
মন্ত্রী বলেন, “আমি এ বিষয়ে আশ্বস্ত করতে চাই, কাঁচাবাজার, ক্ষুদ্র মুদি দোকান এর আওতার বাইরে থাকবে। এটা নিয়ে একটু কনসার্ন ছিল এজন্য আমি জোর দিয়ে বললাম, যে মুদির দোকান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আসবে কিনা এরা করের আওতার বাইরে থাকবে।

করের আওতা বাড়াতে ব্যাংক হিসাব খোলা, বণ্টননামা দলিল নিবন্ধন ও সম্পত্তি নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবেও ‘জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি’ হচ্ছে বলে এ প্রস্তাবও প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী।

বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজর ৫৮৬ কোটি টাকা ছিল বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

চলতি বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের জন্য বড় ধরনের কর মওকুফ ও সর্বোচ্চ আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে চিফ হুইপ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলোকে এই খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি আয়কর কাঠামোয় বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটির মতে, নতুন কর কাঠামোয় তুলনামূলক কম ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর করের বোঝা বেশি বাড়ানো হয়েছে, অথচ উচ্চ আয়ের করদাতাদের ক্ষেত্রে কর দায় বৃদ্ধির

ঝুঁকিটি এখানে আরও বেশি কারণ নিকোটিনে আসক্তি এখন খুব অল্প বয়স থেকেই শুরু হচ্ছে। তামাক শিল্পের বিভিন্ন বিপণন কৌশল যেমন—সুগন্ধিযুক্ত পণ্য, আকর্ষণীয় প্যাকেজিং এবং ডিজিটাল প্রচারণাগুলো বিশেষভাবে তৈরিই করা হয়েছে কিশোর ও তরুণদের আকৃষ্ট করার জন্য।

রাজস্বে ‘মেগা জাম্পের’ লক্ষ্য
কর-জিডিপি অনুপাত দিয়ে বোঝা যায় অর্থনীতির আকারের তুলনায় সরকার কত কর সংগ্রহ করছে। বাংলাদেশে এই হার প্রায় ৬ দশমিক ৮ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়া এবং এশিয়ার অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। এ কারণেই সরকার দীর্ঘদিন ধরে করজাল সম্প্রসারণকে অন্যতম প্রধান নীতিগত লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করছে, যার প্রতিফ

কক্সবাজারে এক পথসভায় বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানান, কর বাড়ানো হয়েছে শুধু মদ ও সিগারেটের মতো স্বাস্থ্যহানিকর পণ্যে। অথচ বিরোধী দল দেশের মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে, এই ক্ষতিকারক পণ্যের দাম বাড়ানো নিয়েও সমালোচনা করছে।

মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে চাল, গম, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, চিনি, ভোজ্যতেল, মাছ, মাংস ও কৃষিপণ্যসহ প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

দেশের ব্যবসায়ী মহলের দীর্ঘদিনের জোরালো দাবির মুখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে উৎসে কর সংক্রান্ত নিয়মে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। নতুন এই প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে উৎসে কেটে নেওয়া করকে আর বাধ্যতামূলক ‘ন্যূনতম বা চূড়ান্ত কর’

ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল ও বীজসহ ৬০টি নিত্যপণ্যে উৎসে কর কমিয়ে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামানো হয়েছে। ৫, ২ ও ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে তা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বাজারে স্বস্তি আনতে পারে।

আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের প্রায় ৩ কোটি খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনার কথা ভাবছে সরকার। এ নিয়ে কী ভাবছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা? হাতিরপুল ও কারওয়ান বাজার থেকে ভিডিও করেছেন তারিক সজীব

সরকার ডিজিটাল ট্যাক্স সিস্টেম, নতুন করদাতা অন্তর্ভুক্তি এবং কর প্রশাসনের আধুনিকায়নের কথা বলছে। এনবিআরও প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার বকেয়া রাজস্ব আদায়ের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে।
সরকারের প্রস্তাবিত বাজেটে মোটরসাইকেলের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপের উদ্যোগের প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে মানববন্ধন করেছেন মোটরসাইকেলচালক ও ব্লগাররা। ভিডিও: তারিক সজীব
সরকারের প্রস্তাবিত বাজেটে মোটরসাইকেলের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপের উদ্যোগের প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে মানববন্ধন করেছেন মোটরসাইকেলচালক ও ব্লগাররা। ভিডিও: তারিক সজীব