দীর্ঘদিনের সংকটের কথা উঠে এল বিদ্যুৎ দাসের কথায়। বললেন, ‘‘থাকার বাসস্থানের অসুবিধা আছে। আমাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করলেও ভালো চাকরি পায় না।”

বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর অসহিষ্ণুতার চরম বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা দিয়েছে ‘মব জাস্টিস’ বা গণপিটুনি। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ১৭ মাসে দেশে মব ভায়োলেন্সের অন্তত ৪১৩টি ঘটনায় ২৫৯ জন প্রাণ হারিয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মোবাইল চুরিকে কেন্দ্র করে আমেনা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় মেহেদী ইসলাম (৩২) নামের এক যুবক খুনের অভিযোগে স্থানীয়দের হাতে পিটুনিতে নিহত হয়েছেন।

২০২৫ সালে বাংলাদেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিদায়ী বছরে দেশের নাগরিকরা এক চরম ‘অনুমাননির্ভর’ ও নিরাপত্তাহীন জীবন অতিবাহিত করেছেন। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক সহিংসতা, গণপিটুনি এবং মতপ্রকাশের স্বাধী

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারখানায় কর্মরত দিপুর বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগ ওঠে। কথাটি ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে ওই যুবককে মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

গণপিটুনি আসলে কেমন ক্রিয়া? সাধারণত অনেক মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে একই উদ্দেশে পেটায় এই প্রক্রিয়ায়। অর্থাৎ, এই পিটুনি এক ধরনের শাস্তি প্রদান প্রক্রিয়া। প্রচলিত কোনো আইনের তোয়াক্কা না করেই, সমাজের মানুষ গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে এমন শাস্তি প্রদান করে থাকে।