
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় দেড় হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি, সম্পদ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পুড়ে যায়। খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ পানির জন্য নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বস্তিগুলোতে আগুন লাগার মূল কারণ হচ্ছে সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত বৈদ্যুতিক সংযোগ, নিয়ম না মেনে সিলিন্ডার বা লাইন গ্যাসের অনিরাপদ ব্যবহার, বিড়ি-সিগারেট, মশার কয়েল ও খোলা বাতির ব্যবহার, উন্মুক্ত চুলা ও হিটারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার। উদাসীনতা ও অসাবধানতা এই ঝুঁকি আরও বাড়ায়

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ২৫ নভেম্বরের আগুনে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে পুড়ে গেছে প্রায় ১ হাজার ৫০০ ঘর। নিহত হওয়ার কোনও সংবাদ না থাকলেও সর্বস্ব হারানো মানুষের আহাজারিতে ভারি কড়াইল বস্তির বাতাস।

ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে, পুড়ে গেছে প্রায় দেড় হাজার ঘর। তবে স্থানীয়দের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে। রাতারাতি চিরচেনা এলাকা পরিণত হয়েছে ছাইয়ের শহরে।

আগুনে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত করে জানানো হবে বলে এক খুদে বার্তায় জানায় ফায়ার সার্ভিস।

রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিট। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি।

কড়াইল বস্তির আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশও করেছেন তিনি।

বাঁশ-কাঠের ঘর হওয়ায় আগুন ছড়ায় দ্রুত ছড়ায় জানিয়ে তিনি বলেন, “বাঁশ–কাঠের ঘরগুলো শুষ্ক মৌসুমে আরও বেশি দাহ্য হয়ে ওঠে। এ সময়কে আমরা আগুনের সিজন বলি।”

রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই একের পর এক ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার বিকাল সোয়া পাঁচটার দিকে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়।