
পোড়া রুটি আর চা কুষ্টিয়ায় পরিচিতি নাস্তা। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সলিমুল্লাহ রোডেও পাবেন এই খাবার। ৬ ধরনের চায়ের সঙ্গে মাখন দেওয়া পোড়া রুটি পাওয়া যায় এখানে। রুটি আর চায়ে খরচ হবে ৭০ টাকা। ভিডিও: হাসান জোবায়েদ সজিব

ক্যাফে কর্নারের চিংড়ি ফ্রাই: পুরান ঢাকার ক্যাফে কর্নারের চিংড়ি ফ্রাই গ্রাহকদের কাছে জনপ্রিয়। দাম ঠিক হয় চিংড়ির সাইজ অনুযায়ী।

ক্যাফে হলেও নিউ ক্যাফে কর্নারে কখনো কফি পাওয়া যেত না। এখানকার চা গ্রাহকদের কাছে সবসময়ই জনপ্রিয়। কনডেন্সড মিল্ক আর কড়া লিকারের এই চা খেতে অনেকেই এখানে আসেন।

অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ডায়েট জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ হলো এটি কোনো ‘ক্রাশ ডায়েট’ নয়। এটি মানুষকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ পথ দেখায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের ফলে দেশটিতে খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়। তখন আমেরিকা প্রচুর গম সরবরাহ করে। এর ফলে জাপানে বাড়ল রামেন খাওয়া। কীভাবে? সেই গল্প জানতে পুরো ভিডিও দেখুন।
বর্তমানে ভারতীয় বা মধ্যপ্রাচ্যের খাবার পরিবেশন করা রেস্তোরাঁগুলোতে নানের নানা রূপ দেখা যায়। কিন্তু এক সময় এ শুধু মুসলিম সুলতান-বাদশাহদের জন্যই পরিবেশিত হতো। কীভাবে রাজকীয় রান্নাঘর থেকে নান আমাদের প্লেটে এসে পৌঁছাল?

রাজধানীর শাহবাগে দেখা মেলে এক বিচিত্র নামের ভাজা পোড়ার দোকান ‘গণ তেলে ভাজা তন্ত্র’! ঢাকা কলেজের ছাত্র জোনায়েদ সাকি পড়ালেখার পাশাপাশি চালান এই ফুড কার্ট।

বেলা দশটা-এগারোটার খিদে হোক বা সন্ধ্যার নাশতা-গরম গরম শিঙাড়া ছাড়া অনেকের চলেই না। কিন্তু শিঙাড়া এলো কী করে? পারস্যের সামোসা থেকে সুলতানি দরবার পেরিয়ে বাংলার ঘরে ঘরে শিঙাড়ার যাত্রা, আর আলু ভরা নিরামিষ রূপ পাওয়ার গল্প-সবটা নিয়েই খানওদাওনের এই পর্বে।

শরীরের বিভিন্ন প্রয়োজন চিন্তা করে সারাবিশ্বে অনেক ধরনের ডায়েট প্রচলিত আছে। এরমধ্যে একটি হলো লায়ন ডায়েট। এই ডায়েটে শুধু নির্দিষ্ট কিছু প্রাণীর মাংস-যেমন ভেড়া, বাইসন ও হরিণ খাওয়া হয়।

নানা দেশ নানা জায়গা ঘুরে ফ্রায়েড রাইস নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন রূপ। দেড় হাজার বছরের পুরনো এই খাবারের জন্ম চীনে। দেশটিতে জন্ম নেওয়া সেই খাবারের গল্প এবার খাওনদাওনে।

দিল্লি সালতানাতের পতনের পর শাহী খানসামারা ছোট ছোট রাজ্যের রাজা, নবাবদের হেঁশেলে ঠাঁই পেলেন। সেখানে গিয়ে বানাতে শুরু করলেন নানা পদ। যেহেতু তারা একসময় মোগলদের হেঁশেলে কাজ করতেন তাই তাদের খাবার হয়ে গেল ‘মোগলাই’।

আমরা কী খাই, সেটি সরাসরি প্রভাব ফেলে সেরোটোনিন, ডোপামিনের মতো ‘ফিল-গুড’ নিউরোট্রান্সমিটারের ওপর। তাই মন খারাপ, ক্লান্তি বা অস্থিরতার সময়ে কিছু খাবার সত্যিই মুড বদলে দিতে পারে।

শর্করা শত্রু নয়, ভুল শর্করা শত্রু। সঠিক কার্ব বেছে নিলেই স্বাস্থ্য ঠিক থাকে, শরীরও থাকে হালকা ও প্রাণবন্ত।

ব্যস্ত দিনের পর একটু আরাম করতে করতে খাবার খাওয়ায় যেন কোনো সমস্যা নেই এটাই মনে হয়। তবে এর বাস্তবতা ভিন্ন। বরং এতে খাবারের স্বাদ, পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, এমনকি হজম,সবই প্রভাবিত হয়।

ব্যস্ত দিনের পর একটু আরাম করতে করতে খাবার খাওয়ায় যেন কোনো সমস্যা নেই এটাই মনে হয়। তবে এর বাস্তবতা ভিন্ন। বরং এতে খাবারের স্বাদ, পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, এমনকি হজম,সবই প্রভাবিত হয়।

পুষ্টিহীনতার এসব লক্ষণ যদি নিয়মিত দেখা দেয়, তবে খাদ্যাভ্যাসে নজর দেওয়া জরুরি। প্রতিদিন ফল, শাকসবজি, আমিষ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও যথেষ্ট পানি রাখলে ধীরে ধীরে শরীর তার ভারসাম্য ফিরে পায়।

পুষ্টিহীনতার এসব লক্ষণ যদি নিয়মিত দেখা দেয়, তবে খাদ্যাভ্যাসে নজর দেওয়া জরুরি। প্রতিদিন ফল, শাকসবজি, আমিষ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও যথেষ্ট পানি রাখলে ধীরে ধীরে শরীর তার ভারসাম্য ফিরে পায়।

ঋতেন্দ্রনাথ লিখেছেন, “বিশ্বকোষে ‘লুচি’ দেশজ শব্দ অর্থাৎ বাঙ্গলার প্রাকৃত শব্দ বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে তাহা ভ্রমাত্মক।

ঋতেন্দ্রনাথ লিখেছেন, “বিশ্বকোষে ‘লুচি’ দেশজ শব্দ অর্থাৎ বাঙ্গলার প্রাকৃত শব্দ বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে তাহা ভ্রমাত্মক।